চার শহীদের মা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

কাদেসিয়া প্রান্তর। পারস্য সম্রাটের সাথে ক্ষুদ্র মুসলিম বাহিনীর এক ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। তদানীন্তন আরবের সর্বশ্রেষ্ঠা মহিলা কবি খানসা তাঁর চার ছেলে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে এসেছেন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই খানসা তাঁর ছেলেদের কাছে ডেকে বলে দিয়েছিলেন, “তোমাদের আমি বহুকষ্টে গর্ভে ধারণ করেছি, বহু দুঃখ বিপদের ভেতর দিয়ে মানুষ করে তুলেছি, এখন আমার কথা শোন, সত্যের জন্য … বিস্তারিত পড়ুন

ফোরাত তীরে সত্যের সৈনিক—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬৮০ সন। আমীর মু‘আবিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। পিতার সিংহাসনে বসেছেন ইয়াযিদ। হযরত মু‘আবিয়া এবং ইয়াযিদ ইসলামের গণতন্ত্র, ইসলামের খিলাফতকে রাজতন্ত্রে পরিণত করলেন এইভাবে। সাধারণের রাজকোষ –বাইতুল মাল পরিণত হল ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে। ইয়াযিদের খলীফা পদে আসীন হওয়া একদিকে ছিল স্বীকৃত চুক্তির খেলাফ, অন্যদিকে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইয়াযিদ ইবন মু‘আবিয়ার এই আচরণের তীব্র প্রতিবাদ করলেন হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

জাহাজ পোড়ানো তারিক—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৭১১ সন। মুসলিম সেনাপতি তারিক ইবন যিয়াদ ভূমধ্য সাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের মাটি জিব্রালটারে পা রাখলেন। তাঁর সাথে ৭শ সৈন্যের এক ক্ষুদ্র বাহিনী। এ ক্ষুদ্র বাহিনী স্পেনরাজ রডারিক হেসেই আকুল। সাগর-উর্মির ন্যায় বিপুল রডারিকের সৈন্যের মুকাবিলায় দাঁড়িয়ে মুসলিম সৈনিকের মনেও অজ্ঞাতে নানা প্রশ্ন ভিড় জমিয়েছিল। কিন্তু সেনাপতি তারিক অচল-অটল। বিজয় আসে সত্য-ন্যায়ের শক্তিতে, সংখ্যাধিক্যে নয়। … বিস্তারিত পড়ুন

যার ভান্ডার শুধু অভাবগ্রস্তদের জন্যই খোলা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

রাজধানী দামেস্ক। খলীফা উমর ইবনে আব্দুল আজিজ তখন খলীফার আসনে সমাসীন। মুসলিম বিশ্বের কয়েকজন খ্যাতনামা কবি এলেন দামেস্কে। তাঁদের ইচ্ছা—অন্যান্য রাজদরবারের মতো উমর ইবনে আব্দুল আজিজের দরবারে গিয়েও খলীফার কিছু স্তুতিগান করে আর্থিক ফায়দা হাসিল করা। তাঁরা অনেক দিন রাজধানীতে থাকলেন। সবাই জানল ব্যাপারটা। কিন্তু খলীফার দরবার থেকে কোনো ডাকসাইটে আহ্বান এলো না। অবশেষে তাঁরা … বিস্তারিত পড়ুন

ধন্য সেই বিধান যা খলীফা পর্যন্ত খাতির করেনা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬৫৮ সাল। হযরত আলী (রা) খলীফার আসনে। তাঁর ঢাল চুরি গেল। চুরি করল একজন ইহুদী। খলীফা আলী কাযীর বিচার প্রার্থী হলেন। কাযী আহবান করলেন দু’পক্ষকেই। ইহুদি খলিফার অভিযোগ অস্বীকার করল। কাযী খলীফার কাছে সাক্ষী চাইলেন। খলিফা হাজির করলেন তাঁর এক ছেলেকে এবং চাকরকে। কিন্তু আইনের চোখে এ ধরণের সাক্ষী অচল। কাযী খলিফার অভিযোগ নাকচ করে … বিস্তারিত পড়ুন

অপরূপ সুন্দরী রাজকন্যা ও এক হাজার দিনার—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

