নোট ভাঙালে কাঁঠালপাতা—- মনোজ বসু

সাধুচরণ দিনমানে রেজেস্ট্রি-অফিসে দলিলপত্র লেখে, সন্ধ্যার পর ঠাকুরঘরে খিল এঁটে জপতপ সাধন-ভজনে মেতে যায়। ওরই মধ্যে কিঞ্চিত্‌ ঘুমিয়েও নেয় বইকি-নইলে আবার বেলা দশটায় অফিসে গিয়ে কলম ঠেলবে কি করে? এক রাত্রে স্বপ্নের মধ্যে কে যেন বলল, জঙ্গলে কাঁটাবনের মধ্যে আমায় ফেলে দিয়েছে, বড্ড কষ্টে আছি। তুমি আমায় উদ্ধার করে নিয়ে যাও সাধুচরণ। ভোর হতে না … বিস্তারিত পড়ুন

পিসীমার পোষা বাঘ—- শরত্কুমার মুখোপাধ্যায়

আমার স্কুলের বন্ধুরা বিশ্বাস করে না, কিন্তু তোমরা ভাই নিশ্চয় করবে। আমার পিসীমার বাড়িতে একটা পোষা বাঘ আছে। সত্যিকারের বাঘ-পটুদা স্বচক্ষে দেখেছে। বাঘটা বাড়িতেই থাকে। চেন-টেন দিয়ে বাঁধা নয়, একেবারে খোলা। ঘরের কাজকর্ম করে। পিসীমারই ঘরের মেঝেয় মাদুর পেতে শোয় রাত্তিরবেলা। পিসীমা বলেন, ঘুসুড়ির মহারাজা রায়বাহাদুর নিঃশেষ চোধুরী বাঘটা তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, বৌঠান আমরা … বিস্তারিত পড়ুন

রাত গভীর—– হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

দোষ আমারই। বন্ধুর বোনের বিয়ে। যাব আর খেয়ে চলে আসব, এই ঠিক ছিল। কিন্তু গিয়েই মুস্কিলে পড়লাম। বন্ধু অকান্তে ডেকে হাত দুটো ধরে বলল, উদ্ধার করে দে ভাই, ভীষণ বিপদে পড়েছি। কি আবার হ’ল? পাড়ার ছেলের দল পরিবেষণ করবে ঠিক ছিল, কিন্তু তাদের মধ্যে একদল বেপাড়ার জলসা শুনতে চলে গেছে। লোক কম। তোদের হাত লাগাতে … বিস্তারিত পড়ুন

সব ঘোড়াই কথা বলে —– বরেন গঙ্গোপাধ্যায়

গাবার জ্যেঠামশাই দুন্দুভি মুখুজ্যে হঠাত্‌ একদিন একটা ঘোড়া কিনে ফেললেন। গ্রামের শেষ প্রান্তে গো-হাটা, সেখানে বেদে বেদেনীরা মাঝে সাঝে ঘোড়া বিকোতে আসে, সেদিনও এসেছিল। দুন্দুভি মুখুজ্যে দেখলেন ক্রিম ক্র্যাকার বিস্কুটের মতো রঙ, চমত্‌কার একটা ঘোড়া। এগিয়ে এসে দরদস্তুর করলেন, দরেও বনে গেল। ব্যাস, আর যায় কোথায়! করকরে টাকা বার করে ঘোড়াটা কিনে ফেললেন। বেদে বলল, … বিস্তারিত পড়ুন

নিজে ভালো হলে সবাই ভালো

সিকান্দার শাহ ছিলেন রোমের বাদশাহ। দিগ্বিজয়ী, পরাক্রান্ত, সৎ ও নিপুণ যোদ্ধা ছিলেন তিনি। পৃথিবীর বহুদেশ জয় করেছিলেন। প্রজারা তাঁকে দারুণ শ্রদ্ধা করত। একবার কয়েকজন লোক সিকান্দার শাহকে জিজ্ঞেস করলেন—“আপনি একজন বিশ্ববিজয়ী বীর। আপনার আগেও অনেক বাদশা ছিলেন রোমে। তাদেরও সৈন্যদল ছিল। তারা যুদ্ধ করতেন। কিন্তু তারা আপনার মতো সুনাম অর্জন করতে পারেননি। তারা আপনার মতো … বিস্তারিত পড়ুন

