অলস মাছের গল্প

আজকের কাজ কালকের জন্য কখনও ফেলে রাখতে হয় না। তাহলে কী হয়? পিছিয়ে পড়তে হয়। এ জন্যই তো পইপই করে বলি, দিনের কাজ দিনে শেষ করো। দাদু, তুমিও এখন বই নিয়ে বসতে বলছো! অতনু বলতে বলতে আদরের ভঙ্গিতে দাদুর কোলের ওপর উঠে বসে। দাদু অতনুকে কোলে টেনে নেন। তারপর নরম গলায় বলেন, এখন তুমি যদি … বিস্তারিত পড়ুন

বৃষ্টিজলে ধুয়ে যাওয়া অক্ষর

প্রায় দশ বছর পর বাবাকে দেখলাম। শেষবার যখন দেখি, আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম দোতলা বাড়ির বারান্দায় নিশ্চুপ দেয়ালের মতো। দেয়ালের কান আছে এমন কথা মাঝে মাঝে শোনা যায়, আমিও সেদিন সেই শোনা কথার আদর্শ ধরে রাখার জন্য কিছু কথা শুনে ফেলেছিলাম। নিচে দাঁড়িয়ে বাবা বলছিল, নামবি না খোকা? আমি তখন দেয়ালের মতো অনঢ়। বাবা যখন দৃষ্টিসীমার … বিস্তারিত পড়ুন

কৈলাসবাসীর কলকাতা যাত্রা– ইন্দিরা মুখার্জি

(১) মা আসেন প্রতিবছর। মা জানতেও পারেন না দেশের কী অবস্থা, দশের কী হাল। তবুও দেশ ও দশ প্রতি অণুপল শুনতে থাকে মায়ের আগমনের প্রতিধ্বনি। এবার মা আসছেন বদলের বঙ্গে। সেটাই বড়কথা। মায়েরও হাওয়াবদল হবে আশা করা যায়। কিন্তু প্রতিবছরের মত বাজারের দাম বদলায়না। রাস্তাঘাট সারাই হয়না। রাজনীতির অশুভ আঁতাত, খরা-অতিবৃষ্টির টানাপোড়েনে রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি, প্লাসটিক … বিস্তারিত পড়ুন

খুনের আগে খুন –সপ্তম অংশ

খুনের আগে খুন –ষষ্ঠ অংশ অশোকের সঙ্গে আরেকবার দেখা হল দু-দিন বাদে। আমার বাড়িতে এসে একটা গিফ্ট-প্যাক করা বাক্স দিয়ে বলল, ও রাতের ফ্লাইটে চলে যাচ্ছে, ১১ ই অগস্ট অনিতামাসির জন্মদিন, সেদিন যেন এই বাক্সটা ওর হয়ে অনিতামাসির হাতে দিই। “কি আছে বাক্সে? “ “তিনটে স্পেস ব্যাগ।“ “তুমি আর মিস্টার রায় কি প্রতিযোগিতা করছ নাকি … বিস্তারিত পড়ুন

এক রাতে

ঘটনাটা ২ বছর আগের। আমি রাতে ঘুমাই না। সারারাত পিসিতে কাজ করি। যেই রাতের ঘটনা, সে রাতে আমি পিসিতে গেম খেলছিলাম। তখন রাত ২ টার মত বাজে। হটাৎ বাসায় কলিং বেলের আওয়াজ বেজে উঠলো। আমি চিন্তা করলাম, এতো রাতে কে আসবে? আমি চিন্তা করতে করতে রুম থেকে বের হয়ে দেখি আমার আব্বু আগেই দরজা খুলে … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– একাদশ অংশ

গল্পের ১০ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন কোন্‌ কলেজের জন্যে বই লিখছ। তোমার আবার কলেজ কোথায়, তা ছাড়া কখনো তো দেখি নি ঐ-রকমের বই খুলতে। তুমি তো লেখ কেবল ছড়া। স্পষ্ট জবাব না দিয়ে একটুখানি হাসলুম। আচ্ছা দাদামশায়, তুমি কি সংস্কৃত জান। দেখো পুপুদিদি, এরকম প্রশ্নগুলো বড়ো রূঢ়। মুখের সামনে জিগেস করতে নেই। সকালবেলায় পুপেদিদি … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –অষ্টদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ঊনবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । হঠাৎ রামহরি বলে উঠলেন, “আপনার ঘরে নেই-নেই করেও দামি জিনিস বেশ কিছু আছে। ডাকাতরা তেমন কিছু নেয়নি, এটা খুব আশ্চর্যের কথা, এমন নয় তো যে, ওরা একটা বিশেষ কোনও জিনিসেরই খোঁজে এসেছিল?” সুজন রামহরির দিকে চেয়ে বললেন, “কাল আপনি সময়মতো না এলে আমার কপালে আরও কষ্ট ছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

সতী– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় –চতুর্থ পরিচ্ছেদ

মৃত জমিদার গোঁসাইচরণের বিধবা পুত্রবধূর সহিত অন্যান্য পুত্রদের বিষয়-সংক্রান্ত মামলা বাধিয়াছিল। হরিশ ছিল বিধবার উকিল। জমিদারের আমলা কে যে কোন্‌ পক্ষে জানা কঠিন বলিয়া গোপনে পরামর্শের জন্য বিধবা নিজেই ইতিপূর্বে দুই-একবার উকিলের বাড়ি আসিয়াছিলেন। আজ সকালেও তাঁহার গাড়ি আসিয়া হরিশের সদর দরজায় থামিল। হরিশ সসম্ভ্রমে তাঁহাকে নিজের বসিবার ঘরে আনিয়া বসাইলেন। আলোচনা পাছে ও-ঘরে মুহুরির … বিস্তারিত পড়ুন

চন্দ্রনাথ– শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ––প্রথম পরিচ্ছেদ

চন্দ্রনাথের পিতৃ-শ্রাদ্ধের ঠিক পূর্বের দিন কি একটা কথা লইয়া তাহার খুড়া মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের সহিত তাহার মনান্তর হইয়া গেল। তাহার ফল এই হইল যে, পরদিন মণিশঙ্কর উপস্থিত থাকিয়া তাঁহার অগ্রজের পারলৌকিক সমস্ত কাজের তত্ত্বাবধান করিলেন, কিন্তু একবিন্দু আহার্য স্পর্শ করিলেন না, কিংবা নিজের বাটীর কাহাকেও স্পর্শ করিতে দিলেন না। ব্রাহ্মণ-ভোজনান্তে চন্দ্রনাথ করজোড়ে কহিল, কাকা, দোষ করি, … বিস্তারিত পড়ুন

গোরা–-৬৯ তম অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোরা

গল্পের সত্তরতম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গোরা আজকাল সকালেই বাড়ি হইতে বাহির হইয়া যায়, বিনয় তাহা জানিত, এইজন্য অন্ধকার থাকিতেই সোমবার দিন প্রত্যুষে সে তাহার বাড়িতে গিয়া উপস্থিত হইল; একেবারে উপরে উঠিয়া তাহার শয়নগৃহে গেল। সেখানে গোরাকে দেখিতে না পাইয়া চাকরের কাছে সন্ধান লইয়া জানিল, সে ঠাকুরঘরে আছে। ইহাতে সে মনে মনে কিছু আশ্চর্য … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!