উসমান (রা) কিভাবে খলীফা হলেন—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমার ফারূকের শাহাদাত প্রাপ্তির পর খলীফা নির্বাচন নিয়ে মতানৈক্যের সৃষ্টি হলো। শাহাদাতের পূর্বে হযরত উমারকে (রাঃ) ভাবি খলীফা নির্বাচন সম্পর্কে তাঁর মতামত জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। হযরত উমার (রাঃ) কোন বিশেষ একজনের নাম না করে হযরত আলী (রাঃ), হযরত উসমান (রাঃ), হযরত আবদুর রহমান (রাঃ), হযরত সা‘দ (রাঃ), হযরত তালহা (রাঃ) ও হযরত … বিস্তারিত পড়ুন

সা‘দের প্রাসাদে আগুন—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

সেনাপতি সা’দ ছিলেন মুসলিম বাহিনীর একজন বিখ্যাত অধিনায়ক। তিনি পারস্য জয় করেছিলেন। বিজয়ের পর হযরত উমার (রাঃ) তাঁকে কুফার শাসনকর্তা নিযুক্ত করলেন। সেনাপতি সা’দ তাঁর বিজয় অভিযানে পারস্য সম্রাটের বিলাসবসন ও আরাম-আয়েশের অফুরান নজীর দেখেছেন। কুফা নগরী সাজানোর সময় বোধহয় তাঁর সেই স্মৃতি মনে পড়ল। তিনি নিজের জন্যও সেখানে একটি প্রাসাদ তৈরী করলেন এবং সম্রাট … বিস্তারিত পড়ুন

জর্দানের রোমান শাসকের দরবারে মুয়াজ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

জর্দানের সুন্দর ‘ফাহল’ নগরী। ইরাক-জর্দান এলাকায় এটা রোমানদের শেষ দুর্গ। নিরুপায় রোমক বাহিনী মুসলিম সেনাপতি আবু উবাইদার কাছে সন্ধির প্রস্তাব দিল। সন্ধি সম্বন্ধে আলোচনার জন্য সেনাপতি আবু উবাইদাহ (রা) মুয়াজ ইবন জাবাল (রা)-কে পাঠালেন রোমক শাসক সাকলাবের দরবারে। মুয়াজ দরবারে পৌঁছলে সাকলাব তাঁকে পরম সমাদরে একটি কারুকার্যখচিত আসনে বসবার জন্য অনুরোধ করলেন। কিন্তু মুয়াজ দরবারের … বিস্তারিত পড়ুন

নীতিই উর্ধ্বে স্থান পেলো —আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মক্কার কিছু দূরে হুদাইবিয়া গ্রাম। বিরাট এক বৈঠক বসেছে। বৈঠকে রয়েছেন মহানবী (সাঃ) এবং উল্লেখযোগ্য সব সাহাবি। মুশরিক কুরাইশদের পক্ষ থেকে রয়েছেন কয়েকজন প্রভাবশালী সরদার। হুদাইবিয়ার শর্তাবলি চূড়ান্ত হয়েছে, কিন্তু তখনও লেখা শুরু হয়নি। এমন সময় মক্কা থেকে আবু জান্দাল এসে সেখানে হাজির হল। তাঁর হাতে-পায়ে শিকল, সারা গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন। মুসলমান হওয়ার অপরাধে তাঁকে … বিস্তারিত পড়ুন

পরাজিত হুনাইনের বিজয়ের ডাক—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী হুমাইমের পার্বত্য অঞ্চল ‘আওতাস’। আরবের বিখ্যাত হাওয়াযেন ও সাকীফ গোত্র তাদের অন্যান্য মিত্রসহ বিরাট এক বাহিনী নিয়ে সেখানে এসে শিবির গেড়েছে। তারা চায়, মক্কা জয়ী ইসলামী শক্তির উপরে শেষ এবং চূড়ান্ত আঘাত হানতে। তারা সাথে করে নিয়ে এসেছে তাদের নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদেরও। উদ্দেশ্য, এদের বিপদ ও ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যাতে … বিস্তারিত পড়ুন

জিরানা শিবিরের বন্দী মুক্তি—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

