হযরত মূসা (আঃ)-এর তুর পাহাড়ে গমন

বনী ইসরাইলরা যে দুঃসহ অস্থিরতার মধ্যে কালাতিপাত করেছে এখন তা হতে মুক্তি লাভ করে বিপদমুক্ত হয়েছে। বেশ সুখ শান্তিতেই তাদের সময় অতিবাহিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় বনী ইসরাইলীদের মধ্য হতে কিছু লোক হযরত মূসা (আঃ)-এর কাছে আবেদন করল যে, হে নবী! যদি আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে কোন কিতাব এবং শরীয়ত থাকত তা হলে আমরা এখন নিঃসঙ্কোচে … বিস্তারিত পড়ুন

গো-বাছুর প্রতিমা

মূসা (আঃ) যখন তুর পর্বতে গমন করেন তখন তাঁর ভাই হারুন (আঃ) কে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করে যান। হারুন (আঃ) বনী ইসরাইলীদেরকে বলেন, হে আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা তোমরা মিশর ত্যাগকালে কিবতীদের অনেক অলংকারপত্র সোনাদানা নিয়ে এসেছে। আবার তোমাদের অনেক কিছু তাদের কাছেও রয়ে গেছে। তোমরা ভাবছ, কিবতীদের কাছে রয়ে যাওয়া তোমাদের সম্পদের বিনিময়ে তাদের থেকে আনা … বিস্তারিত পড়ুন

সত্তর ব্যক্তি নির্বাচন

হযরত মূসা (আঃ) হযরত হারুন (আঃ)-কে বনী ইসরাইলের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তৌরাত লিপিবদ্ধ যে কাষ্টফলকসমূহ মাটিতে রেখে দিয়েছিলেন বনী ইসরাইলীদের গুনাহ মাফ হয়ে যাওয়ার পর তিনি তা তুলে নিলেন। এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত মূসা (আঃ) তৌরাতের কাষ্ঠ ফলকসমূহ মাটিতে রাখার সময় ফেটে গিয়েছিল। অনন্তর আল্লাহ পাক অন্য কোন জিনিসের উপর তৌরাত লিপিবদ্ধ করে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত মূসা-(আঃ) এর স্বদেশ ভূমে যাত্রা

দীর্ঘ দশ বছর পর্যন্ত মাদইয়ানে অবস্থানের পর হযরত মূসা (আঃ) এর মিসরে অবস্থিত মা, বোন এবং বড় ভাই হযরত হারুন (আঃ) এর সাথে সাক্ষাতের তীব্র আকর্ষন সৃষ্টি হয়। তিনি শ্বশুর হজরত শুয়াইব (আঃ) থেকে বিদায় নিয়ে স্ত্রী সফুরাসহ মিসরের দিকে যাত্রা করেন। অন্য এক বর্ণনা অনুসারে তিনি মাদইয়ান হতে মিশর অভিমুখে যাত্রার প্রাক্কালে সাথে শুধু … বিস্তারিত পড়ুন

নবুয়ত দান

তুর পাহাড়ে আল্লাহ তায়ালা মূসা (আঃ) -কে নবুয়ত প্রদান করেন। তিনি হযরত মূসা (আঃ) -কে লক্ষ্য করেন বলেনঃ وَأَنَا اخْتَرْتُكَ فَاسْتَمِعْ لِمَا يُوحَىٰ অর্থঃ আর আমি নবী হিসেবে তোমাকে মনোনীত করেছি। সুতরাং তোমার প্রতি যে সকল ওহী করা হয় তা অত্যন্ত মনোযোগের সাথে শুন। অনন্তর আল্লাহ তায়ালা হযরত মূসা (আঃ)-কে দ্বীনের সকল মূল নীতিসমূহ শিখালেন … বিস্তারিত পড়ুন

পাপিষ্ট ফেরাউনের বিবরণ

ফেরাউন কোন রাজা বা বাদশাহর নাম নয় উপাধি। তৎকালে রাজতক্তে যে ব্যক্তিই আরোহন করত সে-ই ফেরআউন নামে আখ্যায়িত হত। এভাবে হজরত মুসা (আঃ)-এর যমানায় মিসরের সিংহাসনে যে সমাসীন ছিল তার উপাধি ফেরাউন ছিল। এ ফেরাউন হযরত মূসা (আঃ)-এর জন্মগ্রহণের বহু পূর্ব হতেই মিসরে রাজত্ব করছিল। ফেরআউনের পিতা ও দাদার নাম নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে। কারো কারো … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরাউনের পরিচয়

পূর্বেই বলা হয়েছে ফেরাউনের আসল নাম মাসআর বা কাবুস। মাসআর বা কাবুসের জন্মস্থান বখলে। সে ভাগ্যন্মেষনের তাগিদে ঘুরতে ঘুরতে বেউশাহমা নামক শহরে গিয়ে উপনিত হল। তথায় তার হামান নামক আরেকটি ভবঘুরে যুবকের সাথে সাক্ষাৎ হল। তাঁদের দুজনের চারিত্রিক ও ভাবধারা ও প্রকৃতির প্রায় একই ধরনের হওয়ায় পরষ্পরের মধ্যে বন্ধু সৃষ্টি হয়। অতঃপর তার উভয় ভাগ্যন্বষনে … বিস্তারিত পড়ুন

নীল নদে ভাসমান মূসা (আঃ)

অদৃশ্য হতে নির্দেশ পেয়ে মূসা (আঃ) এর জননী তাঁকে একটি মজবুত, কাঠের সিন্দুকে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন। এ সংকটজনক পরিস্থিতিতে মূসা (আঃ) এর মাতা সিন্দুক কোথায় পাবেন এবং নতুন করে তৈরী করতে গেলে আশংকা ছিল গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে পড়ার। ফলে এ খবর ফেরআউনের লোকদের কর্ণগোচর হত এবং তারা নবজাত শিশুকে হত্যা করত- এমন একটি … বিস্তারিত পড়ুন

মূসা (আঃ)- কে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

কিবতী হত্যাকারী সনাক্তকরণে বনী ইসরাইলীর আজকের কথাই স্বাক্ষী হিসেবে যথেষ্ঠ। সুতরাং কিবতী বিবাদের পাট চুকিয়ে তাড়াতাড়ি কেটে পড়ে। কিবতীও বনী ইসরাঈলের ঝগড়া এখানেই শেষ হল বটে, কিন্তু কিবতী ঘটনাস্থল থেকে গিয়ে পূর্বের হত্যাকারীর অন্বেষণরত লোকদের কাছে ঘটনা সবিস্তারে বলল। সে এও বলল, স্বয়ং বনী ইসরাঈলীই গতকালের হত্যাকান্ড মূসার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে বলে সুস্পষ্ট উল্লেখ করেছে। … বিস্তারিত পড়ুন

মূসা (আঃ)- এর শংকা

কিবতীর নিহত হওয়ার ঘটনায় মূসা (আঃ) খুবই শংকিত হয়ে পড়েন। কেননা, তাঁর দ্বারা এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। ফেরাউন কোন ভাবে জানলে আর রক্ষা থাকবে না। তাই তিনি এ ঘটনার প্রতি সাবধানী দৃষ্টি রেখে চলতেন। ঘটনা ফেরাউনের গোচরীভূত হলেও হত্যাকারী জ্ঞাত না থাকায় কোন ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না। যারা বিষয়টি ফেরাউনের কানে দিয়েছে তারা কিবতীর … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!