কুঁজো আর ভূত-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কানাই বলে একটি লোক ছিল, তার পিঠে তার পিঠে ছিল ভয়ঙ্কর একটা কৃঁজ। বেচারা বড্ড ভালমানুষ ছিল, লোকের অসুখ-বিসুখে ওষুধপত্র দিয়ে তাদের কত উপকার করত। কিন্তু কুঁজো বলে তাকে কেউ ভালবাসত না। কানাইয়ের ঝুড়ির দোকান লোক ছিল। আর কোনো ঝুড়িওয়ালা তার মত ঝুড়ি বুনতে পারত না। তারা তাকে ভারি হিংসা করত, আর তার নামে যা-তা … বিস্তারিত পড়ুন

কুঁজো বুড়ি

এক যে ছিল কুঁজো বুড়ি। সে লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে চলত, আর তার মাথাটা খালি ঠক-ঠক করে নড়ত। বুড়ির দুটো কুকুর ছিল। একটা নাম রঙ্গা, আর একটার নাম ভঙ্গা। বুড়ি যাবে নাতনীর বাড়ি, তাই কুকুর দুটোকে বললে, ‘তোরা যেন বাড়ি থাকিস, কোথাও চলে টলে যাসনে।’ রঙ্গা-ভঙ্গা বললে, ‘আচ্ছা’। তারপর বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে, কুঁজো … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘের পালকি চড়া | উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

বাঘ কিনা মামা আর শিয়াল কিনা ভাগ্নে, তাই দুজনের মধ্যে বড্ড ভাব। শিয়াল একদিন বাঘকে নিমন্ত্রণ করল, কিন্ত তার জন্যে খাবার কিছু তয়ের করল না! বাঘ যখন খেতে এল, তখন তাকে বললে, ‘মামা, একটু বস। আর দু-চারজনকে নিমন্ত্রণ করেছি, তাদের ডেকে নিয়ে আসি।’ এই বলে শিয়াল চলে গেল, আর সে রাত্রে ফিরল না। বাঘ সারারাত … বিস্তারিত পড়ুন

দোয়েল এবং প্রজাপতিটা রাগ করেছিলো | আবেদীন জনী

খুকির নাম টুসটুসি। খুব পুচ্চি খুকি। কেবল অ আ ক খ পড়ে। তার একটা বর্ণমালার বই আছে। বইটা খুব সুন্দর। পাতায় পাতায় রঙিন বর্ণমালা। রঙিন রঙিন ছবি। প্রজাপতির ছবি। পাখির ছবি। ফুলের ছবি। হাঁসের ছবি। গাছের ছবি। মাছের ছবি। আরও অনেক অনেক ছবি। জানালার পাশে বসে টুসটুসি বর্ণমালার বই পড়ে। প্রতিদিন। সকাল-বিকেল। জানালার ওপাশেই একটি … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে | উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী

শিয়াল ভাবে,`বাঘমামা, দাড়াঁও তোমাকে দেখাচ্ছি!’ এখন সে আর নরহরি দাসের ভয় তার পুরোনো গর্তে যায় না, সে একটা নতুন গর্ত খুজে বার করেছে। সেই গর্তের কাছে একটা কুয়ো ছিল। একদিন শিয়াল নদির ধারে একটা মাদুর দেখতে পেয়ে, সেটাকে তার বাড়িতে নিয়ে এল। এনে, সেই কুয়োর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে গিয়ে বললে,’মামা, আমার … বিস্তারিত পড়ুন

টুনটুনি আর রাজার কথা | উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

রাজার বাগানের কোণে টুনটুনির বাসা ছিল। রাজার সিন্দুকের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল, সন্ধ্যার সময় তার একটি টাকা ঘরে তুলতে ভুলে গেল। টুনটুনি সেই চকচকে টাকাটি দেখতে পেয়ে তার বাসায় এসে রেখে দিলে, আর ভাবলে, `ঈস্! আমি কত বড়োলোক হয়ে গেছি। রাজার ঘরে যে ধন আছে, আমার ঘরে সেই ধন আছে!’ তারপর থেকে সে কেবলি এই … বিস্তারিত পড়ুন

ইঁদুর দিল ভোঁ-দৌড় || সহীদ সরকার অনূদিত

বিড়াল আর ইঁদুরে বড়ই ভাব। সিদ্ধান্ত নিলো তারা একসঙ্গে এক চালের নিচে বাস করবে। যেই বলা সেই কাজ। শুরু হলো একই বাড়িতে বসবাস। শীতকালে খাবার-দাবারের খুবই অভাব। শীতের জন্য তারা কিনলো একটি চর্বির পাত্র। লুকিয়ে রাখলো দূরের একটি গির্জার পেছনে। যখন খাবারে টান পড়বে তখন এই পাত্রের খাবার খাবে তারা। একদিন বিড়ালটি বলল, শোনো পুচ্চি … বিস্তারিত পড়ুন

সজনে গাছে টুনটুনি—- সু হৃদ আকবর

প্রকৃতিতে চৈত্রের কাঠফাটা রোদ। এমন ভ্যাপসা গরমে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে আসে ফজলু। আজ বৃহস্পতিবার, তাই তাদের স্কুলও তাড়াতাড়ি ছুটি হয়েছে। কথায় আছে, বৃহস্পতিবার হাফ, শুক্রবার মাফ; শনিবার ওরে বাপরে বাপ! বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর ছেলেমেয়েরা জোরসে একটা চিৎকার জুড়ে দেয়। সে চিৎকারে গোটা স্কুল ঘর কেঁপে কেঁপে উঠে। আর চিৎকারের সাথে ছুটির স্লোগান দিতে … বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের পুরনো ছাদ

আমাদের বাড়িতে একটা মাত্র ঘর। সেই এক ঘরের বাড়িতে আমরা সবাই থাকি, খাই। এক ঘরের এই বাড়ির একটা দরজা, জানলা দুটো। একটাতে ভারী পর্দা ঝুলে আরেকটার কপাটে কালিমাখা। জানলাগুলো বন্ধই থাকে। তবু আমাদের একা রেখে বড়রা দূরে গেলে বারবার সেগুলোকে পরীক্ষা করে দেখা হয় বন্ধ আছে কিনা। তখন দরজা খোলাও বারণ। কারণ চোরের উপদ্রব খুব … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!