দুঃখীকে সুখের সন্ধান দেয়ার এও একটা উপায় –মোল্লা নাছির উদ্দিন

এক লোকের বউয়ের সাথে খুব ঝগড়াঝাটি হতো। বঊটি ছিলো ভীষণ ঝগড়াটে।কোনদিন সে তার স্বামীকে সুখে থাকতে দিতো না। একদিন সেই ভদ্রলোক কোন উপায় না দেখে কিছু পয়সা ও জামাকাপড় পোঁটলায় বেঁধে কোথাও চলে যাওয়ার জন্য মনস্থ করে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো। নাসিরুদ্দিন সেই লোকটিকে মুখ ভার করে রাস্তার ধারে এমনভাবে বসে থাকতে দেখে প্রশ্ন করলেন, ‘ … বিস্তারিত পড়ুন

মোল্লা নাসিরুদ্দিনের নেমন্তন্ন খাওয়া –নাছির উদ্দিন

পাড়ার একজন তাঁকে সুনজরে দেখতেন না। নাসিরুদ্দিন সকলের কাছেই প্রিয় ছিলেন কিন্তু হাবু সাহেবকে কেউ পছন্দ করতেন না, সেই কারণেই তিনি নাসিরুদ্দিনকে হিংসা করতেন । হাবু সাহেবের মেয়ের বিয়ে। পাড়ার সবাইকে নিমন্ত্রণ করেছেন তিনি কিন্তু নাসিরুদ্দিনকে করেন নি। নাসিরুদ্দিনও জেদ ধরলেন যেমন করে হোক নেমন্তন্ন খেতে হবে। মোল্লার বুদ্ধি বের করতে দেরি হল না। একটা … বিস্তারিত পড়ুন

এক দাঁতের রাক্ষসের গল্প

রাক্ষস রাজ্যে আজ খুশির বন্যা বইছে। রাজ্যজুড়ে হুম, হাম, দুম, দাম শব্দ হচ্ছে। রাক্ষসরাজা মন্ত্রীকে ডাকলেন – মন্ত্রী? – জি হুজুর। – শব্দ এতো কম হচ্ছে কেন? শব্দ বাড়াতে হবে। তুমি শব্দের ব্যবস্থা করো। – জি হুজুর। আমি এখনই যাচ্ছি। পুরো রাজ্য এবার টের পাবে, শব্দ কাকে বলে! – ৬০০ বছর পর আমার একটা পুত্র … বিস্তারিত পড়ুন

গল্পটা একটা রাক্ষসের

অভিজিত স্যার জেনেটিক্স ক্লাস নিচ্ছেন। আমরা চুপ করে তার কথা শুনছি। হঠাৎ আমার চোখ ঘুরে গেল সীমার দিকে। সীমা ইশারায় কিছু একটা বলল। ওর ইশারার অর্থ আমি যা বের করলাম, ‘ক্লাস শেষ হউক, বাইরে আয়, তোর খবর আছে।’ এমন ইশারার কারন বুঝতে আমার বেশিক্ষন লাগল না। গতকাল তন্বীর সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি, তাই হয়তো সীমা … বিস্তারিত পড়ুন

রাক্ষস আর রাখালের গল্প

এক দেশে এক রাখাল ছিল। সে খুব সহজ সরল আর প্রান চঞ্চল বালক ছিল। সে দেখতে সুন্দর আর বলবান ছিল। সারাদিন ভেড়া চড়াতো মাঠে আর অবসরে গান গাইত আর বাঁশি বাজাত। তার গান শুনে বনের পশুপাখিরাও মন মুগ্ধ হয়ে সে গান শুনতো। সেই দেশের সবাই রাখালকে অনেক ভালোবাসতো। সে দেশে এক ভয়ংকর রাক্ষস ছিল। সে … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ শিকার

বড়মামার বাড়িতে যাওয়ার জন্যে আমি খুব বায়না করতাম। শুধু আমি নই, আমার সব মাসতুতো ভাইবোনেরা তো বটেই, এমনকি আমাদের বন্ধুরাও কেবল গল্প শুনেই বড়মামার বাড়ি যাওয়ার জন্য তাদের মা বাবাদের জালিয়ে মারত। কেউ কেউ আবার আফসোস করে বলত, ইস, আমারও যদি ওরকম একটা মামা থাকত। আমাদের ছিল কিন্তু গেলেই যে বড়মামার সাথে দেখা হবে এমন … বিস্তারিত পড়ুন

লুকছানার স্কুল যাত্রা—- ড. আবদুল ওয়াহিদ

বনের জীব-জন্তুর বাচ্চারা প্রতিদিন সকালে স্কুলে যায়। কিন্তু ছোট্ট একটু কালো রঙের ভালুক টুমকী স্কুলে যেতো না। সে বলতো : ‘আমার স্কুলে যাবার এবং লেখাপড়া করার দরকার নেই। আমি প্রতিদিন সকালে বনের মধ্যে মিষ্টি মিষ্টি মধু খুঁজে বেড়াবো’। একদিন টুমকী ভাবলো, চাচা খরগোশের কাছে যাওয়া দরকার। তার থেকে মজার মজার গল্প শোনা যাবে। সে গেলো … বিস্তারিত পড়ুন

জ্বীনের দেশে বন্ধু বেশে—- ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ

গাছের আগায় একদল আগুন তখনও খেলা করছিলো। এ গাছ থেকে ও গাছে লাফিয়ে লাফিয়ে যাচ্ছিলো। একটা আগুন লাফিয়ে পড়ছিলো আর একটা আগুনের উপর। ‘হা ডু ডু’ খেলার মতো কখনো বা একটি আগুন একসাথে অনেককে ছুঁয়ে দিতে ব্যস্ত; ভালো করে খেয়াল করলে ‘ছি বুড়ি ছাই’ খেলার মতো মনে হতো। ভূতুড়ে সন্ধ্যায় বাড়ির দেউড়িতে বসে এ দৃশ্য … বিস্তারিত পড়ুন

এক যে আছে নীলপরী—- রমজান আলী মামুন

সূর্যটা একটু একটু করে তেঁতে উঠতেই মা মণিটা ঘুমাতে যাবার জন্যে পাপিয়াকে ডাক দেয়। পাপিয়া তিন তলার সিঁড়ির ধাপে বসে জ্যাঠাতো ভাই রনিকে নিয়ে খেলছিলো। আম্মুর ডাক শুনে ছুটে আসে ঘরে। দেখে মা বদ্ধ ঘরে ঘুমের আয়োজন করছে। অমনি পাপিয়া কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। এই গরমে আমি ঘুমাবো না। আমি বাইরে সাপ-লুডু খেলবো। মা তখন … বিস্তারিত পড়ুন

টুনটুনি আর আমি —– সুহৃদ আকবর

আমাদের বাড়ির নাম চাপরাশী বাড়ি। বড় বাড়ির বড় দরজা। সে আমলে আমাদের বাড়ির অনেক নাম-ডাক ছিল। বাড়ির একপাশে একটি কোমর বাঁকা নারিকেল গাছ। আমার জেঠামশায় রেঙ্গুন থেকে গাছটির বীজ এনে লাগিয়েছেন। নারিকেল গাছটির নিচে অসংখ্য ঝোপঝাড়। সেখানে আছে কয়েকটি ডমুর গাছ। একটি গাছে বাসা বেঁধেছে দুটি টুনটুনি পাখি। টুনটুনি দম্পতি বাসা থেকে ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ বের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!