তায়েফের সন্নিকটবর্তী জিরানা লোকালয়। হুনাইন যুদ্ধের ছয় হাজার বন্দী এখনও জিরানার মুসলিম শিবিরে বন্দী। তায়েফের অবরোধ শেষ করে মহানবী (সাঃ) ফিরে এলেন জিরানার শিবিরে। জিরানায় যারা বন্দী ছিল, সবাই হাওয়াযেন গোত্রের লোক। হাওয়াযেন গোত্রের একটি শাখা বনু সা’দ। এই বনু সা’দ মহানবীর (সাঃ) দুধমাতা হালিমার কবিলা। এদের সাথেই হেসে-খেলে মহানবীর (সাঃ) শিশুকালের পাঁচটি বছর কেটেছে। … বিস্তারিত পড়ুন

মূতার রণাংগনে আত্মত্যাগ—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

মুতার যুদ্ধ ক্ষেত্র। সিরিয়ার রোমক শাসক শুরাহবীলের নেতৃত্বে এক লক্ষ রোমক সৈন্য দণ্ডায়মান। যুদ্ধক্ষেত্রে এক লক্ষ সৈন্যের বিরুদ্ধে তিন হাজার মুসলিম মুজাহিদ দাঁড়িয়ে। মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব করছেন যায়েদ ইবনে হারেসা। ঘোরতর যুদ্ধ শুরু হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেনাপতি যায়েদ শহীদ হলেন। মহানবীর (সাঃ) পূর্ব নির্দেশ অনুযায়ী সৈন্য পরিচালনার ভার গ্রহণ করলেন জাফর ইবনে আবী তালিব। এক … বিস্তারিত পড়ুন

জিহাদ থেকে বিরত রাখার জন্য আয়াত নাযিল করতে হলো—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

৬৩৫ সাল। নভেম্বর মাস। আরবে তখন ভীষণ দুর্ভিক্ষ। তার উপরে অবিশ্বাস্য রকমের গরম। বালুময় দেশ আরব। এই বালুর উপরই নামছে আগুনঝরা রৌদ্র। মরুভূমি-প্রান্তের শীর্ণ গাছগুলো ঝলসে যাচ্ছে। একদিকে দুর্ভিক্ষ, অন্যদিকে অসহ্য গরম, এই দুইয়ে মিলে গোটা আরবে একটা অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এমনি সময়ে এক চাঞ্চল্যকর সংবাদ এল মদীনায়। মারাত্মক সংবাদ। সিরিয়া থেকে সদ্য ফিরে … বিস্তারিত পড়ুন

মহানবীর (সাঃ) দূত মাথায় এক টুকুর মাটি নিয়ে ফিরলেন—আমরা সেই সে জাতি –– আবুল আসাদ

পারস্য সম্রাট খসরু তখন সিংহাসনে সমাসীন। তাঁর প্রতাপে চারদিক প্রকম্পিত। ভাণ্ডারে তাঁর অফুরন্ত হীরা, জহরত, মণিমুক্তা। গর্বিত সম্রাট ভাবেন, তাঁর সাম্রাজ্য যেমন অজয় অক্ষয়, তেমনি তাঁর সম্পদেরও কোনো শেষ নেই। এই সম্রাট খসরুর কাছেই গেলেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)। সম্রাট খসরুকে আহ্বান জানিয়েছিলেন সত্যের পথে। সম্রাট খসরু মহানবীর সে চিঠি পাঠ করলেন। পাঠ করে ক্রোধে ফেটে পড়লেন। … বিস্তারিত পড়ুন

গুরুর শিক্ষা

হযরত সুলতান নিজামুদ্দিন (রঃ) এর যামানায় দিল্লিতে এক হিন্দু সাধু বাস করতেন। তিনি এমন এক অনুশীলন করেছিলেন যে রোগীর উপর দৃষ্টি নিবন্ধ করলে তার রোগ দূর হয়ে যেতো। একবার হযরত নিজামুদ্দীন (রঃ) এর অসুখ হলো। তিনি মাঝে মাঝে বেহুশ হয়ে পড়তেন। হুশ হওয়ার পর খাদেম গন একবার আরজ করলেন যে যদি অনুমতি দান করেন তবে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!