মোল্লা নাসিরুদ্দিনের দুটি গল্প…

একবার মোল্লা সাহেব একটি জরুরী কাজে দুরের একটি শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চে উঠলেন। মাঝ পথে একবার প্রবল ঝড় উঠল। ঝড়ে লঞ্চ দুলে উঠল। সবাই আল্লাহর নাম নিতে শুরু করল। কিন্তু মোল্লা সাহেব লঞ্চের এক কোণে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে আছেন। লঞ্চের ক্যাপ্টেন তাকে এসে বললেন, “আপনি এখানে কি করছেন? ঝড় উঠেছে, আপনি আল্লাহর নাম নিন।“ মোল্লা … বিস্তারিত পড়ুন

বউ বনাম বেয়ান

গোপালের সবেমাত্র বিয়ে হয়েছে। এক বাদলার দিনে স্ত্রীকে দেখবার জন্যে তার মন ছটফট করে ‍উঠলো। নতুন বৌ তখন পিত্রালয়ে, ম্বশুরবাড়িও প্রায় দু’ক্রোশের উপর। গোপাল ওই বাদলাতেই দুই ক্রোশ পথ ভেঙ্গে সন্ধ্যা নাগাদ শ্বশুরবাড়ীতে পেীছাল। জামাইকে পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে খুব ধুমধাম। সেকালে রসিকতার ক্ষেত্রে পাত্র পাত্রী বাছ-বিচার বড় একটা ছিল না। শ্বশুর-জামাই, শাশুড়ী-পুত্রবধুতেই মোটা রসিকতার আদান-প্রদান অবাধেই … বিস্তারিত পড়ুন

মোসায়েব নির্বাচন

পূর্ব্বে জমিদারগণ মোসায়েব রাখতেন। পাশের এক জমিদার গোপালকে বললেন, ‘অনেকেই মোসায়েব গিরি করবার জন্য আসছে কে যে উপযুক্ত হবে, আমি ঠিক তা বুঝে উঠতে পারছিনা। তুমি আমার জন্য একজন যোগ্য মোসায়েব নির্বাচন করে দিতে পার গোপাল ভাই? কারণ তোমার বুদ্ধি অনেকের চেয়ে সরেস। তোমাকে ছাড়া কাকেও ভরসা পাচ্ছি না। গোপাল জমিদারকে বললেন, ‘ঠিক আছে, যারা … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের ঘটকালি

গোপাল একবার একটি বিয়ের ঘটকালি করে ছিল। মেয়েটি খোড়া, ছেলেটি কানা। কনে পক্ষ পাত্র পক্ষ গোপালের মুখের কথার উপর নির্ভর করেই বিয়ে পাকাপাকি করে ফেলেছিল। কনে পক্ষ জানে না যে বর কানা, আবার পাত্রী পক্ষ জানে না যে মেয়ে খোড়া। গোপালের ভীষন নাম ডাকের জন্য কেউ কাকেও অবিশ্বাস করতে পারে নি। সবকাজ গোপালের উপরই ছেড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের চোর ধরা

গোপালের ঘরে চুরি করতে গিয়ে এক চোরকে ভীষণ বিপদে পড়তে হয়েছিল। গোপাল তখনও পাকাবাড়ি করতে পারেনি। মাটির দেওয়াল, টালির ছাউনি। আগে গ্রাম-দেশে চোরেরা সচরাচর হয় সিধ কাটত, নতুবা ঘরের চালের দু’একখানা টালি সরিয়ে ঘরে নেমে মালপত্র নিয়ে অন্য দরজা দিয়ে পালিয়ে যেত। তখন মাঝরাত, একটা চোর চুরি করবে বলে গোপালের ঘরের টালির উপর সবে উঠছে। … বিস্তারিত পড়ুন

আগে ফাউ-গোপাল ভাঁড়

গোপাল একবার হাটে আলু কিনতে গিয়েছিল। পথেই দেখা হল এক বন্ধুর সঙ্গে। রসিক বন্ধুটি গোপালের আলু-খরিদ করার কথা শুনে বলল, তুমি যদি আলু বিনি পয়নায় খরিদ করতে পার দশ টাকা পুরস্কার পাবে। গোপালকে বন্ধুটি রসিকতা করার লোভে একটু উসকে দিল। মনে করেছিল গোপাল পারবে না। গোপাল বন্ধুকে বললে, ‘ও এই কথা? তুমি আমার সঙ্গে হাটে … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালের কৃষ্ণ প্রাপ্তি

মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে গোপাল মাঝে মাঝে নানান অভাব-অনটনের কথা বলে বা মহারাজকে সন্তুষ্ট করে প্রচুর টাকা বখশিস পেত। মহারাজকে অনেক বিপদ আপদ থেকে বুদ্ধির জোরে বাচাত গোপাল। মহারাজ সেজন্য দু-হাত ভরে পুরস্কার দিতেন। কিন্তু নতুন বড় বাড়ি করার সময় গোপালের অর্থের টান পড়ল। মাত্র ‍কিছুদিন আগেই গোপাল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে কথায় মুগ্ধ করে বেশ ‍কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

গরু হারালে এমনিই হয়, মা

গোপালের একবার একটি গরু হারিয়ে গিয়েছিল।চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুরে বনবাদাড়ে খুঁজে খুঁজে সে বিকেলে নিজের বাড়ির দাওয়ায় ধপাস করে বসে ছেলেকে ডেকে বলল,“ও ভাই, জলদি এক ঘটি জল আনো, তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে।” গোপাল হাহুতাশ করে বলতে লাগল,“ভাইরে, আর বুঝি বাঁচি না!” ঘরে গোপালের কোনো ভাই ছিল না; একমাত্র ছেলে আর বৌ নিয়ে তার সংসার।গোপালের স্ত্রী … বিস্তারিত পড়ুন

গরীবের ঘোড়া রোগ

মহিমাচরণ নামে এক গরীব প্রতিবেশী একদিন গোপালের কাছে এসে বললেন, ‘বুঝরে ভায়া, একটা মাত্র ছেলে, ছেলেটার ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমি শিউরে উঠি মাঝে মাঝে। ছেলেটা দেখছি আমায় শান্তিতে মরতেও দেবে না। মরে গেলে যে কি করবে কুল কিনারা পাই না। কোনও বুদ্ধি দিতে পারেন এ ব্যাপারে?’ ‘কেন, কি হয়েছে তার?’ ‘গরীবের ঘোড়া রোগ হলে যা … বিস্তারিত পড়ুন

গোপালে শ্রাদ্ধ

গোপাল একজন লোকের কাছে কিছু টাকা ধার নিয়েছিল। সেই পাওনাদার গোপালকে পথের মাঝে পাকড়াও করে বললেন দুদিনের মধ্যে টাকা না দিলে আমি তোমার শ্রাদ্ধ করে ছেড়ে দেব বাছাধন। তখন কেমন মজা পাবে দেখবে।’ ‘পাওনাদারের কথা শুনে গোপাল মুচকি হেসে বললেন, ‘টাকা ধার দিয়ে ফেরত পাচ্ছেন না, উপরন্তু আমার শ্রাদ্ধের খরচও বহন করতে চাইছেন? ওই কাজটা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!