হযরত আমর ইবনে মুররাহ জুহানী (রাঃ) কর্তৃক নিজ কওম কে দাওয়াত প্রদান – শেষ পর্ব

রাসূল (সাঃ) (কবিতা শুনিয়া) বলিলেন, তোমাকে মারহাবা, হে আমর! হযরত আমর বলেন, আমি বলিলাম, আমার পিতামাতা আপনার উপর কোরআন হউক, আমাকে আমার কওমের নিকট প্রেরণ করুন হয়ত আমার দ্বারা আল্লাহ তায়ালা তাহাদের প্রতি দয়া করিবেন, যেমন আপনার দ্বারা আমার প্রতি দয়া করিয়াছেন। অতএব তিনি আমাকে প্রেরণ করিলেন এবং নসীহত করিলেন যে, নম্র ব্যবহার করিবে, সহজ … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আমর ইবনে মুররাহ জুহানী (রাঃ) কর্তৃক নিজ কওম কে দাওয়াত প্রদান – ১ম পর্ব

হযরত আমর ইবনে মুররাহ জুহানী (রাঃ) বলেন, আমরা জাহিলিয়াতের যুগে নিজ কওমের জামাতের সহিত হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইলাম। মক্কায় অবস্থানকালে স্বপ্নে দেখিলাম যে, কা’বা শরীফ হইতে একটি নূর উপরে উঠিয়া ছড়াইয়া পড়িয়াছে এবং ইয়াসরাব (অর্থাৎ মদীনার) পাহাড় ও জুহাইনার আশআর নামক পাহাড়কে আলোকিত করিয়া দিয়াছে। সেই নূরের ভিতর হইতে আমি এক আওয়াজ শুনিতে পাইলাম যে, … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) এর দাওয়াত প্রদান

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বলেন, আমার মা মুশরিক ছিলেন। আমি তাহাকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিতাম। এক দিন তাহাকে ইসলামের দাওয়াত দিলে তিনি আমাকে রাসূল (সাঃ) সম্পর্কে কিছু অপ্রীতিকর কথা শুনাইয়া দিলেন। আমি কাঁদতে কাঁদতে রাসূল (সাঃ) খেদমতে হাজির হইয়া বলিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি আমার মাকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিতাম, কিন্তু তিনি সবসময়ই অস্বীকার করিতেন। আজ … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ওরওয়া ইবনে মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক সাকীফ গোত্রকে দাওয়াত প্রদান

হযরত ওরওয়া ইবনে যুবাইর (রাঃ) বলেন, নবম হিজরীর মুসলমানগণ হজ্জের প্রস্তুতি আরম্ভ করিলে হযরত ওরওয়া ইবনে মাসউদ (রাঃ) রাসূল (সাঃ)-এর খেদমতে মুসলমান হইয়া উপস্থিত হইলেন। অতঃপর তিনি নিজ কওমের নিকট ফিরিয়া যাইবার অনুমতি চাইলেন। রাসূল (সাঃ) বলিলেন, আমার আশঙ্কা হয় যে, তাহারা তোমাকে কতল করিয়া দিবে। তিনি বলিলেন, (তাহারা তো আমাকে এতখানি সম্মান করে যে,) … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – শেষ পর্ব

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ৩ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমরা এই সংবাদ পাইয়াছি যে, ইয়ামামার রহমান নামক এক ব্যক্তি আপনাকে এই সকল কথা শিক্ষা দিতেছে। খোদার কসম, আমরা রহমানের উপর কোনদিন ঈমান আনিব না। হে মুহাম্মাদ, আমরা আপনাকে সর্বপ্রথম সুযোগ দান করিয়াছি, কিছুই বাকী রাখি নাই। শুনিয়া রাখুন, … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ৩

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ২ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমাকে এই কাজের জন্য পাঠানো হয় নাই। আমি তোমাদের নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি যাহা আল্লাহতায়ালা আমাকে দিয়া পাঠাইয়াছেন। তিনি আমাকে যাহা দিয়া পাঠাইয়াছেন আমি তাহা তোমাদের নিকট পৌছাইয়া দিয়াছি। যদি তোমরা উহা গ্রহণ কর … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ২

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তোমরা যাহা বলিতেছ, উহার কোনটাই আমাদের মধ্যে নাই। আমি তোমাদের নিকট যে দাওয়াত লইয়া আসিয়াছি উহার দ্বারা উদ্দেশ্য না তোমাদের ধনসম্পদ, না তোমাদের সরদারী আর না তোমাদের উপর বাদশাহী, বরং আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাকে তোমাদের … বিস্তারিত পড়ুন

নবী করীম (সাঃ) কর্তৃক দুইয়ের অধিক জামাতকে দাওয়াত প্রদান – পর্ব ১

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাবীআর দুইপুত্র-ওতবাহ ও শাইবাহ, আবু সুফিয়ান ইবনে হারব, বনু আব্দিদ দারের এক ব্যক্তি, বনুল আসাদের আবুল বাখতারী, আসওয়াদ ইবনে আবদুল মুত্তালিব ইবনে আসাদ, যামআহ ইবনে আসওয়াদ, ওলীদ ইবনে মুগীরাহ, আবু জেহেল ইবনে হেশাম, আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমাইয়াহ, উমাইয়াহ ইবনে খালাফ, আস ইবনে ওয়ায়েল ও হাজ্জাজ সাহমীর দুই … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আসআদ ইবনে যুরারাহ ও হযরত যাকওয়ান ইবনে আব্দে কায়েস (রাঃ) কে দাওয়াত প্রদান

খুবাইর ইবনে আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, হযরত আসআদ ইবনে যুরারাহ (রাঃ) ও হযরত যাকওয়ান ইবনে আব্দে কায়েস (রাঃ) নিজেদের কোন বিষয়ে মীমাংসার উদ্দেশে ওতবা ইবনে রাবীআহ এর নিকট মক্কায় আসিলেন। এখানে আসিয়া তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সংবাদ পাইলেন। তাহারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলে তিনি তাহাদের নিকট ইসলাম পেশ করিলেন এবং … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – শেষ পর্ব

হযরত মমশাদ দীনুরী (রঃ) – পর্ব ২ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ৭. কেউ যদি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী যুগের সমস্ত সাধক ওলামায়ে কেরামের কার্যবলী ও গুণাবলী অর্জন করেও মনে এই ধারণা পোষণ করেন, যে, তিনি এক মহান ওলী হিসেবে গণ্য হয়েছেন, তবে তিনি কোনদিনই আরেফের মর্যাদা লাভ করবেন না। কেননা মারেফাতের প্রকৃত মর্ম হল, স্বচ্ছ হৃদয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!