একজন দুঃখী মানুষের গল্প —- জারাহ জেবিন

চা বাগানের কোয়ার্টারগুলোর মধ্যে রন্জুদের বাসাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর। বাবা-মা, ভাইবোন, কাকু-ফুফু, চাকর-বাকর, গরু-ছাগল, দেশি-বিদেশি আসবাব, সামনে ফুলের বাগান—সব মিলিয়ে ঈর্ষা করার মতো সুখের সংসার।তবে এই সুখের মাঝেই ছিল এক ‘কাঁটা’—রন্জুর কাকিমার পাগলামির রোগ। মাঝেমধ্যে তিনি বেহুশ হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে উদ্ভট কাণ্ড করে বসতেন। এমন সময় পাশের বাসায় বেড়াতে এলেন ছোট খালা পান্না। … বিস্তারিত পড়ুন

ভাই

সূচনাঃসম্পর্কসূচক যতগুলো শব্দ আমরা জানি, তার মধ্যে ‘ভাই’ শব্দটি খুবই নৈর্ব্যক্তিক ও আপেক্ষিক। স্থান-কাল-পাত্র নিরপেক্ষ—ভাই ঢাকা-মক্কা, প্রাচীন-অর্বাচীন, কৃতী-দুষ্কৃতী নির্বিশেষে উপর্যুপরি ব্যবহৃত এবং স্বীকৃত। ভাইয়ের রকমফেরঃদ্বিন-ইসলামের দুর্দিন ঘোচাতে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে সদা প্রস্তুত জিহাদি ভাই।দীক্ষাদাতার কাছে আগত গ্রহীতা, লঘু-গুরু যাই হোক, তারা একে অন্যের গুরুভাই।ওদিকে সুতা, লতা বাহুডোরে বেঁধে সৃষ্ট বন্ধনকে আমরা বলি রাখিভাই।আবার বঙ্গমুলুকে ত্রাসের রাজত্ব … বিস্তারিত পড়ুন

কালো বিড়াল কাণ্ড — শিশির বিশ্বাস

ভোর সকালে বাড়ির কাজের মেয়ে মানদা আবর্জনার বালতি নিয়ে সবে নীচে সিঁড়ির দরজা খুলেছে‚ তারপরেই হাউমাউ চিৎকার‚ ‘হেই মা‚ কী অলক্ষুণে কাণ্ড গো!’ বসার ঘরে বাবা তখন সবে চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছেন। মা কাজে ব্যস্ত। মানদার সেই চিল চিৎকারে সব ফেলে ছুটলেন। বাদ থাকেনি পাপুনও। তারপর ব্যাপার দেখে অবাক। সিঁড়ির মুখে কালো রঙের ছোট এক … বিস্তারিত পড়ুন

যুক্তি-তক্কো-অঙ্ক— তাপস মৌলিক

একেই বলে পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা। শনিবার হোস্টেল থেকে বাড়ি ফিরছি। হাওড়া স্টেশনে কাটোয়া লোকালে উঠেই জানালার ধারের একটা একানে সিট পেয়ে গেলাম। তাও মনটা কেমন খুঁতখুঁত করছিল। কারণ সিটটা ট্রেন যেদিকে যাবে সেদিকে পেছন করে, তার মানে হাওয়া পাব না। এমন সময় আমার উল্টোদিকের বয়স্ক ভদ্রলোক বললেন, “ভাই, তুমি এদিকের সিটটায় বসবে? আমি তাহলে … বিস্তারিত পড়ুন

সাহসী হাসি, দামোদর ভূত

রহস্য গল্প

‘এই হাসি শোন!’কথাটা শুনেই হাসি থমকে দাঁড়ায়। সাহসী মেয়ে হলেও ভয়ও যে কিছুটা পায়নি তা বলা যাবে না। হাসি এদিক ওদিক তাকায়। কেউই নেই। শুধু একটি বিড়াল। কটমট চোখে তাকিয়ে আছে তার দিকে। ডাকল কে? ভুল শুনেছি হয়তো, এ ভেবে হাসি ঘরের দিকে ফেরে। দুপা এগোয়, আবার ডাক, ‘কানে যায় না, শোন!’ এবার ধমক। হাসি … বিস্তারিত পড়ুন

দুই বন্ধুর দেশ ভ্রমণ

দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় এসে পৌঁছালো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো। … বিস্তারিত পড়ুন

অসম বন্ধুত্ব

এক শেয়াল আর এক কুমিরের খুবই বন্ধুত্ব ছিল। শেয়াল ছিল খুবই চালাক আর কুমির ছিল বোকার হদ্দ। এই নিয়ে নানা লোকে নানা কথা বলত। কুমিরের মনে রাগ হল, সে ভাবল একবার আমি শেয়ালকে ঠকিয়ে দেখাবো, সবাইকে দেখাবো আমি কিছু কম চালাক নই। কুমির চালাকি করার জন্য একদিন শেয়ালকে বলল,“বন্ধু শেয়াল, চল ভাই আমরা চাষ করি।” … বিস্তারিত পড়ুন

এক ব্যাঙ ও এক সিংহ

এক ছিল সিংহ। সে একদিন বনের মধ্যের এক ডোবার ধারে দিয়ে যেতে যেতে শুনতে পেল, “টর টর” শব্দ। মনে মনে সিংহটা ভাবল, “কি আওয়াজরে বাবা! কার ডাক? কেমন সে প্রাণী? জন্তুটা না জানি কত বড়? কতটা ভয়ঙ্করই না সে?” সিংহ আবার মনে মনে বলল,“আমি হলাম সিংহ, কি সব তা ভাবছি আমি। আচ্ছা, এগিয়েই ভালো করে … বিস্তারিত পড়ুন

বিশ্বাসঘাতক নেকড়ে

একদা এক গ্রামে এক চাষী ছিল। তার নাম ছিল পাঁচু। পাঁচু ছিল বড়ই দয়ালু। কারো দুঃখ সে সহ্য করতে পারত না। কেউ বিপদে পড়লে অমনি সে বাঁচাতে ছুটে যেত। একদিন হয়েছে কি, পাঁচু যখন ক্ষেতে বড় বস্তা নিয়ে আলু তুলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ দেখতে পেল পাশের বন থেকে একটি নেকড়ে ছুটে ছুটে তার পায়ে এসে পড়ল। … বিস্তারিত পড়ুন

অতি লোভের পরিনাম

এক পাহাড়ের নিচে একটা জলাশয় ছিল, সবসময় জলে ভরে থাকতো। মাছেই ভরে থাকত পুকুরটা।মাছগুলির সঙ্গে থাকতো কিছু কাঁকড়া। বক, চিল সব এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াতো, মাছ ধরতো, কাঁকড়া ধরতো আর খেতো। একদিন একটা বুড়ো বক এক পায়ে দাঁড়িয়ে কাঁদছিল। এমন সময় একটা দাঁড় বেয়ে বেয়ে সে পথ দিয়ে যাচ্ছিল। বকের কান্না দেখে সে থমকে দাঁড়াল। বলল, … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!