মেঘ ও রৌদ্র-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সপ্তম পরিচ্ছেদ

গ্রামে গিরিবালার বিবাহে যেদিন সানাই বাজিতেছিল সেদিন অনিমন্ত্রিত শশিভূষণ নৌকা করিয়া কলিকাতা অভিমুখে চলিতেছিলেন। মকদ্দমা উঠাইয়া লওয়া অবধি হরকুমার শশীকে বিষচক্ষে দেখিতেন। কারণ, তিনি মনে মনে স্থির করিয়াছিলেন, শশী তাঁহাকে নিশ্চয় ঘৃণা করিতেছে। শশীর মুখে চোখে ব্যবহারে তিনি তাহার সহস্র কাল্পনিক নিদর্শন দেখিতে লাগিলেন। গ্রামের সকল লোকই তাঁহার অপমানবৃত্তান্ত ক্রমশ বিস্মৃত হইতেছে, কেবল শশিভূষণ একাকী … বিস্তারিত পড়ুন

ফেল–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ল্যাজা এবং মুড়া, রাহু এবং কেতু, পরস্পরের সঙ্গে আড়াআড়ি করিলে যেমন দেখিতে হইত এও ঠিক সেইরকম। প্রাচীন হালদার-বংশ দুই খণ্ডে পৃথক হইয়া প্রকাণ্ড বসত-বাড়ির মাঝখানে এক ভিত্তি তুলিয়া পরস্পর পিঠাপিঠি করিয়া বসিয়া আছে; কেহ কাহারো মুখদর্শন করে না। নবগোপালের ছেলে নলিন এবং ননীগোপালের ছেলে নন্দ একবংশজাত, একবয়সি, এক ইস্কুলে যায় এবং পারিবারিক বিদ্বেষ ও রেষারেষিতেও … বিস্তারিত পড়ুন

কাবুসের চরম অধঃপতন- পর্ব ১

হামান নামক একটি যুবক এ লম্পটদের সরদার ছিল। সে তার এ দলটির মনে সর্বপ্রকার সাহস এবং উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছিল। সে বলল, তোমরা কেউই নিরাশ হইয়োনা। একটু অপেক্ষা কর, দেখবে কাবুস আবার আমাদের দলে ভেড়ে গিয়েছে। এখন তোমরা কেবল একটুখানি ধৈর্য ধরে আমার পরামর্শ মত কাজ চালিয়ে যাও। দেখবে অচিরেই আমাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। হামানের চেলাগণ … বিস্তারিত পড়ুন

শূন্য– রাগিব নিযাম জিসান

‘-“ব্রেকিং নিউজ” একদল অজ্ঞাত পরিচয়ধারী রাজধানীর বিশেষ কয়টি স্থানে মানুষ জিম্মি করে বোমা স্থাপন করেছে। এখনো জানা যায় নি তারা কি উদ্দেশ্যে জিম্মি করেছে এদের। ঘটনাটি শুরু হয় যখন ডিটেকটিভ শামীমও এজেন্টস অব ডি তে জয়েন করেন নি। কাওরান বাজারে বিস্ফোরিত বোমার আঘাতে একটি ফ্লোর অর্ধেক বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। তবে এবার মানুষ ধরে ধরে জিম্মি … বিস্তারিত পড়ুন

হজ্বের বরকতে

বর্ণিত আছে যে, একদল ব্যবসায়ী সমুদ্র পথে হজ্জের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করছিল। দুর্ভাগ্য ক্রমে একদিন তাদের নৌযানটি সমুদ্রে ডুবে যায়। ঐ জাহাজের এক ব্যবসায়ীর পঞ্চাশ হাজার রিয়ালের মালামাল ছিল। কিন্তু জাহাজ ডোবার পর পরই সে ভিন্ন পথে ভ্রমন করতে আরম্ভ করল। সহ যাত্রীরা তাকে বলল, এখানে কিছু দিন অপেক্ষা করে অনুসন্ধান করলে হয়তো কিছু মালামাল উদ্ধার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃস্বপ্নের ভূত

