বাঘের পালকি চড়া | উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

বাঘ কিনা মামা আর শিয়াল কিনা ভাগ্নে, তাই দুজনের মধ্যে বড্ড ভাব। শিয়াল একদিন বাঘকে নিমন্ত্রণ করল, কিন্ত তার জন্যে খাবার কিছু তয়ের করল না! বাঘ যখন খেতে এল, তখন তাকে বললে, ‘মামা, একটু বস। আর দু-চারজনকে নিমন্ত্রণ করেছি, তাদের ডেকে নিয়ে আসি।’ এই বলে শিয়াল চলে গেল, আর সে রাত্রে ফিরল না। বাঘ সারারাত … বিস্তারিত পড়ুন

দোয়েল এবং প্রজাপতিটা রাগ করেছিলো | আবেদীন জনী

খুকির নাম টুসটুসি। খুব পুচ্চি খুকি। কেবল অ আ ক খ পড়ে। তার একটা বর্ণমালার বই আছে। বইটা খুব সুন্দর। পাতায় পাতায় রঙিন বর্ণমালা। রঙিন রঙিন ছবি। প্রজাপতির ছবি। পাখির ছবি। ফুলের ছবি। হাঁসের ছবি। গাছের ছবি। মাছের ছবি। আরও অনেক অনেক ছবি। জানালার পাশে বসে টুসটুসি বর্ণমালার বই পড়ে। প্রতিদিন। সকাল-বিকেল। জানালার ওপাশেই একটি … বিস্তারিত পড়ুন

এক জোলার রাজার জামাই হওয়ার কাহিনী-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক জোলা ছিল সে পিঠে খেতে বড় ভালবাসত। একদিন সে তার মাকে বলল, ‘মা, আমার বড্ড পিঠে খেতে ইচ্ছে করছে,আমাকে পিঠে করে দাও।’ সেইদিন তার মা তাকে লাল-লাল, গোল-গোল, চ্যাপটা-চ্যাপটা সাতখানি চমৎকার পিঠে করে দিল। জোলা সেই পিঠে পেয়ে ভারি খুশি হয়ে নাচতে লাগল আর বলতে লাগল, ‘একটা খাব, দুটো খাব, সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’ … বিস্তারিত পড়ুন

একটা আষাঢ়ে গল্প-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-১ম অংশ

দূর সমুদ্রের মধ্যে একটা দ্বীপ । সেখানে কেবল তাসের সাহেব , তাসের বিবি , টেক্কা এবং গোলামের বাস । দুরি তিরি হইতে নহলা-দহলা পর্যন্ত আরো অনেক-ঘর গৃহস্থ আছে, কিন্তু তাহারা উচ্চজাতীয় নহে । টেক্কা সাহেব গোলাম এই তিনটেই প্রধান বর্ণ, নহলা-দহলারা অন্ত্যজ- তাহাদের সহিত এক পঙ্‌ক্তিতে বসিবার যোগ্য নহে । কিন্তু, চমৎকার শৃঙ্খলা । কাহার … বিস্তারিত পড়ুন

একটা আষাঢ়ে গল্প-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-২য় অংশ

এমনি তো কিছুকাল যায় । কিন্তু এই তিনটে বিদেশী যুবক কোনো নিয়মের মধ্যেই ধরা দেয় না । যেখানে যখন ওঠা , বসা , মুখ ফেরানো , উপুড় হওয়া , চিৎ হওয়া , মাথা নাড়া , ডিগবাজি খাওয়া উচিত , ইহারা তাহার কিছুই করে না বরং সকৌতুকে নিরীক্ষণ করে এবং হাসে । এই – সমস্ত যথাবিহিত … বিস্তারিত পড়ুন

একটা আষাঢ়ে গল্প-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-তৃতীয় অংশ

মাথার উপরে পাখি ডাকিতে থাকে , বাতাস অঞ্চল ও অলক উড়াইয়া হূহু করিয়া বহিয়া যায় , তরুপল্লব ঝর্‌ঝর্‌ মর্‌মর্‌ করে এবং সমুদ্রের অবিশ্রাম উচ্ছ্বসিত ধ্বনি হৃদয়ের অব্যক্ত বাসনাকে দ্বিগুণ দোদুল্যমান করিয়া তোলে । একটা বসন্তে তিনটে বিদেশী যুবক আসিয়া মরা গাঙে এমনি একটা ভরা তুফান তুলিয়া দিল ।   রাজপুত্র দেখিলেন , জোয়ার-ভাঁটার মাঝখানে সমস্ত … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাঙের রাজা

রাজবাড়িতে যাবার যে পথ, সেই পথের ধারে প্রকাণ্ড দেয়াল, সেই দেয়ালের একপাশে ব্যাঙেদের পুকুর। সোনাব্যাং, কোলাব্যাং, গেছোব্যাং, মেঠোব্যাং— সকলেরই বাড়ি সেই পুকুরের ধারে। ব্যাঙেদের সর্দার যে বুড়ো ব্যাং, সে থাকে দেয়ালের ধারে, একটা মরা গাছের ফাটলের মধ্যে, আর ভোর হলে সবাইকে ডাক দিয়ে জাগায়— “আয় আয় আয়— গ্যাঁক্‌ গ্যাঁক্‌ গ্যাঁক্‌— দেখ্‌ দেখ্‌ দেখ্‌— ব্যাং ব্যাং … বিস্তারিত পড়ুন

চড়াই আর কাকের কথা

কাক আর চড়াইপাখিতে খুব ভাব ছিল। গৃহস্থদের উঠানে চাটাই ফেলে ধান আর লঙ্কা রোদে দিয়েছে। চড়াই তা দেখে কাককে বললে, ‘বন্ধু, তুমি আগে লঙ্কা খেয়ে শেষ করতে পারবে, না আমি আগে ধান খেয়ে শেষ করতে পারব?’ কাক বললে, ‘না, আমি লঙ্কা আগে খাব।’ চড়াই বললে, ‘না, আমি ধান আগে খাব।’ কাক বললে, ‘যদি না খেতে … বিস্তারিত পড়ুন

ঘুঘু দেখেছ,ফাঁদ দেখনি

বাপ মরিয়া গিয়াছে। ঘুঘু আর ফাঁদ দুই ভাই। কি একটা কাজে দুই ভাইয়ের লাগিল মারামারি। ফাঁদ রাগিয়া বলিল,“তুই ঘুঘু দেখিয়াছিস কিন্তু ফাঁদ দেখিস নাই।” ঘুঘু গোসা করিয়া বাড়ি হইতে পালিয়া গেল।বিদেশে যাইয়া সে এ বাড়ি সে বাড়ি,কত বাড়ি ঘুরিল।আমি ধান নিড়াইতে পারি- পাট কাটিতে পারি-গরুর হেফাজত করিতে পারি কিন্তু কার চাকর কে রাখে! দেশে বড় … বিস্তারিত পড়ুন

গম্ভীর রানীর গল্প

অনেক দিন আগের কথা, চীন দেশে ছিল এক রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, রাজ্যজুড়ে সুখ আর শান্তি। রাজার প্রজা, প্রতিপত্তি—সবই ছিল। ছিল না শুধু মনে সুখ। রাজার খালি-খালি একা লাগত। আসলে সেই দেশের রাজার সব ছিল, ছিল না শুধু এক রানী। তাই এই মনের অসুখ। একদিন রাজা ঠিক করলেন যে, তিনি সৈন্য-সামন্তদের নিয়ে বের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!