হযরত মুসা (আঃ)এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৬ষ্ঠ পর্ব

হযরত মুসা(আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-পঞ্চম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন এ সময় মুসা (আঃ) এর বোন মরিয়ম কাছে এসে বলল মহারানী, আমার কাছে একজন ধাত্রী আছে যদি আপনি আদেশ করেন তবে আমি তাকে নিয়ে আসতে পারি। আছিয়া বললেন হ্যা, তাড়াতাড়ি যাও। যত ধাত্রী আছে সকল কে খবর দাও। বাচ্চা যার দুধ পান করবে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুসা (আঃ)এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৫ম পর্ব

হযরত মুসা (আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৪র্থ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন যা তার কার্যের ভিতরে প্রকাশ পেয়েছে। সে কোন কথা বলেনি। কি সাইজের কতটুকু ও কি মাপের বাক্স তৈরি করবে তাও জিজ্ঞাসা করেনি। সর্বশেষে মুজুরি ক্ষেত্রে কোন রুপ বাদানুবাদ করেনি  এবং অতি দ্রুত কাজ সমাধা করে চলে গেছেন। যদি এ মিস্ত্রী মানুষ হত … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুসা (আঃ)এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৪র্থ পর্ব

হযরত মুসা(আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৩য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন তাই তিনি তার পদে যথাযথ বহাল থেকে নিজ দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী খাতুন ও ছিলেন বনি ইসরাইল বংশের সম্ভ্রান্ত মহিলা। তিনি শরীয়তের বিধান ভালভাবে পালন করতেন। এবং পরপুরুষের সাথে পর্দা করে চলতেন। ফেরাউনের ঘোষণার পরের দিন গভীর রাত্রে খাতুন ঘর থেক বেরিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুসা (আঃ)এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-৩য় পর্ব

হযরত মুসা(আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-২য় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন এ সময়ে হামান ফেরাউন কে বলল বন্ধু পরিবেশ সৃর্ষ্টি হয়ে গেছে। এখন তুমি তোমার অভিপ্রায় জনসমক্ষে প্রকাশ কর। তখন ফেরাউন ঘোষণা দিল হে দেশবাসী আমি তোমাদের খোদা। আমি বাঁচাতে পারি, মারতে পারি। মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারি। অতএব আমার এ দাবির বিরোধীতাকে চরম … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুসা (আঃ)এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-২য় পর্ব

হযরত মুসা (আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন জনসাধারণ তার এই ঘোষণাকে আন্তরিকভাবে স্বাগতম জানায়। সেই থেকে ফেরাউন মিশরে অধিপতি হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ফেরাউন রাষ্ট্রপতির পদলাভ করার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধু হামানকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করেন। দুই বন্ধু মিশর রাজ্যের হর্তাকর্তা হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবার পরে একদা ফেরাউন বন্ধু কে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মুসা (আঃ) এর জন্ম বংশ ও পরিচয়-১ম পর্ব

হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-এর সন্তান-সন্ততিগণ বনি ইসরাইল নামে পরিচিত। হযরত মূসা (আঃ) ছিলেন বনি ইসরাইল বংশের একজন পরাক্রমশালী নবী। তিনি হযরত মূসা কালিমুল্লাহ নামে খ্যাত। কারণ তিনি তূর পাহাড়ে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন। একমাত্র হযরত মুহাম্মদ ﷺ ব্যতীত এই পরম সৌভাগ্য আর কোনো নবীর পক্ষে লাভ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!