বাঘের উপর টাগ–উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক জোলা ছিল” তার একটি বড় আদুরে ছেলে ছিল। সে যখন যা চাইত, সেটি না নিয়ে কিছুতেই ছাড়ত না। একদিন এক বড়মানুষের ছেলে জোলার বাড়ির সামনে দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিল। তাকে দেখে জোলার বড় ছেলে তার বাপকে ডেকে বললে, ‘বাবা, আমার কেন ঘোড়া নেই? আমাকে ঘোড়া এনে দাও।’ জোলা বললে, ‘আমি গরীব মানুষ, ঘোড়া কি … বিস্তারিত পড়ুন

মিস্‌মিদের কবচ—সপ্তম পরিচ্ছেদ

আমার মনে একটা বিশ্বাস ক্রমশ দৃঢ়তর হয়ে উঠচে। গাঙ্গুলিমশায়কে খুন করতে এবং খুনের পরে তাঁর ঘরের মধ্যে খুঁড়ে দেখতে খুনীর লেগেছিল সারারাত। যুক্তির দিক থেকে হয়তো এর অনেক দোষ বার করা যাবে—কিন্তু আমি অনেক সময় অনুমানের ওপর নির্ভর করে অগ্রসর হয়ে সত্যের সন্ধান পেয়েছি। কিন্তু ননী ঘোষকে আমি এখনও রেহাই দিই নি। শ্যামপুরে ফিরেই আমি … বিস্তারিত পড়ুন

ত্রিশষ্কুর নকল স্বর্গ–বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র

লোকে কোথায় বলে আমার অবস্থা ত্রিশষ্কুর মত।মানে-না এ-দিক,না ও-দিক।মধ্যিখানে ভ্যাবাগঙ্গারাম হয়ে বসে থাকে।যেমন আজকাল বড়লোকের অবস্থা হয়েছে-তারা না বড়োলোক না একে বারে শ্রমিক।সমাজে মধ্যিখানে বসে তারা দুইদিকের ধাক্কাখাচ্ছে।ত্রিশষ্কুর অবস্থাও একদিক তাই হয়েছিল।ত্রিশষ্কুর ছিলেন একজন সেকালের মস্ত বড় রাজা।দু,তিন বছর পড়ে তিনি একটা না একটা যজ্ঞ করতেন।আর সেই উপলক্ষে ব্রাক্ষণ ও প্রজাদের যেমনি খাওয়াতেন-দাওয়াতেন,তেমনি দক্ষিনাও দিতেন।লোকে … বিস্তারিত পড়ুন

মিস্‌মিদের কবচ—অষ্টম পরিচ্ছেদ

শীতল পোদ্দার টাকা বার করে নিয়ে এল একট থলির মধ্যে থেকে। বললে—সেদিনকার তহবিল আলাদা করা ছিল। সোনা বিক্রির তহবিল আমাদের আলাদা থাকে, কারণ, এই নিয়ে মহাজনের সোনা কিনতে যেতে হয়। টাকা হাতে নিয়ে দেখবার আগেই শীতল একটা কথা বললে—যা আমার কাছে আশ্চর্য বলে মনে হলো। সে বললে—বাবু, এগুলো পুরোনো টাকা, পোঁতা-টোতা ছিল ব’লে মনে হয়, … বিস্তারিত পড়ুন

বুদ্ধুর বাপ

এক যে ছিল বুড়ো চাষী, তার নাম ছিল বুদ্ধুর বাপ। বুদ্ধুর বাপের ক্ষেতে ধান পেকেছে,আর দলে দলে বাবুই এসে সেই ধান খেয়ে ফেলছে। বুদ্ধুর বাপ ঠকঠকি বানিয়ে তাই দিয়ে বাবুই তাড়াতে যায়। কিন্ত ঠকঠকির শব্দ শুনেও বাবুই পালায় না। তখন সে রেগেমেগে বললে, ‘বেটারা! এবার যদি ধরতে পারি, তাহরে ইঁড়ি-মিড়ি-কিঁড়ি-বাঁধন দেখিয়ে দেব!’ ইঁড়ি-মিড়ি-কিঁড়ি-বাঁধন বলে কোনা-একটা … বিস্তারিত পড়ুন

