শহীদগণ জীবিত আছেন

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারীম (সা.) বলেছেন, উহুদের যুদ্ধে যখন তোমাদের সাথী ভাইয়েরা শাহাদাতবরণ করেছেন, তখন তাঁদের আত্মাসমূহকে সবুজ বর্ণের পাখির পেটের মধ্যে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তারপর সে আত্মাসমূহ জান্নাতের নদীনালার উপর দিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং বিভিন্ন প্রকার ফলমূল আহরণ করে পুনরায় আরশে ঝুলন্ত স্বর্ণের প্রদীপে অবস্থান করে সুতরাং তারা জান্নাতের অফুরন্ত … বিস্তারিত পড়ুন

শহীদের শেষ চিঠি

গাজী আনোয়ার পাশা তুর্কি উচু স্তরের বীর মুজাহিদ। সারাটি জীবন তিনি ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদে কাটিয়েছেন। অবশেষে বলশোভিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায় শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছেন। তার প্রিয় স্ত্রী ছিলেন শাহজাদী নাজীয়া সুলতানা। শাহাদাতের মাত্র এক দিন পূর্বে তিনি প্রাণপ্রিয় স্ত্রীর নিকট ঐতিহাসিক চিঠি লিখেন। শাহাজাদী তুর্কি সংবাদপত্রে সে চিঠিটা প্রকাশ ও প্রচার করেন। সেখান … বিস্তারিত পড়ুন

শহীদের দাড়ি লম্বা হয়েছে

আফগানিস্থানের ওমর হানিফ বর্ণনা করেন, সাইয়্যেদ শাহ নামক একজন হাফেজে কুরআন মুজাহিদ আমাদের সাথে ছিলেন। তিনি ইবাদাত-বন্দেগীতে অত্যন্ত পারদর্শী এবং তাহাজ্জুদ্দগুজার ছিলেন। তিনি সত্য স্বপ্ন দেখতেন এবং তাঁর অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা ছিল। তিনি এক যুদ্ধে শাহাদাতবরণ করলেন। আমি এবং কামান্ডার নুরুল হকসহ আড়াই বছর পর তার কবরের নিকটে গেলাম এবং তাঁর কবর খুলে দেখলাম, আড়াই … বিস্তারিত পড়ুন

উহুদ যুদ্ধে শহীদের দেহ বহু বছর পরও নিখুঁত পাওয়া গেছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক কিভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত আমর ইবনে জামুহ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-এর কবর পানির স্রোতে ভেঙ্গে গেল । তাঁরা উভয়েই আনসারী সাহাবী ছিলেন এবং উহুদের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন । তাঁদের উভয়কে এক কবরে দাফন করা হয়েছিল । যখন পানিতে কবর ভেঙ্গে গেল, তখন অন্য স্থানে দাফন করার জন্য তাঁদের কবর খোদাই … বিস্তারিত পড়ুন

শাহাদাতের পর প্রকৃতির অলৌকিক অবস্থা

মুজাহিদ নকিবুল্লাহ লওনরী বর্ণনা করেন, ১৯৮৪ সনের ৯ই জিলহজ্জ আরাফার দিন আমরা শত্রুর ওপর আক্রমন করে বিজয়ী হয়েছি এবং শতাধিক গাড়ি, ট্যাংক ইত্যাদি অসংখ্য গনীমত লাভ করেছি । আমাদের মধ্যে হতে শুধু একজন মুহাম্মদ নাঈম শহীদ হয়েছেন । ঈদুল আযহার রাতে যখন আমি তার লাশকে পাহারা দিচ্ছিলাম। তখন আশ-পাশের সমস্ত গাছ-পালা, বৃক্ষ-লতা, পানি এবং সব … বিস্তারিত পড়ুন

শহীদের মুচকি হাসি

এ ঘটনাটি আফগানিস্থানে ঘটেছে- যেখানে হাজার হাজার মোসলমান রুশ বাহিনী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে শাহাদাত লাভ করেছেন। নাসরুল্লাহ মনসুর একজন মুজাহিদ। তিনি বললেন, আরছালান বলেছেন, আফগানিস্থানে আব্দুল জলীল নামে মাদ্রাসা পড়ুয়া একজন ছাত্র ছিল। সে অত্যন্ত নেককার-খোদাভীরু ছিল। ঘটনাক্রমে রুশ বাহিনী কর্তৃক নিক্ষেপিত বিমানের একটি গোলা তার শরীরে এসে লাগে। তখন সে মহান রবের ডাকে … বিস্তারিত পড়ুন

শহিদগণ কবরেও জীবিত

যারা দ্বীনের জন্য তথা আল্লাহ্ তা’য়ালার কলেমাকে দুনিয়াতে উঁচু করতে যেয়ে আল্লাহ্ তা’য়ালার রাস্তায় শহীদ হন, জীবন দান করেন তারা মরেও অমর। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ও আমর বিন জামূহ (রাঃ)-এর মধ্যে প্রীতি ও ভালবাসা ছিল। এই জন্য উভয়কে ওহুদের ময়দানে এক কবরে দাফন করা হয়। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) মুখমণ্ডলে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাই … বিস্তারিত পড়ুন

ইমাম সাহেবের অক্ষত লাশ

মুহাদ্দিস ও বুজুর্গ ব্যক্তিত্ব মরহুম মাওলানা শওকত আলী (র.)। গত মঙ্গলবারে রাতে বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢলে সংখ নদীর উক্ত এলাকার ভাঙ্গন দেখা দিলে কবর ভেঙ্গে মাওলানার লাশটি বেরিয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তায়ালার ওলীদের মৃত্যু হয় না। তাঁরা লোক চক্ষুর অন্তরাল থেকে আড়াল হন মাত্র। বাশঁখালীর পুকুরিয়া গ্রামের মরহুম মাওলানা শওকত আলী (র.)-এর মৃত্যুর ১০ বছর … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত শামুয়েল (আঃ) এর আশ্চার্য সিন্দুক-২য় পর্ব

কিন্তু সিন্ধুকের মর্যদা তারা দিতে পারেনি বলে তাদের দেশে কলেরা রোগে ভীষণ প্রাদুর্ভাব ঘটে। এমেলেকে সম্প্রদায়ের লোকেরা কলেরা রোগ দিন্দুকের অমর্যাদার প্রতিকার মনে করে তারা সিন্দুক টি অন্য শহরে প্রেরণ করে। সিন্দুকটি নতুন শহরে প্রেরণ করার সাথে সাথে সেখানেও মহামারি কলেরা দেখা দেয়। তখন তারা সিন্দুক আরেক শহরে পাঠিয়ে দেয়। সেখানেও  রোগের সম্প্রসারণ ঘটতে থাকে। … বিস্তারিত পড়ুন

প্রফেসরের অসুস্থ আত্মীয় বললেন, আমি ঈদের দিন মারা যাবো

আমার পরিচিত একজন প্রফেসরের আত্মীয় দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। ঈদুল ফিতরের কয়েক দিন আগে তিনি বললেন, আমি আগামী ঈদের দিনে মারা যাবো। আত্মীয়-স্বজনকে বললেন, বেশি লোক জমায়েত করার দরকার নেই। আমাকে তাড়াতাড়ি দাফন করে দিবে। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে প্রতিবেশীদের হাতে টাকা দিয়ে বলেছিল, যারা আমাকে দেখতে আসবে এই টাকায় তাদের মেহমানদারী করাবেন। ঈদের দিন আত্মীয়-স্বজন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!