খুলির আর্তনাত

মাঝে মাঝে বস্তুটাকে আমি চিল্লাতে শুনি।আরে না না,আমি ভিতু নই।কল্পনাশক্তির দৌড়ও বেশি আমার।সবচেয়ে বড় কথা আমি কখনো ভূতে বিশ্বাসটিশ্বাসও করিনি।অবশ্য আ বস্তুটা ভুত হলে অন্য কথা।তবে জিনিস টা যাই হোক না কেন এটা লিউক প্যাটকে যতোটা ঘেন্না করতে আমাকেও ততটাই করে। আমায় দেখলে চ্যাচায়।   বুঝলেন,ডিনার টেবিলে বসে কাউকে কোন ভয়ানক খুনের কায়দাটায়দার গল্প শোনাবেন … বিস্তারিত পড়ুন

উকুনে-বুড়ির কথা-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেন তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে এক ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভয়ে সেই যে নদীর ধার দিয়ে চলে গেল, আর … বিস্তারিত পড়ুন

কাজির বিচার-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

রামকানাই ভাল মানুষ-নেহাত গোবেচারা। কিন্তু ঝুটারাম লোকটি বেজায় ফন্দিবাজ। দুইজনে দেখা-শোনা আলাপ-সালাপ হল। ঝুটরাম বললে, ‘ভাই দুজনেই বোঝা বয়ে কামকা কষ্ট পাই কেন? এই নাও, আমার পুঁটলিটাও তোমায় দিই-এখন তুমি সব বয়ে নাও। ফিরবার সময় আমি বইব। ‘রামকানাই ভালমানুষের মত দুজনের বোঝা ঘাড়ে বয়ে চলল। গ্রামের কাছে এসে তাদের খুব খিদে পেয়েছে। রামকানাই বলল, ‘এখন … বিস্তারিত পড়ুন

কুঁজো বুড়ি

এক যে ছিল কুঁজো বুড়ি। সে লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে চলত, আর তার মাথাটা খালি ঠক-ঠক করে নড়ত। বুড়ির দুটো কুকুর ছিল। একটা নাম রঙ্গা, আর একটার নাম ভঙ্গা। বুড়ি যাবে নাতনীর বাড়ি, তাই কুকুর দুটোকে বললে, ‘তোরা যেন বাড়ি থাকিস, কোথাও চলে টলে যাসনে।’ রঙ্গা-ভঙ্গা বললে, ‘আচ্ছা’। তারপর বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে, কুঁজো … বিস্তারিত পড়ুন

নেকড়ে বাঘ ও ভেড়ার বাচ্চা

একদা এক ভেড়ার বাচ্চা ছিল।সে এক দিন পাহাড়ি নদীতে জল খাচ্ছিলো। দূর থেকে তাকে এক নেকড়ে বাঘ দেখতে পেল। নাদুস-নুদুস ভেড়ার বাচ্চাটিকে দেখে নেকড়ের জিব দিয়ে জল পড়তে লাগlলো।কিন্তু লোভ হলে কি হবে, ভেড়ার বাচ্চা টাকে ধরতে হলে একটা অজুহাত তো থাকা চাই।মনে মনে একটা ফন্দি আঁটল নেকড়ে!হ্যাঁ একটা অজুহাত তাহার মাথায় চট,করে এসে গেল। … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে | উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী

শিয়াল ভাবে,`বাঘমামা, দাড়াঁও তোমাকে দেখাচ্ছি!’ এখন সে আর নরহরি দাসের ভয় তার পুরোনো গর্তে যায় না, সে একটা নতুন গর্ত খুজে বার করেছে। সেই গর্তের কাছে একটা কুয়ো ছিল। একদিন শিয়াল নদির ধারে একটা মাদুর দেখতে পেয়ে, সেটাকে তার বাড়িতে নিয়ে এল। এনে, সেই কুয়োর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে গিয়ে বললে,’মামা, আমার … বিস্তারিত পড়ুন

টুনটুনি আর রাজার কথা | উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

রাজার বাগানের কোণে টুনটুনির বাসা ছিল। রাজার সিন্দুকের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল, সন্ধ্যার সময় তার একটি টাকা ঘরে তুলতে ভুলে গেল। টুনটুনি সেই চকচকে টাকাটি দেখতে পেয়ে তার বাসায় এসে রেখে দিলে, আর ভাবলে, `ঈস্! আমি কত বড়োলোক হয়ে গেছি। রাজার ঘরে যে ধন আছে, আমার ঘরে সেই ধন আছে!’ তারপর থেকে সে কেবলি এই … বিস্তারিত পড়ুন

বন্ধুত্বের পরখ || আহমেদ রিয়াজ অনূদিত

অনেক অনেক বছর আগের কথা। এক গ্রামে বাস করতো দুই বন্ধু। একজন ওলেলে, অন্যজন ওমোটেই। মুখোমুখি বাড়ি দু’জনের। তাদের বন্ধুত্বের কথা জানতো গ্রামের সবাই। আর তাদের প্রতিবেশী ছিলো এক বুড়ো। বুড়ো হলে কী হবে_ অনেক বিষয়ে বেশ জ্ঞান ছিলো তার। একবার ওলেলে আর ওমোটেইয়ের বন্ধুত্ব পরখ করে দেখতে চাইলেন তিনি। দুই বাড়ির মাঝে পায়ে হাঁটা … বিস্তারিত পড়ুন

ইঁদুর দিল ভোঁ-দৌড় || সহীদ সরকার অনূদিত

বিড়াল আর ইঁদুরে বড়ই ভাব। সিদ্ধান্ত নিলো তারা একসঙ্গে এক চালের নিচে বাস করবে। যেই বলা সেই কাজ। শুরু হলো একই বাড়িতে বসবাস। শীতকালে খাবার-দাবারের খুবই অভাব। শীতের জন্য তারা কিনলো একটি চর্বির পাত্র। লুকিয়ে রাখলো দূরের একটি গির্জার পেছনে। যখন খাবারে টান পড়বে তখন এই পাত্রের খাবার খাবে তারা। একদিন বিড়ালটি বলল, শোনো পুচ্চি … বিস্তারিত পড়ুন

সিংহ ও আদমকিন

অনেককাল আগেকার কথা । এক সমুদ্রের তীরে বাস করতো এক ময়ূর দম্পতী । মনের আনন্দে দু’জনে পুচ্ছ নাচিয়ে ঘুরে বেড়াতো বনে বনে ।ঝর্ণার সেীন্দর্য্ দেখে আর পাখির কাকলি শুনে দিন কাটাতো । দিনের বেলায় বেরোত খাদ্যের সন্ধানে এইভাবে দিন কাটছিল । একদিন ময়ূর ময়ূরীকে বললো চলো, একটু দূরে কোথাও ঘুরে বেড়িয়ে আসি । একই জায়গায় … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!