বোকা বাঘ

এক রাজার বাড়ির কাছে এক শিয়াল থাকত। রাজার ছাগলের ঘরের পিছনে তার গর্ত ছিল। রাজার ছাগলগুলি খুব সুন্দর আর মোটা-সোটা ছিল। তাদের দেখলেই শিয়ালের ভারি খেতে ইচ্ছে হত। কিন্ত রাজার রাখালগুলির ভয়ে তাদের কাছে আসতে পারত না। তখন শিয়াল তার গর্তের ভিতর থেকে খুঁড়তে আরম্ভ করল। খুঁড়ে-খুঁড়ে সে তো ছাগলের ঘরে এসে উপস্থিত হল, কিন্ত … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘের রাঁধুনি

এক বাঘের বাঘিনী মরে গিয়েছিল। মরবার সময় বাঘিনী বলে গিয়েছিল, ‘আমার দুটো ছানা রইল, তাদের তুমি দেখো।’ বাঘিনী মরে গেলে বাঘ বললে, ‘আমি কি করে বা ছানাদের দেখব, কি করে বা ঘরকন্না করব।’ তা শুনে অন্য বাঘেরা বললে, ‘আবার একটা বিয়ে কর, তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।’ বাঘও ভাবলে, ‘একটা বিয়ে করলে হয়। কিন্ত আর … বিস্তারিত পড়ুন

গজুখুড়োর বনে গমন –লীলা মজুমদার

একটা মানুষের আর কত সয়।শেষ পর্যন্ত গজুখুড়ো কার কয়েকবার একটা ভাঙ্গা ছাতার ন্যাড়া বাটের আগায়,একটা ছোট পুঁটলি বেধে রেগেমেগে সত্যি সত্যি বনে চলে গেলেন।যাবার আগে সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলে গেলেন,আমি চললাম হয়ত তোমাদের সাথে আমার শেষ দেখা।যদি কোন ফালতু সম্পতি থাকত,সে সব তোমাদের মধ্যে ভাগ রকে দিয়ে জেতাম।কিন্তু সে শব বলাই রাখার কোনো সুযোগ দাওনি,তখন … বিস্তারিত পড়ুন

চাঁদা –বিশু মুখোপাধ্যায়

এর পর আর কোন দিন চাঁদা দেবে না ঠিক করে ফেললেন দীনদয়াল।এ পাড়ায় নতুন বারী করে অতিষ্ট হয়ে গেল চাঁদা দিতে দিতে!দুই,টাকা,এক টাকা করে দশটাকা বার আনা চাঁদা দিতে হয়েছে তাকে একবারের সরস্বতী পুজোয়।একই পারাড় মুধ্যে বড়দের ছোটদের,তস্য ছোটদের করে শেষ আট আনা,চার আনা এমন কি দুই আনা পর্যন্ত দিয়ে রেহায় পেয়েছেন।ক,দিন চাদার জ্বালায় ভোরের … বিস্তারিত পড়ুন

তিন কিশোরের কাণ্ড —স্বপন বুড়ো

তিনটি কিশোর এক সাথে পরীক্ষা দিতে বসেছিল।কিন্তু পরীক্ষার আগে ওরা পাকাপোক্ত ব্যাবস্থা করে গিয়েছিল।সুতো ঝুলিয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন বাইরে চালান দেবে।সেখানে ভাই ব্রাদাররা হাতাহাতি প্রশ্ন-পত্রের জবাব লিখে আবার ফেরত পাঠাবে।সুতোধরে তোলা হবে দোতালার হল ঘরে সেই লিখিত জবাবগুলি।কিন্তু এমন সুন্দর পরিকল্পনা একে বারে ভেঙে গেল।যে পরিদর্শক হল ঘুরে বেরিয়েছিলেন,তিনি হঠাৎ জানালা দিয়ে দেখলেন,কতগুল ভুতরে কাগজ দেয়াল … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!