কাৎ করবেন না দাদা রস-গড়িয়ে পড়বে-গোপাল ভাঁড়

‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্যের রচয়িতা কবি ভারতচন্দ্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। আদি-রস পরিবেশনের ব্যাপারে তার সমকক্ষ তখনকার দিনে কেউ ছিলেন না। কৃষ্ণচন্দ্রও সমঝদার শ্রোতা ছিলেন, কবি রাজাকে বিদ্যাসুন্দর পড়ে শুনাচ্ছিলেন। গোপাল রাজসভায় ঢুকে কবিকে কাব্যের পান্ডুলিপিটা কাৎ করে ধরে পড়তে দেখে চেচিয়ে বলে উঠল, ‘একি করছেন কবি? আপনার কাব্য যে রসে টই ‍টুম্বর। কাৎ করবেন না দাদা, … বিস্তারিত পড়ুন

কাদের সাপ-গোপাল ভাঁড়

গোপাল মাঝে মাঝে কারও না কারোর সঙ্গে নিজের বাড়ির দাওয়ায় বসে দাবা খেলতো। গোপালের সঙ্গে দাবা খেলার জন্য প্রায়ই কেউ না কেউ দু’মাইল দুর থেকেও হেটে আসতেন। অন্তত এক বাজি খেলতে। না পারলে অথবা কারও সঙ্গে দাবায় হেরে গেলে গোপাল সে রাতে মোটেই ঘুমুতে পারত না। সারারাত বিছানায় শুয়ে শুয়ে শুধু ছটফট করত। দাবা খেলার … বিস্তারিত পড়ুন

কান টানলেই মাথা আসে-গোপাল ভাঁড়

পন্ডিত মশাই একবার মহারাজের কাছে তার ছেলের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে বললেন, আপনার ছেলে মোটেই লেখাপড়া করছে না। পড়ার সময় এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়ায়। আর ও লেখাপড়ায় মাথা একেবারেই ঘামায় না।’ রাজা ছেলের ওপর প্রচন্ড রেগে গিয়ে পন্ডিত-মশায়কে বললেন, ‘এবার ও যদি পাঠশালায় যায়, বেশ কষে কান টানবেন।’ মহারাজের কথা শুনে গোপাল সঙ্গে সঙ্গে বলল আপনি যথার্থই … বিস্তারিত পড়ুন

কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন

গোপাল এক বাড়িতে প্রতিবেশীর মেয়ের বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করতে গিয়েছিল। বরের বাবা ছেলেকে ডেকে বললেন, ‘ওরে পদ্মলোচন, তোকে দেখতে এসেছে রে, একবার এ ঘরে আয়। সকলে তোকে দেখতে চায় বাবা।’ যে ছেলেটি ঘরে এল, সে ছেলেটি কানা। গোপাল বরের বাবাকে জিজ্ঞেস করলে, ‘এই বর বুঝি?’ বরের বাবা বললেন, ‘এজ্ঞে হ্যা।’ তখন গোপাল বললেন, ‘কানা ছেলের … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের আইন ব্যাখ্যা

লোক পরম্পরায় গোপালের সূক্ষ্ম বিচার বুদ্ধি দেখে এক প্রতিবেশী তার মোকদ্দমা চালাবার জণ্য গোপালকে অনুরোধ করে। কিন্তু গোপাল মোকদ্দমার কাহিনী শুনে বারবার না না করা সত্ত্বেও প্রতিবেশী লোকটি নাছোড় বান্দা হওয়ায় বাধ্য হয়ে গোপাল প্রতিবেশীর মোকদ্দমাটি হাতে নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই মামলার হার হয়। ভদ্রলোক কাঁদতে কাঁদতে বললেন একি করলেন, আমার সব গেল। তখন … বিস্তারিত পড়ুন

অর্ধ ভোজনে অর্ধ দক্ষিণা দান

এক হোটেলে হোটেলওয়ালা ও তার কোন বন্ধুর সঙ্গে কথাবার্ত হচ্ছিল, এমন সময় দেখে যে গোপাল হোটেলের সামনে দাড়িয়ে। ওই বন্ধুটি হোটেলের বন্ধুকে বলল, ‘ওই লোকটাকে জব্দ করতে পারবে? হোটেলওয়ালী বলল এ এমন কি।’ রাস্তায় হোটেলের সামনে দাড়িয়ে গোপাল এক বন্ধুর জন্যে অপেক্ষা করছিল। হোটেলে মাংস রান্না হচ্ছিল। হঠাৎ হোটেলওয়ালা গোপালকে জব্দ করার জন্য ছুটে এসে … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের আজব শিশু ধরা

মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রে সময় যান-বাহনের খুবই অসুবিধা ছিল। স্থল-পথ ছাড়া জল-পথ দিয়েও লোক যাতায়াত করত। জলপথে বজরাই তখনকার দিয়ে যাতায়াতের একমাত্র উপায়। এক মহিলাকে প্রায়ই দেখা যেত বজরায় উঠতে এবং এদিক ওদিক ঘোরা ফেলা করতে একটি কাপড়ে জড়িয়ে শিশু কোলে করে। শিশুটিকে সর্দ্দি কাশির ভয়ে সব সময় কাপড় জামা দিয়ে জড়িয়ে ঢেকে রাখতেন, কেউ দেখলে মনে … বিস্তারিত পড়ুন

আলো জ্বেলে দেখলেই পারো

একদিন জরুরী দরকারের জন্য গোপালের খুব সকালে উঠেই রাজদরবারে যাবার কথা। সে স্ত্রীকে বলেই ঘুমিয়ে পড়লেন। স্ত্রী যেন তাকে ডেকে দেয় ভোর বেলায়। ভোর হয়নি। স্বামীর ঘুম আগেই ভেঙ্গে গেল। সে বলল, দেখ তো, বাইরে সূর্য উঠল কিনা আমাকে বেরুতে হবে তাড়াতাড়ি। রাজবাড়িতে ভীষণ দরকার। স্ত্রী বললেন “ওমা, বাইরে যে অন্ধকার। কি দেখব?” গোপাল চেচিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

এক সাথে বোনা

একটা লোক কলকাতায় নতুন এসে কচুরি খেয়েছে। বড় আশ্চর্য্ লেগেছে তার, কচুরির ভিতর ডালের পুর দেখে। বাড়ী গিয়ে তার এক বন্ধুকে বললে ‘দ্যাহো বাই! কলকাতার এক দোকানে যে কচুরি খেতাম, ওরার মধ্যি-কেলাই আর ডাল।’ বন্ধু উত্তর দিলে তাও নি-সমজাবার পায়লা হেলা? গম আর কেলাই একসাথে বুনেছালো যে। তাই জন্য কেলাইয়ের মধ্যে ডাল ছিল।

উল্টো হল বাবু

গোপাল একটা নতুন ঘোড়া কিনেছে। গোপাল তাই নিজে সখ করে তার সাজ পরাতে গিয়েছে। নিজের পছন্দমত কোনমতে সাজ এটে দেওয়ার পর, একটা চাকর বলে উঠলো ‘বাবু, সাজ উলটো হলো যে।’ গোপালের নিজের মনেও সন্দেহ হচ্ছিলো যে, তার হয়তো সাজ পরানো ঠিক হয়নি। কিন্তু তাই বলে চাকরে ভূল ধরবে? এ হতেই পারে না। তিনি চটে বললেন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!