ব্যাঙের সমুদ্র দেখা – সুকুমার রায়

গ্রামের ধারে কবেকার পুরান এক পাতকুয়োর ফাটলের মধ্যে কোলাব্যাং তার পরিবার নিয়ে থাকত। গ্রামের মেয়েরা সেখানে জল তুলতে এসে যেসব কথাবার্তা বলত কোলাব্যাং তার ছেলেদের সেইসব কথা বুঝিয়ে দিত—আর ছেলেরা ভাবত ‘ইস্‌! বাবা কত জানে!’ একদিন সেই মেয়েরা সমুদ্রের কথা বলতে লাগল। ব্যাঙের ছানারা জিজ্ঞাসা করল—”হ্যাঁ বাবা! সমুদ্র কাকে বলে?” ব্যাং খানিক ভেবে বলল, “সমুদ্র? … বিস্তারিত পড়ুন

বুদ্ধিমান শিষ্য -সুকুমার রায়

এক মুনি, তাঁর অনেক শিষ্য। মুনিঠাকুর তাঁর পিতৃশ্রাদ্ধে এক মস্ত যজ্ঞের আয়োজন করলেন। সে যজ্ঞ এর আগে মুনির আশ্রমে আর হয়নি। তাই তিনি শিষ্যদের ডেকে বললেন, “আমি এক যজ্ঞের আয়োজন করেছি, সে যজ্ঞ তোমরা হয়তো আর কোথাও দেখবার সুযোগ পাবে না, কাজেই যজ্ঞের সব কাজ কর্ম বিধি ব্যবস্থা বেশ মন দিয়ে দেখো। নিজের চোখে সব … বিস্তারিত পড়ুন

বুদ্ধিমানের সাজা – সুকুমার রায়

আলি শাকালের মত ওস্তাদ আর ধূর্ত নাপিত সে সময়ে মেলাই ভার ছিল। বাগদাদের যত বড় লোক তাকে দিয়ে খেউড়ী করাতেন, গরিবকে সে গ্রাহ্যই করত না। একদিন এক গরীব কাঠুরে ঐ নাপিতের কাছে গাধা বোঝাই ক’রে কাঠ বিক্রী করতে এল। আলি শাকাল কাঠুরেকে বলল, “তোমার গাধার পিঠে যত কাঠ আছে সব আমাকে দাও; তোমাকে এক টাকা … বিস্তারিত পড়ুন

ভাঙা তারা – সুকুমার রায়

মাতারিকি আকাশের পরী। আকাশের পরী যারা, তাদের একটি করে তারা থাকে। মাতারিকি তার তারাটিকে রোজ সকালে শিশির দিয়ে ধুয়ে মেজে এমনি চকচক ক’রে সাজিয়ে রাখত যে, রাত্রিবেলা সবার আগে তার উপরেই লোকের চোখ পড়ত— আর সবাই বলত— “কী সুন্দর!” তাই শুনে শুনে আর সব আকাশ-পরীদের ভারি হিংসা হ’ত। তানে হচ্ছেন গাছের দেবতা। তিনি গাছে গাছে … বিস্তারিত পড়ুন

মাছি ও মধুর কলসী – ঈশপের গল্প

এক দোকানে মধুর কলসি উলটিয়ে পড়েছিল। আর মধু চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল।মধুর গন্ধ পেয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি এসে সেখানে মধু খেতে লাগল। যতক্ষণ এক ফোঁটা মধু পড়েছিল ততক্ষন মাছিগুলো নড়ল না। অনেকক্ষন মধুর উপরে থাকার ফলে মাছিদের পা মধুর সাথে জড়িয়ে গেল, ফলে তাদের মধু খাও্য়া শেষ হলেও তারা আর উড়তে পারলো না। অনেকক্ষণ চেষ্টা করার … বিস্তারিত পড়ুন

লোলির পাহারা – সুকুমার রায়

শহর থেকে অনেক দূরে “লোলি”দের বাড়ি। সে বাড়িতে খালি লোলি থাকে আর তার বাবা থাকেন, আর থাকে একটা বুড়ো শূয়োর। বাড়ির চারিদিকে ছোট ছোট ক্ষেত, তার চারিদিকে বেড়া দিয়ে ঘেরা। ক্ষেতে যে সামান্য ফসল হয়, তাই বেচবার জন্য লোলির বাবা শহরে যান, আর লোলিকে বলে দিয়ে যান, “তুই বাড়িতে থেকে ভাল করে পাহারা দিস্‌।” লোলি … বিস্তারিত পড়ুন

শিয়াল পন্ডিত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কুমির দেখলে, সে শিয়ালের সঙ্গে কিছুতেই পেরে উঠছে না। তখন ভাবলে, ‘ ও ঢের লেখাপড়া জানে, তাতেই খালি আমাকে ফাঁকি দেয়। আমি মূর্খ লোক, তাই তাকে আঁটতে পারি না।’ অনেকক্ষণ ভেবে কুমির ঠিক করল যে, নিজের সাতটা ছেলেকে শিয়ালের কাছে দিয়ে খুব করে লেখাপড়া শেখাতে হবে। তার পরের দিনই সে ছানা সাতটাকে সঙ্গে করে শিয়ালের … বিস্তারিত পড়ুন

খোঁড়া মুচির পাঠশালা – সুকুমার রায়

পোর্ট্‌স্‌মাউথের বন্দরে এক খোঁড়া মুচি থাকিত, তাহার নাম জন পাউন্ডস। ছেলেবেলায় জন তাহার বাবার সঙ্গে জাহাজের কারখানায় কাজ করিত। সেইখানে পনের বৎসর বয়সে এক গর্তের মধ্যে পড়িয়া তাহার উরু ভাঙিয়া যায়। সে অবধি সে খোঁড়া হইয়াই থাকে এবং কোন ভারি কাজ করা তাহার পক্ষে অসম্ভব হইয়া পড়ে। গরীবের ছেলে, তাহার ত অলস হইয়া পড়িয়া থাকিলে … বিস্তারিত পড়ুন

খৃষ্টবাহন – সুকুমার রায়

তার নাম অফেরো। অমন পাহাড়ের মত শরীর, অমন সিংহের মত বল, অমন আগুনের মত তেজ, সে ছাড়া আর কারও ছিল না। বুকে তার যেমন সাহস, মুখে তার তেমনি মিষ্টি কথা। কিন্তু যখন তার বয়স অল্প, তখনই সে তার সঙ্গীদের ছেড়ে গেল; যাবার সময় বলে গেল, “যদি রাজার মত রাজা পাই, তবে তার গোলাম হয়ে থাকব। … বিস্তারিত পড়ুন

গোলরুটি- রূশদেশের উপকথা

এক ছিল বুড়ো আর বুড়ি। একদিন বুড়িকে বুড়ো ডেকে বলল: “ও বুড়ি একবার হাঁড়িটা ছেঁচে, ময়দার টিন ছেড়ে বেছে দেখ না, একটু ময়দা পাস কিনা। একটা গোল রুটি করে দিবি? বুড়ী কখন একটা মোরগের পাখনা নয়ে বসে গেল। হাঁড়ি ছেঁচে, ময়দার টিন ঝেড়ে, কোন রকমে দুমুঠো ময়দা বের করল। ময়ান দিয়ে বুড়ী ময়দাটুকু ঠাসলো। তারপর … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!