অন্যায়ের প্রশ্রয়

একটি ছেলে ছোটোবেলাতেই তার মাকে হারিয়েছিল । ফলে সে তার মাসীর কাছেই বড় হচ্ছিল । তার মা নেই বলে কেউ তাকে কখনো বকাবকি করতো না । মাসী তাকে ‍ূখুবই আদর করত । একদিন ছেলেটি স্কুলের এক সহপাঠির পেন্সিল চুরি করে এনে তার মাসীকে দেখাল, মাসী তাকে তিরস্কার না করে তার প্রশংসাই করলো । ছেলেটি আর … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাধি

একদা এক সতী সাধ্বী স্ত্রীলোক ছিল । আর তার স্বামীটি ছিল ছিল মাতাল । কিছুতেই তার স্ত্রী স্বামীকে মদ খাওয়া ছাড়াতে পারছিল না । একদিন স্ত্রীটি তার স্বামীর এই বদ অভ্যাসটি ছাড়াতে এক ফন্দি আঁটলো । স্বামী মাতাল হওয়ার পর যখন তার ঙ্গানগম্যি বলে আর কিছুই রইল না তখন সে তাকে কাঁধে করে বয়ে নিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

ঠগ

একদা এক গ্রামে এক চতুর স্ত্রীলোক থাকত । সে ডাইনী সেজে দেবরোষ,অপদেবতার দৃষ্টি রূখতে পারে বলে নানা মন্ততন্ত আউড়ে তুকতাক দেখিয়ে জড়িবুটি বিক্রি করে বেশ টাকা রোজগার করত ।তার টাকাও হয়ে গেল প্রচুর । অবশেষে সে ধর্মবিরুদ্ধ কাজ করে বলে একদিন আদালতে অভিযুক্ত হলো । বিচারে তার প্রাণদন্ডের আদেশ দেয়া হলো । আদালত থেকে যখন … বিস্তারিত পড়ুন

ডিম খেকো কুকুর

এক যে ছিলো কুকুর। সে কুকুরের ডিম খেতে ভালোবাসতো। একবার সে ঘুরতে ঘুরতে ডিমের মতো দেখতে কঠিন আবরন যুক্ত একটি ঝিনুক দেখে সেটা ডিম মনে করে মুখে পুরে গপ্ করে গিলে ফেললো। ফলে কিছুক্ষন পরে তার পেটে দারূন যন্ত্রনা শুরু হয়ে গেল। কুকুরটা তখন ভাবল যেমন বুদ্ধি আমার ডিমের মতো দেখতে অন্য জিনিসকে ডিম মনে … বিস্তারিত পড়ুন

বুদ্ধিই বল !

এক যে ছিল কাক। কাকের একবার খুব জল তেষ্টা পেয়েছিল। সেই সকাল থেকে রোদ্দুরে ঘুরে ঘুরে ক্লান্তও হয়ে পড়েছিল সে। গ্রীষ্মকাল। চারিদিকে কোথাও জল নেই। মাটি ফেটে চেীচির। জলাশয়গুলো সব শুকিয়ে গেছিল।হঠাত কাক দেখল দূরে একটা জলের কলসি। সেখানে কোনোমতে উড়ে গিয়ে জল খেতে কলসির ভিতর ঠোঁট ঢোকাল। কিন্তু জলের নাগাল পেল না। কলসিতে অল্প … বিস্তারিত পড়ুন

আত্নপ্রবঞ্চনা

একজন দাম্ভিক লোক গাইয়ে হবে বলে একটা পলস্তারা করা ঘরে তানপুরা নিয়ে সারাদিন গলা সাধতো । দেওয়ালে প্রতিফলিত হয়ে তার কন্ঠস্বর তথন আসল কন্ঠস্বরের চাইতে অনেক জোরালো শোনাতো । সে ভাবতো , আঃ কি সুরালা গলা আমার, এখন তো ফাংশনে নামলেই হয় । এক্কেবারে কেল্লাফতে করে দেবো । এই অহংকার নিয়ে সে একদিন মঞ্চে নেমে … বিস্তারিত পড়ুন

উইল

অনেক অনেক দিন আগেকার কথা। এক ভদ্রলোক তিনটি মেয়ে রেখে মারা গিয়েছিলেন।ভদ্রলোকের তিনটি মেয়ে তিন রকমের ছিল। একটি খুব সুন্দরী আর বিলাসিনী, আর একটি ছিল মিতব্যয়ী আর কঠোর পরিশ্রমী। ক্ষেত খামার নিয়েই সে মাথা ঘামায় তাছাড়া ভালো সুতোও কাটে। তৃতীয় মিয়েটি ছিল বিকলাঙ্গ এবং কুরূপা। ভদ্রলোক মারা যাবার আগে একটি উইল করে গেছিলেন। সে উইলে … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরাউন ও মুসা

মহাপ্লাবনের পর বহুকাল অতিবাহিত হয়েছে। নূহের বংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বংশে একজন পরম ধার্মিক লোক জন্মগ্রহণ করলেন, তাঁর নাম ইসরাইল। তিনি যে দেশে বাস করতেন তার নাম কেনান। মিশরের বাদশাহ ফেরাউন তাঁকে মিশরে এসে বাস করার আমন্ত্রণ করেন। তিনি ইসরাইলকে যথেষ্ট প্রীতির চক্ষে দেখতেন। ফেরাউন কালক্রমে পরলোক গমন করলে অপর একজন ফেরাউন সিংহাসনে উপবেশন করলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

হাজেরার নির্ব্বাসন

হযরত ইব্রাহিম একবার ভ্রমণ করতে বেরিয়ে নানা স্থানে ঘুরতে ঘুরতে হারাম দেশে এসে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে কিচুদিন বাস করার পরে সারা খাতুনকে বিবাহ করবার তার সুযোগ ঘটে। আরো কিছুকাল সেখানে কাটিয়ে তিনি মিশর রাজ্যে গিয়ে সেখানকার সুলতানের আতিথ্য গ্রহণ করলেন। সম্রাট তাঁর সৌজন্য ও সহৃদয়তার পরিচয় পেয়ে অতিশয় আকৃষ্ট হলেন এবং তাঁর ধর্মালোচনায় মুগ্ধ হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

কোরবানি

হযরত ইব্রাহিম বিবি হাজেরাকে নির্বাসন দিয়েছিলেন সত্য, কিন্তু তিনি সারা খাতুনের অনুমতি গ্রহণ করে মক্কা নগরীতে মাঝে মাঝে স্ত্রী ও পুত্র ইসমাইলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যেতেন। একদিন ইব্রাহিত স্বপ্নে দেখতে পেলেন, খোদাতা’লা যেন তাকে কোরবানি করবার জন্যে হুকুম করছেন। পরদিন আল্লাহের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি একশত উট ও দুম্বা কোরবানি করলেন। কিন্তু এ সত্ত্বেও সেদিন রাত্রে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!