মৃত্যু যেখানে মধুর—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২রা হিজরী সনের কথা। ইসলামী রাষ্ট্র তখন সবেমাত্র শিশু। একজন আরব শেখ নবীর (সাঃ) কাছে এক দূত পাঠিয়ে বললেন, “আমার দলের লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে উৎসুক, কিন্তু এখানে উপযুক্ত কোন ধর্ম প্রচারক নেই। আপনি যদি কয়েকজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে এই উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন তবে আমরা বিশেষ বাধিত হবো।” আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কয়েকজন ধর্ম … বিস্তারিত পড়ুন

পতাকাবাহী মুসআব—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মুসআব। ধনীর দুলাল মুসআব। প্রাচুর্যের মধ্যে যাঁর জীবন গড়ে উঠেছে, সেই মুসআব সত্যের পথ, দুঃখের পথ গ্রহণ করে ফকির হলেন। সহায় নেই, সম্বল নেই, আত্মীয়স্বজন তাঁর প্রতি বিরূপ। একমাত্র সম্বল—একমাত্র পাথেয় তাঁর আল্লাহর প্রেম, সত্যের বাণী। তাঁকে বন্দী করে রাখা হলো। বেপরোয়া নির্যাতন চালানো হলো তাঁর দেহ ও মনের উপর। বন্দীর শৃঙ্খল ভেঙ্গে একদিন তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

উহুদ প্রান্তরের প্রথম শহীদ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদ যুদ্ধ সমাগত। মদীনার এক পল্লী–কুটিরে যুদ্ধসাজে সজ্জিত হচ্ছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন হারাম। হাসি যেন তাঁর মুখ থেকে উপচে পড়ছে। যুদ্ধে বের হওয়ার আগে তিনি পুত্র জাবিরকে ডেকে বললেন,“পুত্র! আমার অন্তর বলছে, এ যুদ্ধে আমিই সর্বপ্রথম শাহাদাত বরণ করব।”কথা বলার সময় তাঁর মুখের হাসি দেখে মনে হয়, যেন তিনি ঈদের আনন্দে সামিল হতে … বিস্তারিত পড়ুন

আবদুল্লাহ ও সা’দের আভিলাষ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদের যুদ্ধক্ষেত্র। যুদ্ধের আগের দিন সন্ধ্যা। হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ গিয়ে সা’দ ইবন রাবীকে বললেন,“চল আমরা একত্রে দোয়া করি। আমি দোয়া করব, তুমি ‘আমীন’ বলবে। আবার তুমি দোয়া করবে, আমি ‘আমীন’ বলব।” প্রথমেই প্রার্থনা করলেন হযরত সা’দ। তিনি দুটি হাত উর্ধে তুলে বললেন,“হে আল্লাহ, আগামী কালের যুদ্ধে এক ভীষণ যোদ্ধা আমাকে জুটিয়ে দিন, তাকে যেন … বিস্তারিত পড়ুন

পিতা, পুত্র, স্বামীহারা এক মহিলা—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদের যুদ্ধে রাসূল (সা.) এর বহু প্রিয় সাথী নিহত হলেন। সত্যের জন্য অকুণ্ঠিত চিত্তে তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। সত্যের আহবান তাঁদের উদ্বুদ্ধ করেছে; আম্লান বদনে সকল দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে প্রাণের শিখা অনির্বাণ জ্বালিয়ে রাখতে। মৃত্যু তাঁদের অমর লোকের সঙ্গীত শুনায়। এ সঙ্গীতে সত্যের পরম আনন্দ তাঁরা লাভ করেন। শত বিপদ, আপদ, শত মৃত্যু পার হয়ে তাঁরা … বিস্তারিত পড়ুন

খাব্বাবের আকাংখা—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

একদম প্রাথমিক পর্যায়ে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, খুবাইব তাঁদের মধ্যে একজন। বোধহয় ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে পাঁচ-ছয় জনের পরই তাঁর স্থান হবে। তিনি এক জন মহিলার ক্রীতদাস ছিলেন। সেই মহিলাটি ছিল নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত প্রতিমূর্তি। যখন সে জানতে পারল খুবাইব ইসলাম গ্রহণ করেছেন, তখন তাঁর উপর নির্মম অত্যাচার শুরু হলো। অধিকাংশ সময় তাঁকে নগ্নদেহে তপ্ত বালুর উপর … বিস্তারিত পড়ুন

তাওহীদের মহাবণী গোপন রাখতে পারবনা—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

হযরত আবুযর আরবের গিফার গোত্রের লোক। মক্কা থেকে অনেক দূরে বাস করতেন তিনি। সত্যানুসন্ধানী আবুযর শুনলেন মক্কায় একজন নবী আবির্ভূত হয়েছেন। আবুযর মক্কায় গিয়ে তাঁর সাক্ষাৎ লাভের মনস্থ করলেন। কিন্তু কুরাইশদের শ্যেন দৃষ্টির সামনে তাঁকে খুঁজে বের করে সাক্ষাৎ করা নিরাপদ নয়। তবু আবুযর মক্কায় চললেন। সত্যসন্ধানী আবুযরকে সত্য প্রচারকের সাক্ষাৎ যে পেতেই হবে। মক্কায় … বিস্তারিত পড়ুন

আমি ঠকিনি বন্ধু—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

মক্কার ধনী উমাইয়া। ধনে-মনে সব দিক দিয়েই কুরাইশদের একজন প্রধান ব্যক্তি সে। প্রাচুর্যের যেমন তার শেষ নেই, ইসলাম বিদ্বেষেও তা কোন জুড়ি নেই। শিশু ইসলামকে ধ্বংসের কোন চেষ্টারই সে কোন ত্রুটি করে না। এই ঘোরতর ইসলাম-বৈরী উমাইয়ার একজন ক্রীতদাস ইসলাম গ্রহন করেছে। তা জানতে পারল উমাইয়া। জানতে পেরে ক্রোধে ফেটে পড়ল সে। অকথ্য নির্যাতন সে … বিস্তারিত পড়ুন

উমার হলেন আল ফারুক—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

হযরত উমার (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেই জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল, বর্তমানে মুসলমানদের সংখ্যা কত?” মহানবী (সাঃ)উত্তর দিলেন, “তোমাকে নিয়ে চল্লিশ জন।” উমার বললেন, “এটাই যথেষ্ট। আজ আমরা এই চল্লিশ জনই কা’বা ঘরে গিয়ে প্রকাশ্যে আল্লাহর ইবাদত করব। ভরসা আল্লাহর। অসত্যের ভয়ে আর সত্য চাপা পড়ে থাকতে দেব না।” উমার (রাঃ) সবাইকে নিয়ে উলংগ তরবারি … বিস্তারিত পড়ুন

একটি কাক এবং একটি উপলদ্ধি

কাকটা বিলের ধারে শেওড়া গাছের ডালে বিষণ্ণ মনে বসেছিল। একাধারে সঙ্গী হারানোর তীব্র বেদনা, অপরদিকে ক্ষুধায় আমৃত্যু অনশন! অদূরেই নগ্ন তরুণীর গলিত লাশ ভেসে আছে। গতরটা বেশ তাগড়া! দূর থেকেও স্পষ্ট বোঝা যায়। ভালো করে দেখার জন্য কাকটা দেহটির পাশে গিয়ে কচুরিপানার ডগায় বসল। ছিন্ন পোশাকে দারুণ মানিয়েছে দেহটিকে। খুবলে খুবলে নেওয়া হয়েছে দেহের এক-তৃতীয়াংশ। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!