ব্যাঙের রাজা- সুকুমার রায়

রাজবাড়িতে যাবার যে পথ, সেই পথের ধারে প্রকাণ্ড দেয়াল, সেই দেয়ালের একপাশে ব্যাঙেদের পুকুর। সোনাব্যাং, কোলাব্যাং, গেছোব্যাং, মেঠোব্যাং— সকলেরই বাড়ি সেই পুকুরের ধারে। ব্যাঙেদের সর্দার যে বুড়ো ব্যাং, সে থাকে দেয়ালের ধারে, একটা মরা গাছের ফাটলের মধ্যে, আর ভোর হলে সবাইকে ডাক দিয়ে জাগায়— “আয় আয় আয়— গ্যাঁক্‌ গ্যাঁক্‌ গ্যাঁক্‌— দেখ্‌ দেখ্‌ দেখ্‌— ব্যাং ব্যাং … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যোমকেশের মাঞ্জা – সুকুমার রায়

‘টোকিয়ো—কিয়োটো—নাগাসাকি—য়োকোহামা’— বোর্ডের উপর প্রকাণ্ড ম্যাপ ঝুলিয়ে হারাণচন্দ্র জাপানের প্রধান নগরগুলি দেখিয়ে যাচ্ছে। এর পরেই ব্যোমকেশের পালা, কিন্তু ব্যোমকেশের সে খেয়াল‌‌ই নেই। কাল বিকেলে ডাক্তারবাবুর ছোট্ট ছেলেটার সঙ্গে প্যাঁচ খেলতে গিয়ে তার দু-দুটো ঘুড়ি কাটা গিয়েছিল, সে কথাটা কিছুতেই আর ভুলতে পারছে না। তাই সে বসে বসে সুতোর জন্যে কড়া রকমের একটা মাঞ্জা তৈরির উপায় চিন্তা … বিস্তারিত পড়ুন

জানোয়ার ইঞ্জিনিয়ার – সুকুমার রায়

পাখির মধ্যে কাক, আর পশুর মধ্যে শেয়াল—বুদ্ধির জন্য মানুষে ইহাদের প্রশংসা করে। কিন্তু এখন যে জন্তুটির কথা বলিব, তাহার বুদ্ধি শেয়ালের চাইতে বেশি কিনা, সেটা তোমরা বিচার করিয়া দেখ। এই জন্তুর বাড়ি উত্তরের শীতের দেশে—বিশেষত উত্তর আমেরিকায়। ল্যাজশুদ্ধ দুহাত লম্বা জন্তুটি, দেখিতে কতকটা ইঁদুর বা ‘গিনিপিগে’র মতো; তাহার চেহারায় বিশেষ কোন বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায় … বিস্তারিত পড়ুন

পেটুক – সুকুমার রায়

“হরিপদ! ও হরিপদ!” হরিপদর আর সাড়াই নেই! সবাই মিলে এত চ্যাঁচাচ্ছে, হরিপদ আর সাড়াই দেয় না। কেন, হরিপদ কালা নাকি? কানে কম শোনে বুঝি? না, কম শুনবে কেন—বেশ দিব্যি পরিষ্কার শুনতে পায়। তবে হরিপদ কি বাড়ি নেই? তা কেন? হরিপদর মুখ ভরা ক্ষীরের লাডু, ফেলতেও পারে না, গিলতেও পারে না। কথা বলবে কি করে? আবার … বিস্তারিত পড়ুন

টাকার বিপদ – সুকুমার রায়

বুড়ো মুচী রাতদিনই কাজ করছে আর গুণ্‌ গুণ্‌ গান করছে। তার মেজাজ বড় খুশি, স্বাস্থ্যও খুব ভাল। খেটে খায়; স্বচ্ছন্দে দিন চলে যায়। তার বাড়ির ধারে এক ধনী বেনে থাকে। বিস্তর টাকা তার; মস্ত বাড়ি, অনেক চাকর-বাকর। মনে কিনতি তার সুখ নাই, স্বাস্থ্যও তার ভাল নয়। মুচীর বাড়ির সামনে দিয়ে সে রোজ যাতায়াত করে আর … বিস্তারিত পড়ুন