ইদানীং এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে রকি। দিন-দুপুরে,রাত, মোটকথা চোখে ঘুম এলেই স্বপ্নটা ওকে তাড়া করে বেড়ায়। যে কারণে রাতে ঠিক মতন ঘুমতে পারছে না ও। ফলে দিন দিন কাহিল হয়ে যাচ্ছে রকি। ভেঙে আসছে শরীর। সবাই শুনে হাসবে ভেবে কাউকে খুলেও বলতে পারছে না ও সমস্যাটার কথা। একদিন বিকেলে পরিচিত এক ডাক্তারের চেম্বারে … বিস্তারিত পড়ুন

ধূলা—-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ধূলার মত সামান্য পদার্থ আর সংসারে নাই। কিন্তু আচার্য্য টিণ্ডল ধূলা সম্বন্ধে একটি দীর্ঘ প্রস্তাব লিখিয়াছেন। আচার্য্যের ঐ প্রবন্ধটি দীর্ঘ এবং দুরূহ, তাহা সংক্ষেপে এবং সহজে বুঝান অতি কঠিন কর্ম্ম। আমরা কেবল টিণ্ডল সাহেবকৃত সিদ্ধান্তগুলিই এ প্রবন্ধে সন্নিবেশিত করিব, যিনি তাঁহার প্রমাণ জিজ্ঞাসু হইবেন, তাঁহাকে আচার্য্যর প্রবন্ধ পাঠ করিতে হইবে। ১। ধূলা, এই পৃথিবীতলে এক … বিস্তারিত পড়ুন

বউ-ঠাকুরানীর হাট–চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ– – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

যখন রামমোহন চন্দ্রদ্বীপে ফিরিয়া গিয়া একাকী জোড়হস্তে অপরাধীর মতো রাজার সম্মুখে গিয়া দাঁড়াইল তখন রামচন্দ্র রায়ের সর্বাঙ্গ জ্বলিয়া উঠিল। তিনি স্থির করিয়াছিলেন বিভা আসিলে পর তাহাকে প্রতাপাদিত্য ও তাহার বংশ সম্বন্ধে খুব দু-চারটি খরধার কথা শুনাইয়া তাঁহার শ্বশুরের উপর শোধ তুলিবেন। কী কী কথা বলিবেন, কেমন করিয়া বলিবেন, কখন বলিবেন, সমস্ত তিনি মনে মনে স্থির … বিস্তারিত পড়ুন

শ্মশানঘাট

রহস্য গল্প

যারা ভূতে বিশ্বাস করেন না, বা করতে চান না তাদেরকে আজকে একটা সত্য ঘটনা শুনাব- আমি সবসময় ঢাকা থেকে রাত্রে বাড়িতে যায়। কারণ ছুটি পাই কম আবার চিন্তা করি রাত্রে চলে গেলে পরদিন সকালটা বাসা থেকেই শুরু করা যাবে। ছাত্র অবস্থায় ক্লাস শেষ করেই রওনা হয়ে যেতাম। এখনও অফিস শেষ করেই সোজা মহাখালী – তারপর … বিস্তারিত পড়ুন

আঁধারে আলো – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – পঞ্চম পর্ব

সকালবেলা স্নান করিয়া সত্য ধীরে ধীরে বাসায় ফিরিয়াছিল। তাহার দৃষ্টি ক্লান্ত, সজল। চোখের পাতা তখনও আর্দ্র। আজ চারদিন গত হইয়াছে, সেই অপরিচিতা প্রিয়তমাকে সে দেখিতে পায় নাই আর তিনি গঙ্গাস্নানে আসেন না। আকাশ-পাতাল কত কি যে এই কয়দিন সে ভাবিয়াছে, তাহার সীমা নাই। মাঝে মাঝে এ দুশ্চিন্তাও মনে উঠিয়াছে, হয়ত তিনি বাঁচিয়াই নাই, হয়ত বা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!