সূর্য ও পবন

পবন আর সূর্যের মধ্যে একদিন প্রচণ্ড তর্ক শুরু হল।দু,জনের মধ্যে কার শক্তি বেশি।এই ছিল তর্কের বিষয়।তর্কের শেষ কিছুতেই হয় না। এ বলে আমি বড় ও বলে আমি বড়।কিন্তু কেউ হার শ্বিকার করতে চায় না। অবশে দু,জনেই ঠিক করল-এরকম ভাবে আমাদের কথা কাটাকাটি করে লাভ নেই।হাতে কলমে পরীক্ষা করে দেখা যাক, কার শক্তি সবচেয়ে বেশি।পবন বলল-এই … বিস্তারিত পড়ুন

গল্প নয় সত্য ঘটনা

জন্তুওয়ালা অনেক জন্তু লইয়া শহরে একটি ঘর ভাড়া করিয়াছে। মনে করিয়াছে, আজ হাটের দিন বিন্তর লোক আসিবে, আর তামাশা দেখিয়া পয়সা দিবে। হাটে লোকের কম নাই, কিন্তু জন্তুওয়ালার ঘরের আধখানাও ভরিল না। জন্তুগুলারও যেন ফুর্তি নাই। লোক কম দেখিয়া তাহারাও কেমন হাল ছাড়িয়া দিয়াছে। ভাল তামাশা হইতেছে না দেখিয়া যে দু-চার জন দর্শক উপস্থিত, তাহারাও … বিস্তারিত পড়ুন

সহজে কি বড়লোক হওয়া যায়?-১ম অংশ

ছেলেবেলায় একটু একগুঁয়েমো প্রায় সকলের থাকে। আমার কথা শুনিয়া কেহ চটিবেন না। চটিলেও বড় একটা অসুবিধা বোধ করিব না। অনেকের অভ্যাস আছে, তাহারা খাঁটি কথা শুনিলে বিরক্ত হয়, কিন্ত কাহাকেও বিরক্ত করা আমার উদ্দেশ্য নহে। আমার নিজের দশা দেখিয়াই আমি উপরের কথাগুলিতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। ছেলেমানুষের একটা রোগ আছে। অনেক কাজ তাহারা আপনা আপনি করিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

সহজে কি বড়লোক হওয়া যায়?-২য় অংশ

বেলা প্রায় শেষ হইয়া আসিলে সেই ছেলে দুটির নিকট হইতে বিদায় লইয়া বাহির হইলাম। সেদিন রাত্রিতে এক বাজারে মুদীর দোকানে ছিলাম। তারপর দুই দিন ঐ ভাবে গেল। সারদিন পথ চলিতাম; কেবল দু-বেলা খাবার জন্য কোনো মুদীর দোকানে উঠিতাম। রাত্রিতে কোন মুদীকে পয়সা দিয়া তাহার ঘরে থাকিবার জায়গা পাইতাম। তৃতীয় দিন রাত্রিতে থাকিবার জন্য আর মুদীর … বিস্তারিত পড়ুন

একটি ফাটাফাটি হাসির গল্প

একজন জেলা শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হলো একটি হাই স্কুল পরিদর্শনের জন্য। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হলো—পরিদর্শন শেষে স্কুলটি এম.পি.ওভুক্ত করার উপযোগী কি না, সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট মতামত পেশ করবেন। শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের আগমন উপলক্ষে স্কুলটিকে পরিপাটি করে সাজানো হলো। ছাত্র-ছাত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হলো—স্যার যা জিজ্ঞেস করেন, সবাই যেন তার ঠিকঠাক জবাব দেয়। শিক্ষা অফিসার … বিস্তারিত পড়ুন

চাপাবাজি কোচিং সেন্টার ।। শাহ আলম

কোচিং সেন্টারের অভাব নেই ঢাকা শহরে। কিন্তু চাপাবাজি কোচিং সেন্টারের নাম একবারও শোনেননি পল্টু মামা। ভাগনে লাল্টুর কাছে প্রথম শুনলেন এই নাম। বললেন, ভাগনে, সত্যি বলছিস তো? নাকি গুল মারছিস? লাল্টু পোকা খাওয়া দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলল, কী বলছ মামা, মিথ্যে বলব কেন? আমাদের নাখালপাড়ার সবাই তো চাপাবাজি কোচিং সেন্টারের নাম জানে। পল্টু … বিস্তারিত পড়ুন

খুঁত ধরা ছেলে

বিলাতে চারিটি ভাই একদিন এক জায়গায় বসিয়া কথাবার্তা কহিতেছিলেন। তাহাদের আলাপের বিষয়, কে কি করিবে। সকলেরই মনে ইচ্ছা, একটা কিছু হওয়া চাই। সকলের ‘একটা কিছু’ত আর একরকম হয় না। তাই চার ভাই চাররকম কথা বলিল। একজন বলিল-‘আমি ইঁটের কারবার করিব। তাহাতে টাকা হইবে, আর ইঁট দিয়া আমার একখানা বাড়ি করিব।’ আর-একজন বলিল-‘দূর হ, তোর নেহাত … বিস্তারিত পড়ুন

কুঁজো বুড়ি

এক যে ছিল কুঁজো বুড়ি। সে লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে চলত, আর তার মাথাটা খালি ঠক-ঠক করে নড়ত। বুড়ির দুটো কুকুর ছিল। একটা নাম রঙ্গা, আর একটার নাম ভঙ্গা। বুড়ি যাবে নাতনীর বাড়ি, তাই কুকুর দুটোকে বললে, ‘তোরা যেন বাড়ি থাকিস, কোথাও চলে টলে যাসনে।’ রঙ্গা-ভঙ্গা বললে, ‘আচ্ছা’। তারপর বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে, কুঁজো … বিস্তারিত পড়ুন

আখের ফল-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

শিয়াল পণ্ডিত আখ খেতে বড় ভালবাসে, তাই সে রোজ আখ ক্ষেতে যায়। একদিন সে আখের ক্ষেতে ঢুকে একটি ভিমরুলের চাক দেখতে পেল। ভিমরুলের চাক সে আগে কখনো দেখেনি, সে মনে করল ওটা বুঝি আখের ফল। শিয়াল কিনা পণ্ডিত মানুষ, তাই সে আখকে বলে ‘ইক্ষু’, ক্ষেতকে বলে ‘ক্ষেত্র’, লাঠিকে বলে ‘দণ্ড’,। ভিমরুলের চাক দেখে সে বললে, … বিস্তারিত পড়ুন

উকুনে-বুড়ির কথা-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেন তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে এক ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভয়ে সেই যে নদীর ধার দিয়ে চলে গেল, আর … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!