রাক্ষস ও এক বাজপাখির গল্প

হঠাৎ করেই বনের পাখিরা দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গেলো। ওদের এই দুঃশ্চিন্তার কারণ একটি বাজপাখি। এটি যেন পাখি নয়, যেন রাক্ষস! সারাদিন শুধু খাই খাই। হাঁস খাবে, মুরগি খাবে, চড়–ই খাবে, টিয়া খাবে, ময়না খাবে- আরো কত কি! বাজপাখিটির ক্ষেতে কোন ক্লান্তি নেই। কিছুতেই যেন পেট ভরতে চায় না। বাজপাখিটির সকালের নাস্তায় ছোট-বড় মিলে দশ থেকে বারোটি … বিস্তারিত পড়ুন

তেনারা — শিশুতোষ গল্প

স্কুলে ছুটি পড়ায় ফুকলো দাদুর ঘরে রোজ টুকলোরা গল্প শুনতে যায়। দাদুর একটা দাঁতও নেই। কথাও কেমন ফুকফুকে ফুস !ফুস ! করে বেরোয়। তাই দাদু যখন রাজকুমার আর রাজকন্যার গল্প বলতে থাকেন ,তখন টুকলো মন সেখানে বসে না। তাও ও রোজ ছেলেদের সাথে দলবেঁধে আসে। আসারও কারণ আছে। দাদুর ঘরে রাজ্যের যত পুরনো জিনিস ! … বিস্তারিত পড়ুন

ফেলুদার যোগ্য বউ — দ্বিতীয় পর্ব

সোনাকাকু :আমার সকলের সাথে পরিচয় হওয়া প্রয়োজন। আপনার কথা তো শুনলাম ,বাকিদের মতামতও জানা আবশ্যক। আসলে বুঝতেই পারছেন যে অসুখের কথা আপনি বলছেন সেটা সরানোর ক্ষমতা আমি কেন কোনো ডাক্তারেরই নেই ,তাই আমার জানা দরকার যদি এমন কিছু থেকে থাকে যেখানে আমি আপনাদের একটু হলেও সাহায্য করতে পারবো। তার আগে আপনার পুত্রবধুর সাথে একবার দেখা … বিস্তারিত পড়ুন

সিংহাসন

সিংহাসন : আপনি কোথায় চললেন মহারাজ? রাজা অস্থির হয়ে বললেন : জানিনা,তবে এটুকু জানি ওই গদিতে বসার যোগ্যতা আমার নেই। সিংহাসন : একি বলছেন মহারাজ? ঈশ্বরের যোগ্যতা বিচার হয় বলে তো কখনো শুনিনি। রাজা বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন : কে ঈশ্বর? আমি তো একজন সাধারণ মানুষ যার ছোট্ট ভুলের খেসারত দেশ সুদ্ধ অসহায় মানুষকে দিতে … বিস্তারিত পড়ুন

উন্নয়ন-সম্পর্কিত টানাপোড়েন

শংকর প্রায় দৌড়তে দৌড়তে আসে, ‘ও গোপালদা, আবার সাংবাদিক আইচে! ভরানি খালের পোলের ছবি তোলতেচে।’ গোপাল তখন পরশু দিনের পেপারের উপসম্পাদকীয় পড়ছিল। মাথা তুলল না। এসব কথা শোনায় তার আগ্রহ নেই, তা বলা যাবে না। কিন্তু এখন শংকরকে আগ্রহ দেখানো ঠিক হবে কি না, সেটা ভাবল। শংকরও আচ্ছা সেয়ানা। চৈত্রের দুপুরের রোদ মুখে দিয়ে উঠোনের … বিস্তারিত পড়ুন

দিদার বাড়ি

বিকেল বেলা সমীক স্কুল থেকে ফিরে রানার বাড়ি গিয়ে বলল “কোচিং এ যাবার আগে আজকে আমাকে একবার দিদার বাড়ি ঘুরে যেতে হবে বুঝলি ! মা একটা জিনিস দিয়েছে ,সেটা দিতে। বলছিলাম কি রানা তুইও আমার সাথে চল ,ওখান থেকেই একেবারে আমরা কোচিং এ চলে যাবো। ইতিমধ্যে রানার মা ঘরে এসে সমীক কে দেখে হেসে বললেন … বিস্তারিত পড়ুন

ফেলুদার যোগ্য বউ — প্রথম পর্ব

“তুই কাকে বিয়ে করবি তিতির ? ” সোনা কাকুর প্রশ্নের উত্তরে গল্পের বই থেকে মুখ না তুলেই তিতির জবাব দিল “ফেলুদাকে !”সোনা কাকু হেসে বলল ” সামনের চায়ের দোকানের ফেলুদা ? ” তিতির মাথাটা দুদিকে নাড়িয়ে বলল “না! সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা !” সোনা কাকু বলল “আচ্ছা , কিন্তু কোন ফেলুদা ? সৌমিত্র চ্যাটার্জী ,সব্যসাচী চক্রবর্তী … বিস্তারিত পড়ুন

বিড়ালদের শহর : হারুকি মুরাকামি– প্রথম পর্ব

তেংগো কোয়েনজি স্টেশনে ফিরে আসা দ্রুতগামী ট্রেন চুও লাইনে উঠল। বগিটা ছিল বেশ ফাঁকা। সেদিন কোনো কিছুরই পরিকল্পনা ছিল না তার। কোথায় যাবে আর কী করবে (বা করবে না) তা ছিল পুরোপুরিই তার নিজের মর্জি। সেটা ছিল গ্রীষ্মের এক বাতাসহীন ভোরবেলা আর ছিল প্রখর সূর্যের তাপ। ট্রেনটা শিনজুকু, ইয়ৎসুয়া, ওচানোমিজু পেরিয়ে গেল আর পৌঁছাল টোকিও … বিস্তারিত পড়ুন

বিড়ালদের শহর : হারুকি মুরাকামি–দ্বিতীয় পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন যারা আসত তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত। যদি লোকেরা দিতে না চাইত, তার বাবা তাদেরকে শাসাত কিংবা তোষামোদ করত। যদি তারা না দেওয়ার চেষ্টা করত, তার বাবা গলা চড়াতেন। কখনো কখনো তিনি তাদেরকে পথভ্রষ্ট কুকুরের মতো অভিশাপ দিতেন। তার এসব অভিজ্ঞতা এমন ধরনের বিষয় নয়, যা তার … বিস্তারিত পড়ুন

বিড়ালদের শহর : হারুকি মুরাকামি–তৃতীয় পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন তেংগোর পক্ষে কেবল যে শরীরী বৈশিষ্ট্যের কারণে বাবার সঙ্গে সাদৃশ্য করা কঠিন হতো তা নয়, তাদের মনস্তাত্ত্বিক গড়নও ছিল আলাদা। তার বাবার মধ্যে কখনো এমন কিছুর চিহ্ন দেখা যেত না যাকে বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রহ বলা চলে। সত্য যে, একটা গরিব পরিবারে জন্ম নিয়ে তিনি উপযুক্ত শিক্ষা পান নি। বাবার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!