পরাজিত হুনাইনের বিজয়ের ডাক—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী হুমাইমের পার্বত্য অঞ্চল ‘আওতাস’। আরবের বিখ্যাত হাওয়াযেন ও সাকীফ গোত্র তাদের অন্যান্য মিত্রসহ বিরাট এক বাহিনী নিয়ে সেখানে এসে শিবির গেড়েছে। তারা চায়, মক্কা জয়ী ইসলামী শক্তির উপরে শেষ এবং চূড়ান্ত আঘাত হানতে। তারা সাথে করে নিয়ে এসেছে তাদের নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদেরও। উদ্দেশ্য, এদের বিপদ ও ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যাতে … বিস্তারিত পড়ুন

জিরানা শিবিরের বন্দী মুক্তি—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

তায়েফের সন্নিকটবর্তী জিরানা লোকালয়। হুনাইন যুদ্ধের ছয় হাজার বন্দী এখনও জিরানার মুসলিম শিবিরে বন্দী। তায়েফের অবরোধ শেষ করে মহানবী (সাঃ) ফিরে এলেন জিরানার শিবিরে। জিরানায় যারা বন্দী ছিল, সবাই হাওয়াযেন গোত্রের লোক। হাওয়াযেন গোত্রের একটি শাখা বনু সা’দ। এই বনু সা’দ মহানবীর (সাঃ) দুধমাতা হালিমার কবিলা। এদের সাথেই হেসে-খেলে মহানবীর (সাঃ) শিশুকালের পাঁচটি বছর কেটেছে। … বিস্তারিত পড়ুন

মূতার রণাংগনে আত্মত্যাগ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মুতার যুদ্ধ ক্ষেত্র। সিরিয়ার রোমক শাসক শুরাহবীলের নেতৃত্বে এক লক্ষ রোমক সৈন্য দণ্ডায়মান। যুদ্ধক্ষেত্রে এক লক্ষ সৈন্যের বিরুদ্ধে তিন হাজার মুসলিম মুজাহিদ দাঁড়িয়ে। মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব করছেন যায়েদ ইবনে হারেসা। ঘোরতর যুদ্ধ শুরু হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেনাপতি যায়েদ শহীদ হলেন। মহানবীর (সাঃ) পূর্ব নির্দেশ অনুযায়ী সৈন্য পরিচালনার ভার গ্রহণ করলেন জাফর ইবনে আবী তালিব। এক … বিস্তারিত পড়ুন

বাবলা তলার শপথ —আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬ষ্ঠ হিজরীর জিলকদ মাস। হজ্জযাত্রার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আরবের দিকে। এই মাস থেকে আগামী তিন মাস মক্কাভূতে যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ থাকবে, মানুষ ভুলে যাবে তাদের দ্বেষ-দ্বন্দের কথা। এই উপলক্ষে মহানবী (সাঃ) মক্কায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। ঘোষণা করে দিলেন তাঁর সিদ্ধান্তের কথা। আনন্দ ও উৎসাহের বন্যা বয়ে গেল মদীনায়। নির্দিষ্ট দিন এলো। যাত্রা করলেন মহানবী (সাঃ)। তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

যে মৃত্যু বিজয় আনে—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

আরবের আগুনঝরা মধ্যাহ্ন। ঊর্ধ্বাকাশ থেকে মরু-সূর্য যেন আগুন বৃষ্টি করছে। মরুর লু-হাওয়া আগুনের দাবদাহ নিয়ে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে চারদিক। এমনি সময়ে আগুনঝরা মরুভূমির বুকে নির্যাতন চলছে এক নারীর উপর—সুমাইয়ার উপর। ইসলাম প্রচারের শুরুতেই যাঁরা রাসূলের (সা.) আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন, সুমাইয়া তাঁদেরই একজন। সুমাইয়ার নারীদেহ ভঙ্গুর, স্পর্শকাতর; কিন্তু আত্মা তা অজেয়। বক্ষে তাঁর বিশ্বাস-ঈমানের দুর্জয় শক্তি ও … বিস্তারিত পড়ুন

