বিশাল বিরাট সম্রাজ্য

সম্রাট আকবরের দরবারে দু’জন সভাগায়ক ছিল। তাদের একজনের আদরের নাম লাল, অন্যজনের নাম নীল। গায়ক দুজনের প্রতি সম্রাট খুবই খুশি ছিলেন, এবং তাদের দুজনের গান শোনার জন্য দেশ-দেশান্তর থেকে প্রায়ই লোকজন আসত। আরও গায়ক ছিল, কিন্তু ওদের দু’জনের প্রতি সম্রাটের পক্ষপাতিত্ব ছিল একটু বেশি। এইভাবে দিন যায়। নিজেদের খ্যাতি, প্রতিপত্তি এবং সম্রাটের পক্ষপাতিত্ব দেখে লাল … বিস্তারিত পড়ুন

দেবদাস – শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় —তৃতীয় পরিচ্ছেদ

দিনের পর দিন যায়—এ দুটি বালক-বালিকার আমোদের সীমা নেই—সমস্ত দিন ধরিয়া রোদে রোদে ঘুরিয়া বেড়ায়, সন্ধ্যার সময় ফিরিয়া আসিয়া মারধর খায়,আবার সকালবেলায় ছুটিয়া পলাইয়া যায়—আবার তিরস্কার-প্রহার ভোগ করে। রাত্রে নিশ্চিন্ত নিরুদ্বেগে নিদ্রা যায়; আবার সকাল হয়, আবার পলাইয়া খেলা করিয়া বেড়ায়। অন্য সঙ্গীসাথী বড় কেহ নাই, প্রয়োজনও হয় না। পাড়াময় অত্যাচার উপদ্রব করিয়া বেড়াইতে দুইজনেই … বিস্তারিত পড়ুন

বলাই-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-১ম অংশ

মানুষের জীবনটা পৃথিবীর নানা জীবের ইতিহাসের নানা পরিচ্ছেদের উপসংহারে, এমন একটা কথা আছে। লোকালয়ে মানুষের মধ্যে আমরা নানা জীবজন্তুর প্রচ্ছন্ন পরিচয় পেয়ে থাকি, সে কথা জানা। বস্তুত আমরা মানুষ বলি সেই পদার্থকে যেটা আমাদের ভিতরকার সব জীবজন্তুকে মিলিয়ে এক ক’রে নিয়েছে— আমাদের বাঘ-গোরুকে এক খোঁয়াড়ে দিয়েছে পুরে অহি-নকুলকে এক খাঁচায় ধ’রে রেখেছে। যেমন রাগিনী বলি … বিস্তারিত পড়ুন

দুর্বলের ব্যর্থ চেষ্টা।

একদা এক গভীর জঙ্গল ছিল। সেই জঙ্গলে বাঘ,সিংহ,গাধা,ঘোড়া,গরু,মোষ, হরিণ,বাঁদর,জিরাফ,শেয়াল,ভাল্লুক, ময়ুর,বক,হাঁস, প্রভূতি অসংখ্যা প্রানিরা সুখে বাঁশ করতো।আর সেই জঙ্গেলে বাশ করতো এক দুর্বল শ্রীনীর খরগোশ।সেই জঙ্গেলে সকল জীবজন্তু ও পশুপাখিরা বনন্ধুর মত ভাব ছিল।কেউ কাউকে ক্ষতি করতো না।বরং পরস্পরের বিপদে সবাই সাহায্য করতো।জঙ্গলে মাঝে মাঝে তারা সভা করতো।সেই সভায় তারা জঙ্গলের জীবজন্তুদের সমস্যা ও নানা বিষয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

তওবা

তওবা’ শব্দটির সাথে কম-বেশী সবাই পরিচিত। তওবা শব্দের আভিধানিক অর্থ – ফিরে আসা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, যে সকল কথা ও কাজ মানুষকে আল্লাহর নৈকট্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তা থেকে ফিরে এসে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাকে তওবা বলে। তওবা করার জন্য কয়েকটি শর্ত মানতে হয়। যেমন-পাপ কাজটি পরিহার করা, আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হওয়া এবং ভবিষ্যতে পাপ … বিস্তারিত পড়ুন

আমাকে ফেরেশতা সালাম করে

হযরত এমরান (রহঃ) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে ক্রমাগত ত্রিশ বছর বিছানায় পড়েছিলেন। মল-মূত্র ত্যাগ করতেন বিছানাতেই এবং এ সুদীর্ঘ কাল তিনি মুহুর্তের জন্যও বিছানাতে উঠে বসতেও পারেননি। একবার তাঁর ভাই আলা এবং মাতরাফ নামে এক ব্যক্তি তাকে দেখতে এল। হযরত এমরানের এই করুন অবস্থা দেখে তারা সবাই কেঁদে ফেললেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কাঁদছ  কেন? … বিস্তারিত পড়ুন

সতী– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় –ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

ডাক্তারের দল অল্পক্ষণ হইল বিদায় লইয়াছেন। পারিবারিক চিকিৎসক বৃদ্ধ জ্ঞানবাবু যাইবার সময় বলিয়া গেলেন, বোধ হয় সমস্ত আফিঙটাই বার করে ফেলা গেছে,—বৌমার জীবনের আর কোন শঙ্কা নেই। হরিশ একটুখানি ঘাড় নাড়িয়া কি ভাব যে প্রকাশ করিল, বৃদ্ধ তাহাতে মনোযোগ করিলেন না, কহিলেন, যা হবার হয়ে গেছে, এখন কাছে কাছে থেকে দিন-দুই সাবধানে রাখলেই বিপদটা কেটে … বিস্তারিত পড়ুন

মেয়েটিকে টি. ভি. সহ কবরে দাফন করা হয়

খতমে নবুয়ত নামক ম্যাগাজিনের ১৮০ তম সংখ্যায় একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে । এতে বলা হয়েছে, এক রমজান মাসে এক মা ইফতার তৈরি করছিল । মা মেয়ে কে বললো, তুমি রান্না ঘরে আসো, বাসায় মেহমান আসবে, আমাদের এখানে ইফতারি করবে। তুমিও আসো ইফতার তৈরির কাজে আমাকে সাহায্য কর । মেয়ে টেলিভিশন দেখছিল । সে মাকে বললো, … বিস্তারিত পড়ুন

মক্কা বিজয়ের ঘটনা – ১২ তম পর্ব

মক্কা বিজয়ের ঘটনা – ১১তম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন হযরত আব্বাস (রাঃ) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আবু সুফিয়ান আমাদের চাচাত ভাই, আমার ইচ্ছা হয়, সেও আমার সহিত চলুক। আপনি যদি তাহাকে কিছু স্বতন্ত্র মর্যাদা প্রদান করিতেন। নবী করীম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যে ব্যক্তি আবু সুফিয়ানের ঘরে প্রবেশ করিবে সে নিরাপদ থাকিবে। আবু সুফিয়ান এই … বিস্তারিত পড়ুন

হংপাল– অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-৩য় পর্ব

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। তার এত শত্রু আছে শুনে রিদয় ভাবলে, বাঁচা তো তাহলে শক্ত দেখছি। সে চকাকে বললে – “মরতে ভয় নেই। তবে শেয়াল-কুকুরের কিংবা শকুনের খাবার হতে আমি রাজী নই। এদের হাত থেকে বাঁচবার উপায় কিছু আছে বলতে পার?”চকা একটু ভেবে বললে – “বনের যত ছোট পাখি আর জন্তু এদের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!