হযরত উসমান (রাঃ)-এর শাসনকাল। নীল ভূমধ্যসাগরের তীরের তারাবেলাস নগরী। পরাক্রমশালী রাজা জার্জিসের প্রধান নগরী এটি। এই পরাক্রমশালী রাজা ১ লক্ষ ২৯ হাজার সৈন্য নিয়ে আবদুল্লাহ ইবন সা‘দের নেতৃত্বাধীন মুসলিম বাহিনীর অগ্রাভিযানের পথ রোধ করে দাঁড়ালেন। স্বয়ং রাজা জার্জিস তাঁর বাহিনী পরিচালনা করছেন। পাশে রয়েছে তাঁর মেয়ে, অপরূপ সুন্দরী সে কন্যা। যুদ্ধ শুরু হলো। জার্জিস মনে … বিস্তারিত পড়ুন

মূর্তির নাকের বদলে মানুষের নাক—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

একদিন আলেকজান্দ্রিয়ার খ্রিষ্টান পল্লীতে হৈচৈ পড়ে গেল। কে একজন গত রাত্রে যীশু খ্রিষ্টের প্রতিমূর্তির নাক ভেঙে ফেলেছে। খ্রিষ্টানরা উত্তেজিত হয়ে উঠল। ধরে নিল তারা যে, এটা একজন মুসলমানেরই কাজ। খ্রিষ্টান নেতারা মুসলিম সেনাপতি আমরের কাছে এলো বিচার ও অন্যায় কাজের প্রতিশোধ দাবি করতে। আমর সব শুনলেন। শুনে অত্যন্ত দুঃখিত হলেন। ক্ষতিপূরণস্বরূপ তিনি প্রতিমূর্তিটি সম্পূর্ণ নতুন … বিস্তারিত পড়ুন

শত্রুকে নিজের তরবারি দান—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

চতুর্থ খলীফা বীরবর আলী। বিস্ময়কর তাঁর শক্তি, সাহস ও উদার্য। এক যুদ্ধের ময়দানে বিপুল বিক্রমে তিনি যুদ্ধ করেছেন। একজন বলিষ্ঠ ও সাহসী সৈন্য তাঁর দিকে অগ্রসর হয়ে প্রচণ্ড বেগে তাঁকে আক্রমণ করল। তুমুল যুদ্ধ চলল। অকস্মাৎ আলীর আঘাতে শত্রুর তরবারি ভেঙে গেল। শত্রুকে অসহায় দেখে আলী তরবারি কোষে ভরলেন। শত্রু মৃত্যুর প্রতীক্ষায়। আলীকে ক্ষান্ত হতে … বিস্তারিত পড়ুন

উবাদা ইবনে সামিতের শপথ রক্ষা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

খলীফা উমার (রাঃ) শাসনকাল। মুয়াবিয়া তখন সিরিয়ার শাসনকর্তা। মদীনার খাযরাজ গোত্রের হযরত উবাদা ইবনে সামিত গেলেন সিরিয়ায়। বাইয়াতে রিদওয়ানে শরীক আনসার উবাদা ইবনে সামিত সত্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দুনিয়ার কোন মানুষকেই ভয় করেন না। সিরিয়ায় ব্যবসা ও শাসনকার্যে কতকগুলো অনিয়ম দেখে তিনি ক্রোধে জ্বলে উঠলেন। দামেশকের মসজিদ। সিরিয়ার গভর্ণর মুয়াবিয়াও উপস্থিত মসজিদে। নামাযের জামাত শেষে হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

ইয়ারমুকে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল যারা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

ইয়ারমুক প্রান্তরে ভীষণ যুদ্ধ চলছে। রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের এটা এক মরণ পণ সংগ্রাম। রোম সাম্রাজ্যের সবচেয়ে নিপুণ সেনাপতি ম্যানোয়েল বা মাহান দুই লক্ষেরও অধিক সৈন্য নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ৪০ হাজার সৈন্যের এক ক্ষুদ্র মুসলিম বাহিনীর উপর। একদিন নয় দুদিন নয়, ৫ দিন যুদ্ধ চলছে। রোমক সৈন্যদের পায়ে শৃঙ্খল লাগানো হয়েছে যাতে তারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাতে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!