সকলেই-পরাধীন

মরুভূমির পথ ধরে দীর্ঘ উটের কাফেলা। সারি সারি ছোট-বড় উট। দীর্ঘ, অফুরন্ত রাস্তা ধরে তারা চলছে। ক্লান্ত উটের দল পথে বিশ্রাম নিতে বসল। তখন এক উটের বাচ্চা তার মাকে হতাশ স্বরে বলল—“মা, আমার হাতে যদি লাগাম থাকত, আমি কখনই এই কাফেলার সঙ্গে এইভাবে বোঝা বহন করতাম না। হায়, আমার কী দুর্ভাগ্য! আমার কোনো স্বাধীনতা নেই। … বিস্তারিত পড়ুন

দুষ্টু মিন্টু

আমি তখন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি। তখন আমাদের ক্লাসে ছিল এক দুষ্টু ছেলে। তার নাম মনির হোসেন মিন্টু। সে সব সময় স্যারদের ক্লাসে পড়া জিজ্ঞাসা করলে উল্টাপাল্টা জবাব দিত। অবশ্য তার জবাবে যুক্তি থাকে। একদিন ক্লাসে বিজ্ঞান স্যার আমাদেরকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সর্ম্পকে বোঝাচ্ছিলেন। তিনি অনেকবার বুঝানোর পর স্যার একে একে সবাইকে বললেন, আম পাকলে আকাশের দিকে … বিস্তারিত পড়ুন

বিড়ালনামা

এক সকালে নাস্তার টেবিলে অবন্তি শুভকে জানায় সে একটা বিড়াল পালবে। কথাটা শুনে আমের জেলি মিশিয়ে পাউরুটি খেতে-থাকা শুভর মুখ হঠাৎ থেমে যায় এবং একই সাথে চোখ ছোট করে তাকায়। অবন্তি তখন তার হঠাৎ-জাগা এমন খেয়ালের কারণটা লাজুক হেসে শুভর কাছে খোলাসা করে। গতরাতে ঘুমের মধ্যে নাকি তার অনেক খাটাখাটনি গেছে। স্বপ্নে একটি বিশাল ধেড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

খরগোশের থিসিস লেখা

দৃশ্য ১: বনের মধ্যে চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল এক দিন। খরগোশটি তার নিজের গর্ত থেকে বের হয়ে কম্পিউটার চালু করে, ওপেন অফিসের ওয়ার্ড খুলে টাইপ করতে লাগল। হাঁটতে বেরিয়ে খরগোশকে দেখে পা টিপে টিপে তার কাছে এল এক শেয়াল। শেয়াল: [থাবা বের করে ধূর্ত হাসি দিয়ে] কী করছিস তুই? খরগোশ: থিসিস লিখছি আমার, আগামী পরশু জমা দিতে … বিস্তারিত পড়ুন

তুলতুলের এডভেঞ্চার

একমনে গোল একুরিয়ামটায় রাখা ছোট্ট গোল্ডফিসটার ছোটাছুটি দেখছে তুলতুল। মনটা ভীষণ খারাপ ছোট্ট তুলতুলের আর তাই কিছুই করতে ইচ্ছে হচ্ছে না ওর। এজন্য কিছুক্ষণ পর পর ড্রয়িংরুমে এসে সে গোল্ডফিসটা দেখছে। মাছটা খুব প্রিয় ওর,গত জন্মদিনে বাবা উপহার দিয়েছিলো ওকে। তুলতুলের সাথে মিলিয়ে নাম ও দিয়েছিলো একটা “চুলবুল”। বাবা টা ভীষণ দুষ্ট,আপনমনে বলতে বলতে হেসে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!