কর্মফল–ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

হরেন। দাদা, তুমি অনেকক্ষণ ধরে ও কী লিখছো, কাকে লিখছ বলো-না। সতীশ। যা যা, তোর সে খবরে কাজ কী, তুই খেলা কর্ গে যা। হরেন। দেখি-না কী লিখছ— আমি আজকাল পড়তে পারি। সতীশ। হরেন, তুই আমাকে বিরক্ত করিস নে বলছি— যা তুই। হরেন। ভয়ে আকার ভা, ল, ভাল, বয়ে আকার বা, সয়ে আকার সা, ভালোবাসা। … বিস্তারিত পড়ুন

সুখ চাঁদের চায়ের দোকান — ইমরান আল আতিক

(সম্পুর্ন কাল্পনিক বাস্তবে গল্পের সাথে কনোরুপ মিল নেই… কারো সাথে মিলে গেলে দায়ি নই) আজ যে ঘটনা টা লিখলাম এই কাহিনী টা ঘটেছে এই তো গত কুরবানি ঈদের পরেই। আমাদের ইয়াং পোলাপানদের আড্ডা খানা চাটমোহর অগ্রণী বাংক এর পিছনে একটু ফাকা জায়গাজমি,পাশেই একটা পুকুর আর তার আসে পাসে সব হিন্দুদের বসবাস। আর এই ফাকা যায়গা … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ফাতিমার (রাঃ) জীবনের গল্প-দানশীলতা

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) একদিন মসজিদে নববীতে বসে আছেন। এমন সময় এক বৃদ্ধ মুসাফির নবীজীর সামনে এসে দাঁড়াল। সে করজোড়ে ফরিয়াদ জানাল, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি খুব ক্ষুধার্ত, আমাকে খাবার দিন; আমার পরনের জামাটাও ছিড়ে গেছে, একটা জামা দিন; আমি একজন মুসাফির, আমার কোন বাহন নাই-আমাকে একটা বাহনের ব্যবস্থা করুন।” মহানবী খুব মনোযোগ দিয়ে লোকটির … বিস্তারিত পড়ুন

জুলেখার প্রেম-পর্ব ৩

জুলেখার প্রেম-পর্ব ২ -পড়তে এখানে ক্লিক করুন জুলেখা এ ধরনের ফন্দিও চালিয়ে যেতে লাগলেন। হযরত ইউসুফ (আঃ) এর নিকট পরিবেশটি অত্যন্ত অসহ্যকর হয়ে উঠল। তিনি সর্বদা জুলেখার কবল থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করতেন। জুলেখার বয়স তখন হযরত ইউসুফ (আঃ) এর সমান বা কিছু বেশি। কিন্তু রূপে তিনি ছিলেন সমগ্র মিশরের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী। আজিজ … বিস্তারিত পড়ুন

কোরাইশদের পক্ষ হইতে যেসকল কষ্ট সহ্য করিয়াছেন – শেষ পর্ব

কোরাইশদের পক্ষ হইতে যেসকল কষ্ট সহ্য করিয়াছেন – ২য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন পরদিন আবার তাহারা কা’বার হাতীমে সমবেত হইল। আমিও তাহাদের সঙ্গে ছিলাম। তাহারা পরস্পর বলাবলি করিতে লাগিল যে, তোমাদের ও তাঁহার মধ্যকার পারস্পরিক বিবাদ সম্পর্কে তোমরা আলোচনা করিলে। তারপর তিনি যখন প্রকাশ্যে তোমাদিগকে অপছন্দনীয় কথা শুনাইয়া দিলেন তোমরা তাঁহাকে ছাড়িয়া দিলে। তাহাদের … বিস্তারিত পড়ুন

চালিয়াৎ– সুকুমার রায়

শ্যামচাঁদের বাবা কোন একটা সাহেব-অফিসে মস্ত কাজ করিতেন, তাই শ্যামচাঁদের পোষাক পরিচ্ছদে, রকম-সকমে কায়দার অন্ত ছিল না। সে যখন দেড় বিঘৎ চওড়া কলার আঁটিয়া, রঙিন ছাতা মাথায় দিয়া, নতুন জুতার মচ্‌মচ্‌ শব্দে গম্ভীর চালে ঘাড় উঁচাইয়া স্কুলে আসিত, তাহার সঙ্গে পাগড়িবাঁধা তক্‌মা-আঁটা চাপরাশি এক রাজ্যের বই ও টিফিনের বাক্স বহিয়া আনিত, তখন তাহাকে দেখাইত ঠিক … বিস্তারিত পড়ুন

চণ্ডী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দিদি, তুমি বোধ হয় ও পাড়ার চণ্ডীবাবুকে জান? জানি নে! তিনি যে ডাকসাইটে নিন্দুক। বিধাতার কারখানায় খাঁটি জিনিস তৈরি হয় না, মিশল থাকেই। দৈবাৎ এক-একজন উতরে যায়। চণ্ডী তারই সেরা নমুনা। ওর নিন্দুকতায় ভেজাল নেই। জান তো, আমি আর্টিস্ট-মানুষ। সেইজন্যে এরকম খাঁটি জিনিস আমার দরবারে জুটিয়ে আনি। একেবারে লোকটা জীনিয়স বললেই হয়। একটা এড়িয়ে গেলে … বিস্তারিত পড়ুন

বাস্তবতার অন্তরালে—নাহিদা আফরোজ

  দরজায় ‘ঠক ঠক’ শব্দ শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায় সাইফের। ‘‘উহ্! ছুটির দিনেও যে একটু ভালো করে ঘুমাবো তার কোন উপায় নেই। সপ্তাহের ৬টা দিনেই পড়াশুনা নিয়ে এত ব্যস্ত থাকতে হয় যে- ভালো করে একটু বিশ্রাম নেয়ারও সুযোগ হয়ে উঠে না। সকালের ঘুম না ভাঙতেই মনে পড়ে কোচিং, প্রাইভেট, কলেজের কথা, তারপর কি আর থেমে … বিস্তারিত পড়ুন

পাগল -মুহাম্মদ ইব্রাহিম বাহারী

বাংলাদেশের অধিকাংশ হাট-বাজারের বিভিন্ন প্রকৃতির পাগলের সংখ্যা যে দিন দিন বৃদ্ধি পাইতেছে, তাহা পাগলদরদিরা ছাড়াও অদরদিদের চোখও যেনো এড়াইয়া যাইতেছে না। বাজারের নোংরা গলিতে দোকানের বারান্দায় কাঠের টপ, দোকানের তলায়, রাস্তার ধারে বিভিন্ন ভঙ্গিমায় উহাদের দেখা যায়। উহাদের মধ্যে কেহ আকাশের দিকে চাহিয়া কি যেন মন্ত্র পাঠে বিব্রত। কেউ বিড় বিড় করিয়া নিবিড় মনে তাহার … বিস্তারিত পড়ুন

আলো ও ছায়া— শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়–অষ্টম পরিচ্ছেদ

  ছয় দিন পরে ভাল করিয়া জ্ঞান হইলে, সুরমা জিজ্ঞাসা করিল, দাদা কেমন আছেন? দাসী কহিল, ভাল আছেন। আমি দেখে আসব। কিন্তু উঠিতে গিয়া আবার শুইয়া পড়িল। দাসী কহিল, তুমি বড় দুর্বল, তাতে জ্বর হয়েছে, উঠো না, ডাক্তার বারণ করেছে। সুরমা আশা করিল যজ্ঞদাদা দেখিতে আসিবে, বৌ দেখিতে আসিবে। একদিন দুইদিন করিয়া ক্রমে এক সপ্তাহ … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!