আগে ফাউ-গোপাল ভাঁড়

গোপাল একবার হাটে আলু কিনতে গিয়েছিল। পথেই দেখা হল এক বন্ধুর সঙ্গে। রসিক বন্ধুটি গোপালের আলু-খরিদ করার কথা শুনে বলল, তুমি যদি আলু বিনি পয়নায় খরিদ করতে পার দশ টাকা পুরস্কার পাবে। গোপালকে বন্ধুটি রসিকতা করার লোভে একটু উসকে দিল। মনে করেছিল গোপাল পারবে না। গোপাল বন্ধুকে বললে, ‘ও এই কথা? তুমি আমার সঙ্গে হাটে … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের কৃষ্ণ প্রাপ্তি

মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে গোপাল মাঝে মাঝে নানান অভাব-অনটনের কথা বলে বা মহারাজকে সন্তুষ্ট করে প্রচুর টাকা বখশিস পেত। মহারাজকে অনেক বিপদ আপদ থেকে বুদ্ধির জোরে বাচাত গোপাল। মহারাজ সেজন্য দু-হাত ভরে পুরস্কার দিতেন। কিন্তু নতুন বড় বাড়ি করার সময় গোপালের অর্থের টান পড়ল। মাত্র ‍কিছুদিন আগেই গোপাল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে কথায় মুগ্ধ করে বেশ ‍কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

গরু হারালে এমনিই হয়, মা

গোপালের একবার একটি গরু হারিয়ে গিয়েছিল।চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুরে বনবাদাড়ে খুঁজে খুঁজে সে বিকেলে নিজের বাড়ির দাওয়ায় ধপাস করে বসে ছেলেকে ডেকে বলল,“ও ভাই, জলদি এক ঘটি জল আনো, তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে।” গোপাল হাহুতাশ করে বলতে লাগল,“ভাইরে, আর বুঝি বাঁচি না!” ঘরে গোপালের কোনো ভাই ছিল না; একমাত্র ছেলে আর বৌ নিয়ে তার সংসার।গোপালের স্ত্রী … বিস্তারিত পড়ুন

গরীবের ঘোড়া রোগ

মহিমাচরণ নামে এক গরীব প্রতিবেশী একদিন গোপালের কাছে এসে বললেন, ‘বুঝরে ভায়া, একটা মাত্র ছেলে, ছেলেটার ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমি শিউরে উঠি মাঝে মাঝে। ছেলেটা দেখছি আমায় শান্তিতে মরতেও দেবে না। মরে গেলে যে কি করবে কুল কিনারা পাই না। কোনও বুদ্ধি দিতে পারেন এ ব্যাপারে?’ ‘কেন, কি হয়েছে তার?’ ‘গরীবের ঘোড়া রোগ হলে যা … বিস্তারিত পড়ুন

উটকো লোক-গোপাল ভাঁড়

গোপাল একবার এক বড় মেলায় বেড়াতে গিয়েছিল। মেলায় গোপাল মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এমন সময় একটা উটকো লোক এসে গোপালকে জড়িয়ে ধরলো, ‘আচ্ছা দাদা, কাশিতে মরলে লোক স্বর্গে যায় আর ব্যাস-কাশীতে মরলে নাকি গাঢ়া হয়। কিন্তু যারা কাশি ও ব্যাসকাশীর ঠিক মাঝখানে মরে, তারা কি হয়? আপনি বলতে পারেন দাদা আমার জানতে ইচ্ছে?’ গোপাল বললেন- তারা … বিস্তারিত পড়ুন

এত বোঝ মা ঠাট্টা বোঝ না-গোপাল ভাঁড়

গোপাল একদিন পাশা খেলতে খেলতে দাতের যন্ত্রণায় ভীষণ কষ্ট পাচ্ছিল। অসম্ভব যন্ত্রণা যাকে বলে। যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে সে শুয়ে পড়ে কাতরাতে কাতরাতে বলতে লাগল, ‘দোহাই খোদা, এ যাত্রায় আমার যন্ত্রণাটা কমিয়ে দাও ……… আমি জোড়া-পাঠা বলি দেব। কিছুক্ষণ পরে মা সৃষ্টিকর্তার কৃপায় তার যন্ত্রণার উপশম হল। সে আবার খোশ-মেজাজে পাশা খেলতে লাগল মনের আনন্দে। গোপালের … বিস্তারিত পড়ুন

এমন অসভ্য- বাঁদর দেখেনি-গোপাল ভাঁড়

গোপাল একবার বরযাত্রী হয়ে বিয়ে বাড়ীতে গিয়েছিল। কনে পক্ষের একজন বয়স্ক-রসিক ব্যক্তি গোপালের সঙ্গে রসিকতা করার উদ্দেশ্যে বললেন, ‘এই যে গোপাল, তুমিও দেখছি বরযাত্রী হয়ে এসেছ। জানো তো আমাদেরে এখানে অনেক বাদর আছে। এখানে বাদরের অত্যাচার ভীষণ। অবশ্য তোমার চেহারাও বাদরের মতো। বাদরদের মধ্যিখানে তোমাকে মানাবে ভাল, কি বলো? বাদর যদি কেউ ইতিপূর্বে না দেখে … বিস্তারিত পড়ুন

কাক পক্ষীতে টের পাবে না-গোপাল ভাঁড়

এক ভদ্রলোক মুর্শিদাবাদের নবাব-দরবারে কাজ করতেন। প্রয়োজনে গোপালকে একবার নবাব দরবারে যেতে হয়েছিল। গোপালকে দেখেই ভদ্রলোক তার হাতে পঞ্চাশটি টাকা দিয়ে বললেন, ‘দাদা, দয়া করে টাকাটা আপনি বাড়ী গিয়ে আমার স্ত্রীর হাতে চুপি-চুপি দেবেন, আমার বাড়ির অন্য কেউ যেন টের না পায়, তাহলে খুব অনর্থ হবে।’ গোপাল টাকাটা ট্যাকে গুজে বললেন, ‘আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন মশায়, … বিস্তারিত পড়ুন

কাৎ করবেন না দাদা রস-গড়িয়ে পড়বে-গোপাল ভাঁড়

‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্যের রচয়িতা কবি ভারতচন্দ্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। আদি-রস পরিবেশনের ব্যাপারে তার সমকক্ষ তখনকার দিনে কেউ ছিলেন না। কৃষ্ণচন্দ্রও সমঝদার শ্রোতা ছিলেন, কবি রাজাকে বিদ্যাসুন্দর পড়ে শুনাচ্ছিলেন। গোপাল রাজসভায় ঢুকে কবিকে কাব্যের পান্ডুলিপিটা কাৎ করে ধরে পড়তে দেখে চেচিয়ে বলে উঠল, ‘একি করছেন কবি? আপনার কাব্য যে রসে টই ‍টুম্বর। কাৎ করবেন না দাদা, … বিস্তারিত পড়ুন

কাদের সাপ-গোপাল ভাঁড়

গোপাল মাঝে মাঝে কারও না কারোর সঙ্গে নিজের বাড়ির দাওয়ায় বসে দাবা খেলতো। গোপালের সঙ্গে দাবা খেলার জন্য প্রায়ই কেউ না কেউ দু’মাইল দুর থেকেও হেটে আসতেন। অন্তত এক বাজি খেলতে। না পারলে অথবা কারও সঙ্গে দাবায় হেরে গেলে গোপাল সে রাতে মোটেই ঘুমুতে পারত না। সারারাত বিছানায় শুয়ে শুয়ে শুধু ছটফট করত। দাবা খেলার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!