নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ৩

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ২ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমাকে এই কাজের জন্য পাঠানো হয় নাই। আমি তোমাদের নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি যাহা আল্লাহতায়ালা আমাকে দিয়া পাঠাইয়াছেন। তিনি আমাকে যাহা দিয়া পাঠাইয়াছেন আমি তাহা তোমাদের নিকট পৌছাইয়া দিয়াছি। যদি তোমরা উহা গ্রহণ কর … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ২

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তোমরা যাহা বলিতেছ, উহার কোনটাই আমাদের মধ্যে নাই। আমি তোমাদের নিকট যে দাওয়াত লইয়া আসিয়াছি উহার দ্বারা উদ্দেশ্য না তোমাদের ধনসম্পদ, না তোমাদের সরদারী আর না তোমাদের উপর বাদশাহী, বরং আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাকে তোমাদের … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ১

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাবীআর দুইপুত্র-ওতবাহ ও শাইবাহ, আবু সুফিয়ান ইবনে হারব, বনু আব্দিদ দারের এক ব্যক্তি, বনুল আসাদের আবুল বাখতারী, আসওয়াদ ইবনে আবদুল মুত্তালিব ইবনে আসাদ, যামআহ ইবনে আসওয়াদ, ওলীদ ইবনে মুগীরাহ, আবু জেহেল ইবনে হেশাম, আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমাইয়াহ, উমাইয়াহ ইবনে খালাফ, আস ইবনে ওয়ায়েল ও হাজ্জাজ সাহমীর দুই … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আসআদ ইবনে যুরারাহ ও হযরত যাকওয়ান ইবনে আব্দে কায়েস (রাঃ) কে দাওয়াত প্রদান

খুবাইর ইবনে আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, হযরত আসআদ ইবনে যুরারাহ (রাঃ) ও হযরত যাকওয়ান ইবনে আব্দে কায়েস (রাঃ) নিজেদের কোন বিষয়ে মীমাংসার উদ্দেশে ওতবা ইবনে রাবীআহ এর নিকট মক্কায় আসিলেন। এখানে আসিয়া তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সংবাদ পাইলেন। তাহারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলে তিনি তাহাদের নিকট ইসলাম পেশ করিলেন এবং … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – শেষ পর্ব

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – পর্ব ২ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ৭. কেউ যদি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী যুগের সমস্ত সাধক ওলামায়ে কেরামের কার্যবলী ও গুণাবলী অর্জন করেও মনে এই ধারণা পোষণ করেন, যে, তিনি এক মহান ওলী হিসেবে গণ্য হয়েছেন, তবে তিনি কোনদিনই আরেফের মর্যাদা লাভ করবেন না। কেননা মারেফাতের প্রকৃত মর্ম হল, স্বচ্ছ হৃদয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – পর্ব ২

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – পর্ব ১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন একবার তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। মনে চিন্তার মেঘ। এমন সময় এক রাতে তিনি স্বপ্ন দেখেন, কে যেন বলছে, আপনি অত চিন্তিত কেন? প্রয়োজন দেখা দিলে ঋণ গ্রহন করবেন। আর তা শোধ করার দায়িত্ব আমার। হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – এর অসংখ্য অমূল্য বাণী উপহার … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – পর্ব ১

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) দীনুর নামক স্থানে বসবাস করতেন। দেশবাসীর কাছে পরম শ্রদ্ধেয় এই তাপস চরিত্রের মাধুর্যে, সাধনায়, তাওয়াক্কুলে এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব। ২৯৯ হিজরী সনে তাঁর মৃত্যু হয়।  তিনি তাঁর সাধনালয়ে নির্জন এবাদতে মগ্ন থাকতেন। এজন্য সাধনালয়ের দরজা সব সময় বন্ধই থাকত। তাঁর ঘরে সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। একমাত্র মুসাফিরকে স্বাগত জানাতেন। মেহমানদের আপ্যায়নে কোন … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আম্মার ও হযরত সোহাইব (রাঃ) কে দাওয়াত প্রদান

আবু ওবায়দাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আম্মার (রাঃ) বলেন, হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসের (রাঃ) বলিয়াছেন, সোহাইব ইবনে সিনান (রাঃ) এর সহিত দারে আরকামের দরজায় আমার সাক্ষাৎ হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন দারে আরকামে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি হযরত সোহাইব (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করিলাম, কি উদ্দেশ্যে আসিয়াছেন? তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, আপনি কি উদ্দেশ্যে আসিয়াছেন? আমি বলিলাম, … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ওসমান ও হযরত তালহা (রাঃ) কে দাওয়াত প্রদান

ইয়াযীদ ইবনে রোমান (রঃ) বলেন, হযরত ওসমান ইবনে আফফান (রাঃ) ও হযরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রাঃ) হযরত যুবায়ের (রাঃ) এর পিছনে পিছনে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলেন। তিনি তাহাদের ঊভয়ের সামনে ইসলাম পেশ করিলেন এবং কোরআন পড়িয়া শুনাইলেন। তাহাদিগকে ইসলামের হক সম্পর্কে অবহিত করিলেন এবং আল্লাহ্‌র পক্ষ হইতে উভয়ের জন্য সম্মানের … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত এমরান (রাঃ ) এর পিতা হযরত হুসাইন (রাঃ ) কে দাওয়াত প্রদান – শেষ পর্ব

হযরত হুসাইন (রাঃ) বলেন, আমি এখন বুঝিতে পারিলাম যে, তাঁহার ন্যায় এমন মহান ব্যক্তির সহিত ইতিপূর্বে আমি কখনও আলাপের সুযোগ পাই নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি বলিলেন, হে হুসাইন, ইসলাম গ্রহন কর, শান্তি পাইবে। তিনি বলিলেন, (যেহেতু) আমার কওম ও খান্দান রহিয়াছে। (তাহাদের পক্ষ হইতে অত্যাচারের ভয় হইতেছে) সেহেতু আমি এখন কি বলিব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!