বেনে বউ এর কথা

   সে অনেক কাল আগের কথা । এদেশের কোন এক গ্রামে বাস করত এক বেনে বা বণিক পরিবার ।   বাবা,মা আর ছেলে ও তার বউ নিয়ে ছোট্ট সংসার । বুড়ো বেনের মত তার ছেলেও ছিল অনেক ভাল  বণিক । গ্রামের মাঝে বেশ ধনী ছিল তারা। সারা বছর বাবা আর ছেলে মিলে দেশ বিদেশ ঘুরে … বিস্তারিত পড়ুন

দুই ভাই–কোরিয়ার রূপকথা

সে অনেক কাল আগের কথা । এক দেশে বাস করত দুই ভাই । বড় ভাই এর নাম ছিল নলবু আর ছোট ভাই এর নাম ছিল  হাংবু । দুই ভাই হলে কি  হবে তারা দুজন চরিত্র ,আচার আচরণ আর স্বভাবে  ছিল একে  অন্যের  বিপরীত । বড় ভাইটি ছিল অনেক ধনী কিন্তু অত্যন্ত লোভী আর প্রতিহিংসা পরায়ণ … বিস্তারিত পড়ুন

অচিনপুরের কল্পকথা

অচিনপুর গ্রামটাকে ম্যাপে খুঁজলে পাওয়া যাবে না – ছোট্ট নদী রঙ্গিনীর একটা বড় বাঁকের মধ্যে প্রায় লুকিয়ে আছে যেন রঙ্গিনী গ্রামটাকে নিজের বুকের মধ্যে ‘সাত রাজার ধন এক মানিকের’ মত আগলে রেখেছে। গ্রামের তিন দিক দিয়ে বয়ে চলেছে রঙ্গিনী তবে যত বর্ষাই হোক না কেন গ্রামকে কখনই ভাসিয়ে নিয়ে যায় না বরং মাটিকে সমস্ত বছর … বিস্তারিত পড়ুন

সত্যি নয় রুপ কথা

সে অনেক অনেক দিন আগের কথা (?) এক দেশে এক রানি পুত্র ছিল । তার ক্ষুধা ছিল গণেশ এর মত । সারা দিন শুধু খাই খাই । ম্যর্ত বাসির ভাগ্য ভালছিল তাই দেবতাগন গণেশ কে ঘুম পাড়িয়ে রাখে সারা বছর । তা নাহলে গণেশ এর খাদ্য জোগাড় ম্যর্ত বাসির জীবণ যেতো । কিন্তু সেই দেশ … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ১৪তম উপাখ্যান

  পরদিন সকালে চতুর্দশ পুতুল বললো, মহারাজ, আমার নাম বিদ্যাবতী, বিক্রমাদিত্য সম্বন্ধে আমার কিছু বলার আছে। বিক্রমাদিত্যের দেশ ভ্রমণের অভ্যাস ছিল। একবার তিনি ঠিক করলেন পৃথিবীতে কোথায় কি আশ্চর্য জিনিস আছে, কোথায় কোন তীর্থে কোন দেবতা আছেন দেখবেন। এই ভেবে তিনি যোগীর বেশে দেশ পর্যটনে বেরিয়ে পড়লেন। একসময় তিনি এক নগরে এসে পৌঁছলেন। সেই নগরের … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান ১৫তম অংশ

এবার পঞ্চদশ পুতুল বললো, রাজন, আমার নাম নিরুপমা, বিক্রমাদিত্যের পুরোহিতের নাম বসুমিত্র। তিনি দেখতে ছিলেন অত্যন্ত রূপবান আর গুণে ছিলেন সকল বিদ্যায় পারদশী ! সেই কারণে রাজার অত্যন্ত প্রিয়পাত্র ছিলেন। তিনি রাজ্যের সকল লোকের উপকার করতেন। শাস্ত্রে আছে, গঙ্গাস্নান ভিন্ন অন্য কোন উপায়ে পবিত্র হওয়া যায় না। তপস্যা, ব্রহ্মচর্য, যজ্ঞ বা দানের দ্বারা সদগতি লাভ … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যানঃশেষ অংশ

বিক্রমাদিত্য ক্রমে খুবই শক্তিশালী হয়ে উঠলেন। তাল বেতাল সঙ্গে থাকায় কেউ আর তাঁর সমকক্ষ হতে পারল না। আন্তে আস্তে তিনি সমগ্র পৃথিবীর রাজা হয়ে উঠলেন । বিশ্বামিত্র মুনি একবার কঠোর তপস্যা শুরু করেন। এই তপস্যা ভঙ্গের জন্য দেবরাজ ইন্দ্র রম্ভা ও উর্বশীকে ডেকে বললেন, তোমাদের মধ্যে যে বিশ্বামিত্রের তপস্যা ভাঙতে পারবে তাকে আমি অনেক পুরস্কার … বিস্তারিত পড়ুন

পটলার বনভ্রমণ –১ম অংশ

সুখে থাকতে ভূতে কিল মারে বলে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে। মানে সংসারে বেশ কিছু মানুষ আছে তারা সুখে-শাস্তিতে থাকতে চায় না। যেভাবেই হোক কোনো একটা অশান্তিকর ব্যাপারে জড়িয়ে পড়বেই। কথাটা আমাদের বন্ধুপটলার বেলাতে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। নিজে তো অশান্তিতে জড়াবেই, আর সেই সঙ্গে পঞ্চ পাণ্ডব ক্লাবের আমাদের বাকি চারজনকেও জড়াবে। বেশ ছবির মতো সুন্দরই সবকিছু ছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

পটলার বন ভ্রমন — ২য় অংশ

  এসব ছাড়াও এবার ভূধর অজয়বাবুর সম্পদ দখল করার জন্যই তাকে সস্ত্রীক টানা গাড়িতে করে এই গভীর বনের মধ্যে বাংলোয় এনেছে। অজয়বাবু, মানসীদেবী শহরের ভিড় থেকে দূর নির্জনে এই বনবাংলোয় এসে খুশিই হন। তবে সবকিছু তো একসঙ্গে মেলে না। বাংলোয় ওঁরা বাইরে থেকে চাল, ডাল, তেল, ঘি, মালপত্র মাছ, সবই এনেছেন। এখানের বাংলায় কাজের লোকের … বিস্তারিত পড়ুন

পটলার বন ভ্রমন– শেষ অংশ

  ভূধর জানে কিসের ব্যবসার কথা বলছে ভজনলাল। ভূধর বলে, কই আর চলছে। হাতির দাঁত, বাঘের চামড়ার বহুৎ ডিমান্ড! মাল মিলছে না! ভজনলাল এককালে ছিল বনের চোরাশিকারি। যেমন সাহস আর তেমনি তার অব্যর্থ লক্ষ্য। অতীতে বহু শিকার করেছে রাজা-জমিদারদের জন্য। পরে শিকার নিষিদ্ধ হতে সে চোরা কাঠের কাজ আর চোরাশিকার করছে তার লোকজন দিয়ে। মন্দিরের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!