বিড়ালদের শহর : হারুকি মুরাকামি–চতুর্থ পর্ব

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ফেলে চলে যেতে পারতো। কিন্তু গেল না। তরুণ বয়স হবার কারণে তার ছিল প্রাণবন্ত আগ্রহ আর সে প্রস্তুত ছিল অভিযানের জন্য। এরকম আরও আজব দৃশ্য সে দেখতে চাইল। যদি সম্ভব হয়, সে খুঁজে বের করতে চায় কখন এবং কীভাবে এটা বিড়ালদের শহর হয়ে উঠল। এই তৃতীয় রাত্রিতে ঘণ্টা-ঘরের … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাঙ ও ঘাসফড়িংয়ের বন্ধুত্ব

এক ছিলো ঘাসফড়িং আর এক ছিলো ব্যাঙ। তারা ছিলো খুব ভালো বন্ধু। লোকে সবসময় তাদের একসঙ্গেই দেখতো। কিন্তু তারা কখনও কেউ কারও বাড়িতে খায়নি। একদিন ব্যাঙ ঘাসফড়িংকে বললো, বন্ধু কাল তুমি আমার বাড়িতে এসো। আমরা একসঙ্গে রাতের খাবার খাবো। আমি আর আমার বৌ তোমার জন্য বিশেষ খাবার তৈরি করবো। ঘাসফড়িং রাজি হলো। পরের দিন সময়মতো … বিস্তারিত পড়ুন

ধর্মের খাবার

ক্ষুধার্ত ছেলেটি একলা রাস্তায় হাঁটছে । খিদের জ্বালায় চোখের সামনে মাঝে মাঝে সবকিছু অন্ধকার হয়ে আসছে , ভিড়ের পিছনে চলতে চলতে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ল ,জায়গা টা সে চেনে না , কেউ তাড়িয়ে দেবার আগের সময়টুকু যদি জিড়িয়ে নেওয়া যায় । হঠাৎ একজন তার সামনে একটা শালপাতা রেখে দিয়ে গেল , কিছু বোঝার আগেই … বিস্তারিত পড়ুন

অসুস্থ সিংহ, খ্যাঁকশিয়াল ও হরিণ

এক সিংহ ব্যামোতে বড় কাবু হয়ে পড়েছে, গুহা ছেড়ে নড়বার ক্ষমতা নেই। সে তখন তার প্রিয় অনুচর খাঁকশেয়ালকে বললে, শোন, তুমি যদি আমায় বাঁচিয়ে রাখতে চাও তাহলে এক কাজ করতে হবে তোমায় । বনে যে বড় হরিণটা আছে নানা মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে ভালিয়ে তাকে নিয়ে আসবে আমার একেবারে কাছে। বড় খিদে পেয়েছে আমার, তার মাংস, … বিস্তারিত পড়ুন

যদু ডাক্তারের পেশেন্ট — পরশুরাম

ক্যালকাটা ফিজিসার্জিক ক্লাবের সাপ্তাহিক সান্ধ্য বৈঠক বসেছে। আজ বক্তৃতা দিলেন ডাক্তার হরিশ চাকলাদার, এম ডি, এল আর সি পি, এম এম আর সি এস। মৃত্যুর লক্ষণ সম্বন্ধে তিনি অনেকক্ষণ ধরে অনেক কথা বললেন। চার পাঁচ ঘণ্টা শ্বাস রোধের পরেও আবার নিশ্বাস পড়ে, ফাঁসির পরেও কিছুক্ষণ হৃৎস্পন্দন চলতে থাকে, দুই হাত দুই পা কাটা গেলেও এবং … বিস্তারিত পড়ুন

চুরিবিদ্যা — তারাপদ রায়

নাবালক বয়সে এ বিষয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম। সম্ভবত সেটাই ছিল আমার প্রথম রম্যরচনা। এত বিষয় থাকতে ওই নিষ্পাপ বয়সে আমি কেন চুরিবিদ্যার উপরে আমার প্রথম গদ্যটি লিখেছিলাম সেটা যাঁর যেমন ইচ্ছে অনুমান করতে পারেন। কিন্তু আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে। ওই লেখাটি লিখতে গিয়ে আমি প্রভূত আনন্দ পেয়েছিলাম। লিখতে লিখতে টের পেয়েছিলাম তস্করবৃত্তির প্রতি আমার … বিস্তারিত পড়ুন

অহংকারী খরগোশ — নরওয়ের রূপকথা

এক ছিল অহংকারী খরগোশ। দেখতে বেশ নাদুস-নুদুস। কচি কচি মুলো খেত। বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াত। আর ধেইধেই করে নেচে নেচে গান গাইত। লাফিয়ে লাফিয়ে খুব বেগে ছুটতে পারত সে। তাই তার মনে ভারি অহংকার। অন্য খরগোশদের সে গণায় ধরত না। যাকে-তাকে সে শুধুশুধু খোচা দিত। ঘোড়াকে গিয়ে বলত, কী তোমার ঠ্যাঙের ছিরি! দাঁড়িয়ে ঘুমাতে হয়।’ গাধাকে … বিস্তারিত পড়ুন

আঙ্গুর খাওয়ার ঘটনা

এক ব্যক্তি ইচ্ছা শক্তির ব্যাপারে উদাসীন হইয়া পড়িল। এক বাগানে ঢুকিয়া কাহাকেও কিছু না বলিয়াই আঙ্গুর খাইতে লাগিয়া গেল। বাগানের মালিক ছুটিয়া আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল— : কে তুমি? আমার আঙ্গুর খাইতেছ কেন? লোকটি বলিল— : আঙ্গুর আল্লাহর, আমিও আল্লাহর। আল্লাহর আঙ্গুর আল্লাহর বান্দা খাইতেছে। এখানে তোমার আমার বলার কিছু  নাই। একথা বলিয়া আবার খাইতে লাগিল … বিস্তারিত পড়ুন

গাধার সংগীতচর্চা

এক গাঁয়ে এক ধোপার ছিল একটা গাধা। তার নাম অদ্ভূত। দিনভর গাধা ধোপার কাপড়ের বোঝা বইত। সন্ধ্যায় যখন ফিরত, তখন কৃপণ ধোপা তাকে খাবার দিত খুবই অল্প। তাতে তার খিদে মিটত না। তাই পেটের জ্বালায় গাধা রোজই রাতে সকলে ঘুমিয়ে পড়লে পাশের ক্ষেতে গিয়ে চাষীদের ফসল খেত। এক শেয়াল, সে-ও গাঁয়ে এটা সেটা চুরি করে … বিস্তারিত পড়ুন

কৃপণের ধন

এক কৃপণ অনেক টাকাকড়ি জমিয়েছিল। পাছে চোর সন্ধান পেয়ে সব চুরি করে নিয়ে পালায়– এই ভয়েই তার দিন কাটত। একদিন সে করল কি, সব টাকা খরচ করে একতাল সোনা কিনে আনল। তারপর সেটি গোপনে ঝোপের আড়ালে মাটিতে পুঁতে রাখল। চোরের আর নিয়ে পালাবার উপায় নেই ভেবে সে নিশ্চিন্ত হল। কিন্তু প্রতিদিনই সোনার তালটি চোখে দেখতে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!