উড়ন্ত ক্যাঙ্গারু

কত্তো—দিন আগের কথা, সে আর মনে নেই; তবে পৃথিবী তখন কিছুদিন হল তৈরী হয়েছে। একদিন উঠল এক বিশাল ঝড়, জল-স্থলের উপর দিয়ে প্রচণ্ডবেগে ধেয়ে গেল। এতো রেগে ছিল ঝড়টা যে তার পথে যা কিছুই পড়ল, সব কিছুকেই নির্দয়ভাবে ধ্বংস করে দিল সে। কেউ কেউ বলল, এরা হল ঊনপঞ্চাশ পবনের ছেলেপুলের দল যারা সর্বদাই প্রকৃতির নিয়মের … বিস্তারিত পড়ুন

চার ঐক্যবদ্ধ বন্ধু

সে অনেকদিন আগের কথা। বারানসীর এক জঙ্গলে একদিন দেখা গেল এক হাতি, এক বাঁদর, এক খরগোশ আর এক তিতিরপাখির মধ্যে খুব তর্ক -বিতর্ক লেগেছে। তারা একটা গাছের কাছে দাঁড়িয়ে আছে। সারা জঙ্গলে সেরকম গাছ আর দুটি নেই। রসালো, সুস্বাদু, পাকা ফলের ভারে সেই গাছের ডালগুলো সব নুয়ে পড়ছে। ঘন সবুজ পাতায় তার ডাল-পালা গুলি ভরা। … বিস্তারিত পড়ুন

একটা ছোট্ট বুদ্ধিমতী মেয়ে

অনেক, অনেকদিন আগে, রাশিয়ার বিস্তীর্ণ স্তেপ অঞ্চলে একটা ছোট্ট গ্রাম ছিল। সেই গ্রামের অধিবাসীদের ঘোড়া পালন করাই প্রায় সবার অন্যতম জীবিকা ছিল। প্রত্যেক বছরে অক্টোবর মাসে সদর শহরে গবাদি পশুর একটা বিরাট বাজার বসত। একবার কী হল, দুই ভাই, যাদের একজন পয়সাওলা আর একজন গরিব, তারা দুজনে মিলে সেই বাজারে গেল। পয়সাওলা ভাই গেল একটা … বিস্তারিত পড়ুন

বোকা উগংয়ের গল্প

উত্তর চীনের হান ও জিঝু নদীর মধ্যিখানে প্রায় সত্তর মাইল এলাকা জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে কয়েক হাজার ফিট উঁচু তায়হাং-ওয়ান্গু পর্বতদ্বয়। অনেক অনেক কাল আগে ওই পর্বত দুটোর মাঝের সমতল অংশে কুটির বেঁধে বাস করতো এক নির্বোধ বুড়ো। নাম তার উগং।বয়স গড়িয়ে নিরানব্বই ছুঁয়েছে।ছেলেমেয়ে নাতিপুতি নিয়ে এমনিতে বেশ সুখের সংসার।অথচ বুড়োর মনে শান্তি নেই।অশান্তির স্রষ্টা আর … বিস্তারিত পড়ুন

ধূর্ত শেয়াল ও মরা হাঁতির গল্প

একটা জঙ্গলে একটা শেয়াল থাকতো, সে খুবই চালাক ছিল কিন্তু সে বুড়ো হয়ে যাওয়ার জন্য বেশি কাজ করতে পারতো না। কাজ বলতে তো একটাই, শিকার করে খাবার জোগাড় করা। শিকার করতে না পারলে খাবার তো আর আপনা আপনি তার কাছে আসবে না। তাই বুড়ো হওয়া সত্তেও তাকে কোন রকমে নিজেকেই খাবার জোগাড় করতে হত। কোন … বিস্তারিত পড়ুন

মধুসূদন মামার গল্প

একবার এক সময়ের কথা – একটা গ্রামে একটা বিধবা মহিলা বাস করতো, তার আর কেও ছিল না, ছিল একটা ছেলে তার বয়স আট বছর। মহিলাটির নাম ছিল কমলা আর তার ছেলের নাম ছিল বাদল। সেই মহিলা ছিলেন অত্যন্ত গরিব, ভিক্ষা করের তাদের দিন চলতো। তবুও তার ইচ্ছা ছিল তার ছেলেকে লেখাপড়া শেখাবে। তাদের গ্রামে কোন … বিস্তারিত পড়ুন

রাহাপ্পু

(১) “রাহাপ্পুউউউউউউউউ!” সুজানা ভয়ে ভয়ে ডাকছে। রাহানুমা রাগী চোখে তাকালো। “কী হয়েছে?” “আমি ঘুমাবোতো!” “মানা করেছে কে?” “তুমি আসোনা,খাটে বস।” “কেন?তুই ঘুমাতে আমার খাটে বসতে হবে কেন?” বলেই রাহানুমা খাটে এসে বসে। সুজানা এগিয়ে বোনের কোলে মাথা রাখে। তার শিশুসুলভ ভঙ্গীমায় রাহানুমার রাগ পড়ে যায়।”সোনা,তুই এমন করিস কেন? সামির মাথাটা কেন ফাটিয়েছিস?” “ঐ বদ পোলাটা … বিস্তারিত পড়ুন

বীরবলের স্বর্গ যাত্রা

রাজা আকবর মোঘল সাম্রায্যের সব চেয়ে বড় রাজা ছিল। তিনি সবারই সুখ শান্তির কথা মাথায় রেখে তাদের ভালো রাখার চেষ্টা করতেন। তাঁর একজন মন্ত্রী ছিল, নাম বীরবল, সেছিল খুবই বুদ্ধিমান ও আকবরের খুবই বিশ্বস্থ পাত্র। বীরবলের বুদ্ধির কথা সকলেই জানতো তাই আকবরও তাঁকে একটু বেশিই ভালো বাসতেন। আর সেই কারনেই অনেক মন্ত্রী পাত্র মিত্র তাঁকে … বিস্তারিত পড়ুন

অবতার ভোজন করছি –গোপাল ভাড়

শেখ আমীরশাহ খুব বিচক্ষণ জ্ঞানী মৌলবী ছিলেন। মুসলিম শাস্ত্র ছাড়াও হিন্দুশাস্ত্রেও তাঁর বেশ দখল ছিল। তারই জোরে গোপালকে তিনি অনেক সময়ে ঠকাবার চেষ্টা করেন। অবশ্য তার ফলে নিজেই বরাবর জব্দ হতেন । কিন্তু তাতে লজ্জা নেই তাঁর। বার বার গোপালকে ঠকাবার চেষ্টা করেও বুদ্ধিমান গোপালকে কোনমতেই ঠকানো যায় না বরং শেখ আমীরশাহই বারবার ঠকেন। একদিন … বিস্তারিত পড়ুন

এক নেকড়ের গল্প

একদিন এক নেকড়ে খাবারের সন্ধানে বের হলো। কিন্তু সারাদিন খুঁজেও সে খাওয়ার মতো কিছু পেল না। দিন শেষে ক্লান্ত নেকড়েটি যখন ফিরছে, ঠিক তখন পথের ধারের একটি বাড়ি থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ ভেসে এলো। কান্না শুনে নেকড়ে থমকে দাঁড়ালো। ঠিক তখনই বাড়ির ভেতর থেকে একটি নারীকণ্ঠ শোনা গেল। নারীকণ্ঠটি বলছে: “কান্না থামাও। তা না-হলে নেকড়ের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!