ঈগল শিয়াল ও মানুষের গল্প

বনের মাঝখানে একটা বিশাল ফাঁকা মাঠ। মাঠের এক পাশে একটা বুড়ো বটগাছ। বটগাছের ডালে ঈগল পাখির বাসা। সকাল বেলা ঘুম ভাঙার পর ডানা মেলে আকাশে উড়তে ভালো লাগে তার। সে একটানা অনেকক্ষণ ওড়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই বটগাছে তার বাসায় ফিরে আসে। হঠাৎ কার যেন মিহি কান্না শুনতে পায়। কান্না শুনে নিচে নেমে দেখতে … বিস্তারিত পড়ুন

বারো শাহজাদীর কাহিনী!

এক বাদশাহের ছিল বারোটি মেয়ে। তারা ছিল যেমনি সুন্দরী, তেমনি মেধাবী। বারোটি মেয়ে একটি কক্ষের বারোটি বিছানায় ঘুমাতো। ঘুমানোর আগে তারা জানালা দরজা বন্ধ করে দিতো। কিন্তু প্রতিদিন সকালে তাদের জুতাগুলো জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যেত, মনে হতো এ জুতাগুলো পরে সারারাত তারা যেন নাচগান করে কাটিয়েছে। কেউই বলতে পারতো না এটি কেমন করে হলো অথবা … বিস্তারিত পড়ুন

বেজি ও শিয়াল

গাঁয়ের পাশে বিরাট এক বন। সেই বনে থাকতো এক শিয়াল, আর বনের মাঝে গর্তে বাস করতো এক বেজি। শিয়াল আর বেজির খুব বন্ধুত্ব, কাউকে একদিন না দেখলে আর একজনের মন হয় উতলা। একদিন শিয়াল বেজিকে বলল, বন্ধু, চলো আমরা বিদেশে যাই। বেজি সানন্দে রাজী হলো। শুভ দিনক্ষণ দেখে দুই বন্ধু একদিন বেরিয়ে পড়লো অজানা অচেনা … বিস্তারিত পড়ুন

বোকা সাথী

এক নাপিত । তার সঙ্গে এক জোলার খুব ভাব । নাপিত লোককে কামাইয়া বেশী পয়সা উপার্জন করিতে পারে না । জোলাও কাপড় বুনিয়া বেশী লাভ করিতে পারে না । দুই জনেরই খুব টানাটানি । আর টানাটানি বলিয়া কাহারও বউ কাহাকে দেখিতে পারে না । এটা কিনিয়া আন নাই, ওটা কিনিয়া আন নাই বলিয়া বউরা দিনরাতই … বিস্তারিত পড়ুন

দেশ বিদেশের ভুত

একটা গল্প ছিল যে একটা লোক বর্ষার সন্ধ্যায় একটা মাছ কিনে বাড়ি ফিরছিল। পথে একটা ভুত তাঁর পিছু নেয়। সামনে বলতে থাকে,“ দেঁ না খাঁই,দেঁ না খাঁই,দেঁ না খাঁই দেঁ না……। লোকটা বাড়ি পৌছালে তাঁর গিন্নিকে মাছটা দিয়ে দিয়েছে। গিন্নি যখন রাঁধছে, মাছ তখন রন্নাঘরের ছাদের চিমনি দিয়ে গলগল করে বেরোনো ধোঁয়ায় মাছের গন্ধ পেয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

গল্প নয় সত্য ঘটনা

জন্তুওয়ালা অনেক জন্তু লইয়া শহরে একটি ঘর ভাড়া করিয়াছে। মনে করিয়াছে, আজ হাটের দিন বিন্তর লোক আসিবে, আর তামাশা দেখিয়া পয়সা দিবে। হাটে লোকের কম নাই, কিন্তু জন্তুওয়ালার ঘরের আধখানাও ভরিল না। জন্তুগুলারও যেন ফুর্তি নাই। লোক কম দেখিয়া তাহারাও কেমন হাল ছাড়িয়া দিয়াছে। ভাল তামাশা হইতেছে না দেখিয়া যে দু-চার জন দর্শক উপস্থিত, তাহারাও … বিস্তারিত পড়ুন

সহজে কি বড়লোক হওয়া যায়?-১ম অংশ

ছেলেবেলায় একটু একগুঁয়েমো প্রায় সকলের থাকে। আমার কথা শুনিয়া কেহ চটিবেন না। চটিলেও বড় একটা অসুবিধা বোধ করিব না। অনেকের অভ্যাস আছে, তাহারা খাঁটি কথা শুনিলে বিরক্ত হয়, কিন্ত কাহাকেও বিরক্ত করা আমার উদ্দেশ্য নহে। আমার নিজের দশা দেখিয়াই আমি উপরের কথাগুলিতে বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি। ছেলেমানুষের একটা রোগ আছে। অনেক কাজ তাহারা আপনা আপনি করিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

সহজে কি বড়লোক হওয়া যায়?-২য় অংশ

বেলা প্রায় শেষ হইয়া আসিলে সেই ছেলে দুটির নিকট হইতে বিদায় লইয়া বাহির হইলাম। সেদিন রাত্রিতে এক বাজারে মুদীর দোকানে ছিলাম। তারপর দুই দিন ঐ ভাবে গেল। সারদিন পথ চলিতাম; কেবল দু-বেলা খাবার জন্য কোনো মুদীর দোকানে উঠিতাম। রাত্রিতে কোন মুদীকে পয়সা দিয়া তাহার ঘরে থাকিবার জায়গা পাইতাম। তৃতীয় দিন রাত্রিতে থাকিবার জন্য আর মুদীর … বিস্তারিত পড়ুন

নিম্ন বিত্ত গোপাল ভাঁড় বনাম প্রদীপ দৈত্য

এতো রাতে হাতের কাছে ওরকম একটা প্রদীপ দেখে টাসকি খেয়ে গেলো গোপাল ভাড়। এমন নির্জন জায়গায় পড়ে থাকা ময়লা প্রদীপটিকে হাতে তুলে নিয়ে হালকা ঘষা দিল। যা ভেবেছিল ঠিক তাই, এটি একটি জাদুর প্রদীপ! মুহূর্তের মধ্যেই আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তুলে এক বিশালাকার দৈত্য গোপাল ভাঁড়ের সামনে আবির্ভূত হলো। যথারীতি দৈত্যকায় হাসি হেঁসে বলল, হুকুম করুন মালিক। … বিস্তারিত পড়ুন

কালো পাঞ্জাবী

ঘটনা মুক্তিযুদ্ধেরও অনেক আগের। আমার আম্মা হিন্দু কায়স্থ ছিলেন। বিয়ের পর মুসলমান হন। আম্মা যখন প্রথম বার কন্সিভ করেন, এর পর থেকে একজন লোক কে দেখতেন জানালা দিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসছে। সেই লোকটা কালো পাঞ্জাবী, কালো পাইজামা ও কালো টুপি পরা ছিল। তার মুখে কালো দাড়ি ছিল। এমনকি, তার হাতে একটি তসবি ছিল সেটাও … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!