পুতুলের ভোজ – সুকুমার রায়

পুতুলের মা খুকী আজ ভয়ানক ব্যস্ত। আজ কিনা ছোট্ট পুতুলের জন্মদিন, তাই খুব খাওয়ার ধুম লেগেছে। ছোট্ট টেবিলের উপর ছোট্ট ছোট্ট থালা বাটি সাজিয়ে, তার মধ্যে কি চমৎকার ক’রে খাবার তৈরি ক’রে রাখা হয়েছে। আর চারিদিকে সত্যিকারের ছোট্ট ছোট্ট চেয়ার সাজানো রয়েছে, পুতুলেরা বসে খাবে ব’লে। খুকীর যে ছোটদাদা, তার কিনা সাড়ে চার বছর বয়স, … বিস্তারিত পড়ুন

যতীনের জুতো – সুকুমার রায়

যতীনের নতুন জুতো কিনে এনে তার বাবা বললেন, “এবার যদি অমন করে জুতো নষ্ট কর তবে ওই ছেঁড়া জুতোই পরে থাকবে।” যতীনের চটি লাগে প্রতিমাশে একজোড়া। ধুতি তার দুদিন যেতে না যেতেই ছিঁড়ে যায়। কোনো জিনিসে তার যত্ন নেই। ব‌‌ইগুলো সব মলাট ছেঁড়া, কোণ দুমড়ান, শ্লেটটা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ফাটা। শ্লেটের পেন্‌‌সিলগুলি সর্বদাই তার … বিস্তারিত পড়ুন

পথ—ভূতের গল্প

  আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটি কাঁচা সড়ক সরাসরি যুক্ত ছিল ফরিদপুর থানার সাথে। সড়কটা ছিল ৩টি গ্রামের কৃষকদের কৃষি জমির মাঝ বরাবর। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের কোন এক সময় পাকিস্তানী সৈনিকদের একটি ছোট বাহিনী সেই রাস্তা দিয়েগ্রামে প্রবেশ করার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু আমাদের গ্রামের সাথে রাস্তাটির সংযোগ সড়কের একটা অংশ কাটা থাকায় তারা গ্রামে প্রবেশ … বিস্তারিত পড়ুন

টুনুদা-বিমল কর

লোকে বড় হলে গরু ধরে,আমি ন,দশ বছর বয়সে এক গরু ধরে ছিলাম।গরুর নাম টুনু।আমার মামাত বড় ভাই।টুনুদা বলে ডাকতাম।আমার বাবা তখন গোমোতে।রেলে চাকুরি করেন।আমরা থাকতাম রেল কোয়াটারে।বাড়ির সামনে বাচ্চা বাচ্চা পাহাড়,বা পাহাড়ের মতো উঁচু উঁচু ঢিবি। একবার সিমা এলেন আমাদের বাড়িতে।মাস খানেক থাকবেন।শরীর খারাপ বলে জল হাওয়া বদলাতে এসেছেন।মামীর সঙ্গে টুনুদা আর লিলি।টুনুদা আমার চেয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

পরীর দেশে একদিন-নারায়ণ চন্দ্র রায়

ছোট বেলায় আমরা রাতে দাদীর সঙ্গে ঘুমাতাম। আমরা ঘুমাতে দেরী করলে বা ঘুমাতে না চাইলে দাদী আমাদের গল্প শুনিয়ে ঘুম পাড়াতেন। মাঝে মধ্যে দাদী আমাদের ছড়া কবিতা পাঠ করেও শুনাতেন। না ঘুমিয়ে কি আর থাকা যায়? আমরা গল্প শুনে ঘুমিয়ে পড়তাম। আমরা দাদীর কাছে পরীর গল্প শুনতে চাইতাম। আর দাদী আমাদের পরীর গল্প না শুনিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!