নরওয়ে দেশের পুরান

আমাদের দেশের পুরাণে যেমন দেবতা আর অসুরের গল্প আছে, পুরাতন নরওয়ে আর সুইডেন দেশের পুরাণেও তেমনি সব দেবতা আর অসুরের কথা লেখা আছে। নরওয়ের পুরাণে আছে, সেকালের আগে যখন পৃথিবী বা সমুদ্র বা বায়ু কিছুই ছিল না-তখন কেবল বিশ্ব-পিতা (All Father) ছিলেন। তাঁহাকে কেহ সৃষ্টি করে নাই, কেহ তাঁহাকে দেখিতে পায় না। তিনি যাহা চাহেন, … বিস্তারিত পড়ুন

ঠানদিদির বিক্রম

আমাদের এক ঠানদিদি ছিলেন। অবশ্য ঠাকুরদাদাও ছিলেন, নইলে ঠানদিদি এলেন কোত্থেকে? তবে ঠাকুরদাদাকে পাড়ার ছেলেরা ভালরকম জানত না। ঠাকুরদাদার নাম রামকানাই রায়; লোকে তাঁকে কানাই রায় বলে ডাকত, কেউ কেউ রায়মশায়ও বলত। ঠাকুরদাদাকে যে ছেলেরা জানত না, তার একটু নমুনা দিচ্ছি। ঠানদিদির বাড়িতে এক-ঝাড় তল্‌তা বাঁশ ছিল, ঐ বাঁশে ভাল মাছ ধরবার ছিপ হত। একবার … বিস্তারিত পড়ুন

জলহস্তী ও কচ্ছপ || সুহৃদ সরকার

অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক জলহস্তীর নাম ছিলো পবন ঠাকুর। স্থলরাজ্যের বেশ বড়-সড় প্রাণী। হাতির পরেই ছিলো তার স্থান। তবে সে নিজেকে প্রাণীদের রাজা বলে ঘোষণা করেছিলো। তো রাজা জলহস্তীর ছিলো সাত সাতটি রানী। যখন তখন সে বড় বড় ভোজসভার আয়োজন করতো। রাজ্যের সবাইকে সে ভোজসভায় ডাকা হতো। মজার ব্যাপার ছিলো, জলহস্তীর সাত স্ত্রী … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুরদা-২য় অংশ

পরসা খরচ নিয়ে কিন্তু ঠাকুরদার একটু বদনাম ছিল। ঐ যে হুঁকোর খাতিরে ছেলেদের একপোয়া সন্দেশ কিনে খাইয়েছিলেন, তা ছাড়া আর তাঁর জীবনে তিনি কখনো কাউকে কিছু কিনে খাওয়ান নি। লোকে বলত, তাঁর ঘরের ভিতরে তিন-জালা টাকা পোঁতা আছে। কিন্তু নিজে তিনি এমনভাবে চলতেন যেন অনেক কষ্টে তাঁর দুটি খাবার জোটে, সেও বুঝি-বা একবেলা বই দুবেলা … বিস্তারিত পড়ুন

ভাগ্যবানের ভাগ্য

আমাদের পাশের দেশ ভারত।দুনিয়ার প্রাচীন দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম।এদেশের হাজার হাজার রূপকথা লোককাহিনী সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।সেই ভারতের এক হতভাগা যুবকের কাহিনি শোন।হত ভাগা যুবকটি তার ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য জাহাজে করে অন্য দেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ল।কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভিষম ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজটি।পাহাড়ের গায়ে ধাক্কালেগে জাহাজটি ঢুবে যায়।যুবকটি ছাড়া সবাই মারা যাই।অনেক কষ্টে সাঁতার কেটে … বিস্তারিত পড়ুন

