কুলতলির ময়নামাসি

কুলতলির ময়নামাসি সেদিন উড়ে এল পলাশপুরে। পলাশপুরে গিয়ে পৌঁছোল শালিকদিদির কাছে। -কী ব্যাপার ময়নামাসি হঠাৎ এলে যে হেথা?- শালিকদিদি বলল। -কাজে এসেছি বোন, ভীষণ জরুরি কাজ। ছেলেটাতো বড়ো হয়েছে, ইয়ে পাশ করেছে একটা, বে থা তো দিতে হবে। – ও এ তো খুবই ভালো খবর। তা মেয়ে ঠিক করে দিতে হবে, এই তো?- শালিকদিদি বলল। … বিস্তারিত পড়ুন

অগ্নী পরীক্ষায় বিজয়ী বীর ইবরাহীম (আঃ)

জন্ম ও কৈশোর হাজার হাজার বছর আগের কথা। আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা। নমরূদীয় ইরাকের ঊর নগরীতে জন্ম হয় এক শিশুর। একদিন সেই শিশুটিই হন কালের সাক্ষী এক মহাপুরুষ। ওর বাবা আজর ছিলেন বড় একজন ধর্মীয় পুরোহিত। তিনি নিজের হাতে মূর্তি তৈরি করতেন। আর ঐ মূর্তিগুলোকেই সারা দেশের মানুষ দেবতা বলে মানতো। … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আলী (রাঃ) চক্ষুপীড়া আরোগ্য

একবার হযরত আলী (রাঃ) এর চোখে পীড়া দেখা দিলে রাসূল (সাঃ) তার চোখে স্বীয় মুখের পবিত্র লালা লাগিয়া দিলে তিনি আরোগ্য লাভ করেন। ঘটনার বিবরণে প্রকাশঃ খায়বার যুদ্ধের সময় রাসূল (সাঃ) অসুস্থ ছিলেন, ফলে তিনি ঐ যুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি। সুতরাং হযরত আবু ছিদ্দিকের হাতে পতাকা দিয়ে তাকে ময়দানে প্রেরণ করলেন। তিনি প্রাণপনে লড়ার পর … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আমর যুজাজী (রঃ)

হযরত আবু আমর যুজাজী (রঃ) একজন প্রথম সারির সাধক। অধ্যাত্ম জ্ঞান সাধনায় তিনি ছিলেন উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। অলৌকিক ক্ষমতারও অধিকারী ছিলেন। দরবেশগণ তাঁকে বড় ভালোবাসতেন। তিনি হযরত ওসমান (রঃ)-এর শিষ্য। মার্ভ শহরে আগত আবু ওসমান (রঃ)-এর শিষ্যদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বশেষ ব্যক্তি। হযরত জুনায়েদ (রঃ)-এর সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাৎ হয়। শেষ জীবনে তিনি মক্কা শরীফে চলে … বিস্তারিত পড়ুন

এক চোখ-নষ্ট হরিণ-এর গল্প

এক হরিণ-এর একটা চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দেখতে না পাওয়া বিপদ-এর হাত থেকে বাঁচতে সে সমুদ্রের ধারের মাঠে ঘাস খেয়ে বেড়াত। তার ভাল চোখটা সে ফিরিয়ে রাখত ডাঙ্গার দিকে যাতে কোন শিকারী বা শিকার ধরা কুকুর এলে দূর থেকেই তাকে দেখতে পেয়ে যায়। সমুদ্রের দিক থেকে সে কোন বিপদের ভয় করত না। তাই তার নষ্ট … বিস্তারিত পড়ুন

গল্প– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ছেলেটির যেমনি কথা ফুটল অমনি সে বললে, “গল্প বলো।” দিদিমা বলতে শুরু করলেন, “এক রাজপুত্তুর, কোটালের পুত্তুর, সদাগরের পুত্তুর—” গুরুমশায় হেঁকে বললেন, “তিন-চারে বারো।” কিন্তু তখন তার চেয়ে বড়ো হাঁক দিয়েছে রাক্ষসটা “হাঁউ মাউ খাঁউ” —নামতার হুংকার ছেলেটার কানে পৌঁছয় না। যারা হিতৈষী তারা ছেলেকে ঘরে বন্ধ করে গম্ভীর স্বরে বললে, “তিন-চারে বারো এটা হল … বিস্তারিত পড়ুন

মস্ত বড়ো এক ঐতিহাসিক

আমাদের প্রিয় নবী (সঃ)-এর ইনতিকালের পর ইসলাম ধর্ম বহু দূর ছড়িয়ে পড়ে। সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার সব রকম ব্যবস্থা ইসলাম ধর্মে পাওয়া যায়। অন্য কোন ধর্ম এমন বাস্তব আর পরিপূর্ণ নয়। ইসলাম একটি সঠিক ধর্ম। সবচেয়ে বড়ো ও সত্য ধর্ম। আমরা যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করি, ইসলাম ধর্মের নিয়ম কানুন পালন করি, তাদেরকে বলা হয় মুসলমান। মুসলমানরা … বিস্তারিত পড়ুন

অরক্ষণীয়া– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় –তৃতীয় পরিচ্ছেদ

ছোটভাই অনাথনাথকে বাধ্য হইয়া প্রাঙ্গণের প্রাচীরে একটা দ্বার ফুটাইতে হইল। অগ্রজের শ্রাদ্ধ-শান্তি হইয়া গেলে পনর-ষোল দিন পরে একদিন তিনি অফিসে যাইবার মুখে চৌকাঠের উপর দাঁড়াইয়া পান চিবাইতে চিবাইতে বলিলেন, আর না বললে ত নয় বোঠান, বুঝতে ত সবই পার—খেতে তোমাকে একবেলা একমুঠো দিতে আমি কাতর নই—তা দাদা আমার সঙ্গে যতই কেন না কুব্যবহার করে যান। … বিস্তারিত পড়ুন

রাজর্ষি –পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গল্পের ষোড়শ পরিচ্ছেদ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চতুর্দশী তিথি। মেঘও করিয়াছে, চাঁদও উঠিয়াছে। আকাশের কোথাও আলো কোথাও অন্ধকার। কখনো চাঁদ বাহির হইতেছে, কখনো চাঁদ লুকাইতেছে। গোমতীতীরের অরণ্যগুলি চাঁদের দিকে চাহিয়া তাহাদের গভীর অন্ধকাররাশির মর্মভেদ করিয়া মাঝে মাঝে নিশ্বাস ফেলিতেছে। আজ রাত্রে পথে লোক বাহির হওয়া নিষেধ। রাত্রে পথে লোক কেই-বা বাহির হয়। কিন্তু নিষেধ আছে … বিস্তারিত পড়ুন

ঠানদিদির বিক্রম

আমাদের এক ঠানদিদি ছিলেন। অবশ্য ঠাকুরদাদাও ছিলেন, নইলে ঠানদিদি এলেন কোত্থেকে? তবে ঠাকুরদাদাকে পাড়ার ছেলেরা ভালরকম জানত না। ঠাকুরদাদার নাম রামকানাই রায়; লোকে তাঁকে কানাই রায় বলে ডাকত, কেউ কেউ রায়মশায়ও বলত। ঠাকুরদাদাকে যে ছেলেরা জানত না, তার একটু নমুনা দিচ্ছি। ঠানদিদির বাড়িতে এক-ঝাড় তল্‌তা বাঁশ ছিল, ঐ বাঁশে ভাল মাছ ধরবার ছিপ হত। একবার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!