বড় লাভের ব্যবসা করলে, সুহাইব—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

নবুওয়াতের তখন একদম শিশুকাল। নবুওয়াতের বাতি জ্বলছে। জ্বলছে মক্কার ছোট গণ্ডির মধ্যে। জাহিলিয়াতের অন্ধকার এই আলোকশিখাকে গলাটিপে মারার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টায় রত। কিন্তু নবুওয়াতের আলোকশিখা যে আলোক শিশু তৈরি করেছে, তারা জগতজোড়া সহনশীলতা নিয়ে নীরবে আত্মরক্ষা করছে। এ ধরনেরই এক আলোকশিশু হযরত সুহাইব (রা)। অত্যাচারের স্টিম রোলার চলছে তাঁর উপর। চরম সহনশীলতার প্রতীক সুহাইব সব অত্যাচার … বিস্তারিত পড়ুন

প্রয়োজন চুক্তির চেয়ে বড় হলো না—আমরা সেই সে জাতি –আবুল আসাদ

বদর যুদ্ধের জোর প্রস্তুতি চলছিল তখন মদীনায়। মক্কার দিক থেকে অহরহ খবর এসে পৌঁছাচ্ছে—বিপুল সজ্জা আর বিরাট বাহিনী ছুটে আসছে মদীনার দিকে। কিন্তু তার তুলনায় মদীনায় যুদ্ধ প্রস্তুতি কিছুমাত্র নেই। যুদ্ধের সাজ-সরঞ্জাম যেমন স্বল্প, তেমনি মুসলিম যোদ্ধার সংখ্যাও নগণ্য। প্রতিটি সাহায্য, প্রতিটি সহায়তাকারীকেই তখন সাদরে স্বাগত জানানো হচ্ছিল। এমন সময় হুযাইফা মরুভূমির দীর্ঘ পথ পাড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

মৃত্যু যেখানে মধুর—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২রা হিজরী সনের কথা। ইসলামী রাষ্ট্র তখন সবেমাত্র শিশু। একজন আরব শেখ নবীর (সাঃ) কাছে এক দূত পাঠিয়ে বললেন, “আমার দলের লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে উৎসুক, কিন্তু এখানে উপযুক্ত কোন ধর্ম প্রচারক নেই। আপনি যদি কয়েকজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে এই উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন তবে আমরা বিশেষ বাধিত হবো।” আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কয়েকজন ধর্ম … বিস্তারিত পড়ুন

পতাকাবাহী মুসআব—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মুসআব। ধনীর দুলাল মুসআব। প্রাচুর্যের মধ্যে যাঁর জীবন গড়ে উঠেছে, সেই মুসআব সত্যের পথ, দুঃখের পথ গ্রহণ করে ফকির হলেন। সহায় নেই, সম্বল নেই, আত্মীয়স্বজন তাঁর প্রতি বিরূপ। একমাত্র সম্বল—একমাত্র পাথেয় তাঁর আল্লাহর প্রেম, সত্যের বাণী। তাঁকে বন্দী করে রাখা হলো। বেপরোয়া নির্যাতন চালানো হলো তাঁর দেহ ও মনের উপর। বন্দীর শৃঙ্খল ভেঙ্গে একদিন তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

উহুদ প্রান্তরের প্রথম শহীদ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

উহুদ যুদ্ধ সমাগত। মদীনার এক পল্লী–কুটিরে যুদ্ধসাজে সজ্জিত হচ্ছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন হারাম। হাসি যেন তাঁর মুখ থেকে উপচে পড়ছে। যুদ্ধে বের হওয়ার আগে তিনি পুত্র জাবিরকে ডেকে বললেন,“পুত্র! আমার অন্তর বলছে, এ যুদ্ধে আমিই সর্বপ্রথম শাহাদাত বরণ করব।”কথা বলার সময় তাঁর মুখের হাসি দেখে মনে হয়, যেন তিনি ঈদের আনন্দে সামিল হতে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!