সেডনা আর শিকারি

পৃথিবীর প্রাচীন জাতি এস্কিমো।তাদের জীবনযাত্রা এখনো প্রাচীনত্ব রয়েছে রয়েছে।উত্তর আমেরিকা ও পূর্ব সাইবেরিয়া আর্কটিক অঞ্চালে আধিবাসিদের এস্কিমো বলে।এরা গ্রিকল্যান্ড,থাইল্যান্ড,আইসল্যান্ড,ও অন্যান্য সুমেরু অঞ্চালে বাঁশ করে। ঐতিহাসিক ও নতৃত্ববিদরা মনে করেন এরা এশিয়ার মঙ্গঅলীয় জাতির বংশোদ্ভুত এবং বহু বছর আগে এশিয়া থেকে এসব অঞ্চালে ছরিয়ে পড়েছ।এস্কিমোরা ছোট ছোট দলে বাঁশ করে। এস্কিমোরা খুব কঠিন জীবনযাপন অভ্যস্ত। এরা … বিস্তারিত পড়ুন

পাকা ফলার

পাড়াগাঁয়ে এক ফলারে বামুন ছিল। তাহাকে যাহারা নিমন্ত্রণ করিত, তাহারা সকলেই খুব গরিব, দৈ-চিঁড়ের বেশি কিছু দিবার ক্ষমতা তাহাদের ছিল না। ব্রাহ্মণ শুনিয়াছিল, দৈ-চিঁড়ের ফলারের চাইতে পাকা ফলারটা ঢের ভাল। সুতরাং এরপর যে ফলারের নিমন্ত্রণ করিতে আসিল, তাহাকে সে বলিল, ‘পাকা ফলার খাওয়াতে হবে।’ সে বেচারা গরিব লোক, পাকা ফলার সে কোথা হইতে দিবে? তাই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখীরাম-২য় অংশ

দুঃখীরামের এই সাজার হুকুম হইল যে, তাহাকে থলের ভিতর পুরিয়া পাথর বাঁধিয়া সমুদ্রে ফেলিয়া দেওয়া হইবে। রাজামশায়ের সামনেই থলে আর পাথর আনিয়া সব বাঁধিয়া ঠিক করা হইল,তারপর রাজা চারিটা জল্লাদকে যে, ‘একে সমুদ্রে ফেলিয়া দিয়া আয়।’ দুঃখীরামকে সকলেই ভালবাসিত। সুতরাং তাহার এই সাজার কথা শুনিয়া সকলেরই ভারি ক্লেশ হইল। পথে যাইতে যাইতে জল্লাদেরা চুপিচুপি পরামর্শ … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুরদা-১ম অংশ

একগ্রামে এক বুড়ো ব্রাহ্মণ ছিলেন। তাঁর নাম ছিল ভবানীচরণ ভট্রাচার্য। গ্রামের ছেলেদের সঙ্গে তাঁর খুব ভাব ছিল। তাঁরা তাঁকে বলত ঠাকুরদাদা। তাদের কাছ থেকে শিখে দেশসুদ্ধ লোকেও তাঁকে ঐ নামেই ডাকত। ছেলেরা ঠাকুরদার কাছে খুবই আদর পেত, আর তাঁকে জ্বালাতন করত তার চেয়েও বেশি। ঠাকুরদা ভারি পণ্ডি আর বুদ্ধিমান ছিলেন। খালি এক বিষয়ে তাঁর একটা … বিস্তারিত পড়ুন

বারো শাহজাদীর কাহিনী!

এক বাদশাহের ছিল বারোটি মেয়ে। তারা ছিল যেমনি সুন্দরী, তেমনি মেধাবী। বারোটি মেয়ে একটি কক্ষের বারোটি বিছানায় ঘুমাতো। ঘুমানোর আগে তারা জানালা দরজা বন্ধ করে দিতো। কিন্তু প্রতিদিন সকালে তাদের জুতাগুলো জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যেত, মনে হতো এ জুতাগুলো পরে সারারাত তারা যেন নাচগান করে কাটিয়েছে। কেউই বলতে পারতো না এটি কেমন করে হলো অথবা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!