দেবতার দুর্বুদ্ধি – সুকুমার রায়

স্বর্গের দেবতারা যেখানে থাকেন, সেখান থেকে পৃথিবীতে নেমে আসবার একটিমাত্র পথ; সে পথ রামধনুকের তৈরী। জলের রঙে আগুন আর বাতাসের রং মিশিয়ে দেবতারা সে পথ বানিয়েছেন। আশ্চর্য সুন্দর সেই পথ, স্বর্গের দরজা থেকে নামতে নামতে পৃথিবী ফুঁড়ে পাতাল ফুঁড়ে কোন অন্ধকার ঝরণার নিচে মিলিয়ে গেছে। কোথাও তার শেষ নেই। পথটি পেয়ে দেবতাদের আনন্দও হল, ভয়ও … বিস্তারিত পড়ুন

আশ্চর্য ছবি – সুকুমার রায়

জাপান দেশে সেকালের এক চাষা ছিল, তার নাম কিকিৎসুম। ভারি গরীব চাষা, আর যেমন গরীব তেমনি মূর্খ। দুনিয়ার সে কোনও খবরই জানত না; জানত কেবল চাষবাসের কথা, গ্রামের লোকেদের কথা, আর গ্রামের যে বুড়ো ‘বঞ্জে’ (পুরোহিত), তার ভাল ভাল উপদেশের কথা। চাষার যে স্ত্রী, তার নাম লিলিৎসী। লিলিৎসী চমৎকার ঘরকন্না করে, বাড়ির ভিতর সব তক্‌তকে … বিস্তারিত পড়ুন

একটি বর – সুকুমার রায়

একটি অন্ধ ভিখারি রোজ মন্দিরে পূজা করতে যায়। প্রতিদিন ভক্তিভরে পূজা শেষ করে মন্দিরের দরজায় প্রণাম করে সে ফিরে আসে; মন্দিরের পুরোহিত সেটা ভাল করে লক্ষ করে দেখেন। এইভাবে কত বৎসর কেটে গেছে কেউ জানে না। একদিন পুরোহিত ভিখারিকে ডেকে বললেন, “দেখ হে! দেবতা তোমার উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। তুমি কোন একটা বর চাও। কিন্তু, মনে … বিস্তারিত পড়ুন

ওয়াসিলিসা – সুকুমার রায়

ওয়াসিলিসা এক সওদাগরের মেয়ে। তার মা ছিল না, কেউ ছিল না— ছিল খালি এক দুষ্টু সৎমা আর ছিল সে সৎমার দুটো ডাইনীর মত মেয়ে। ওয়াসিলিসার মা যখন মারা যান, তখন তিনি তাকে একটা কাঠের পুতুল দিয়েছিলেন আর বলেছিলেন, “একে কখন ছেড়ো না, সর্বদা কাছে কাছে রেখো, আর যখন তোমার বিপদ-আপদ ঘটবে, একে চারটি কিছু খেতে … বিস্তারিত পড়ুন

খুকির লড়াই দেখা – সুকুমার রায়

একদল ইংরেজ সৈন্য মাঠের পাশ দিয়ে লড়ায়ের জায়গায় যাচ্ছে, এমন সময় তাদের একজন হঠাৎ দেখতে পেল, মাঠের কিনারায় একটা খুকী ঘুমাচ্ছে! আশেপাশে কোথাও লোকজন নাই, ঘর বাড়ি যা কিছু ছিল কোন কালে গোলা লেগে ছাতু হ’য়ে গেছে— এমন জায়গায় খুকী আস্‌ল কোথা থেকে? খুকীর বয়স বছর দুই, টুক্‌টুক্‌ ক’রে হেঁটে বেড়ায়, অতি মিষ্টি ক’রে দু’চারটি … বিস্তারিত পড়ুন

খোঁড়া মুচির পাঠশালা – সুকুমার রায়

পোর্ট্‌স্‌মাউথের বন্দরে এক খোঁড়া মুচি থাকিত, তাহার নাম জন পাউন্ডস। ছেলেবেলায় জন তাহার বাবার সঙ্গে জাহাজের কারখানায় কাজ করিত। সেইখানে পনের বৎসর বয়সে এক গর্তের মধ্যে পড়িয়া তাহার উরু ভাঙিয়া যায়। সে অবধি সে খোঁড়া হইয়াই থাকে এবং কোন ভারি কাজ করা তাহার পক্ষে অসম্ভব হইয়া পড়ে। গরীবের ছেলে, তাহার ত অলস হইয়া পড়িয়া থাকিলে … বিস্তারিত পড়ুন

গ্যালিলিও – সুকুমার রায়

সে সাড়ে তিনশত বৎসর আগেকার কথা। ইটালি দেশে পিসা নগরে সম্ভ্রান্ত বংশে গ্যালিলিও-র জন্ম হয়। গ্যালিলিওর পিতা অঙ্কশাস্ত্রে পণ্ডিত ছিলেন, শিল্প সংগীত প্রভৃতি নানা বিদ্যায় তাঁহার দখল ছিল। কিন্তু তবু সংসারে তাঁহার টাকা পয়সার অভাব লাগিয়াই ছিল। সুতরাং তিনি ভাবিলেন, পুত্রকে এমন কোন বিদ্যা শিখাইবেন, যাহাতে ঘরে দুপয়সা আসিতে পারে। স্থির হইল, গ্যালিলিও চিকিৎসা শিখিবেন। … বিস্তারিত পড়ুন

সূক্ষ্ম হিসাব – সুকুমার রায়

একজন লোককে তাহার বয়স জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল। সে তৎক্ষণাৎ কাগজ পেন্সিল লইয়া হিসাব করিয়া বলিল, “আঠার বৎসর তিন মাস ষোল দিন চার ঘণ্টা—কত মিনিট ঠিক বলতে পারলাম না।” যিনি প্রশ্ন করিয়াছিলেন তিনি ত উত্তর শুনিয়া চটিয়াই লাল। বাস্তবিক, আমাদের সকল কাজের যদি এরকম চুলচেরা সূক্ষ্ম হিসাব রাখিতে হয়, তবে হিসাবের খবর লইতেই সমস্ত জীবনটা কাটিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

সাদা হাতি ও বাদুরের গল্প – ত্রিপুরা উপজাতির উপকথা

বহু প্রাচীন কালের কথা। উপজাতিদের পাহাড়ি গ্রামে ছিলেন দূর্দান্ত প্রতাপশালী রাজা। রাজ্য শাসনে তার মস্তবড় নাম ডাক। কথিত আছে তার হুকুমে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত। ফলে রাজ্যে সচারচর তেমন কোনও বড় ধরনের অন্যায় ঘটত না। যদি কখনও কোন অন্যায় ঘটত, রাজা বিচারাসনে বসে খামখেয়ালি কোনও শাস্তি দিতেন না। সাধারন ভাবে তদন্তের গভীরে গিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

সেই ভয়ঙ্কর কালো পোল

আমি এখন যে ঘটনাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি সেটা আমার মেঝ ফুফুর কাছ থেকে শোনা।ফেনী থেকে পরশুরাম গামী যে রেল লাইটি আছে এক সময় ভোর ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নিয়মিত এই লাইনে একটি ট্রেন যাতায়াত করত।বৃটিশ আমলে চট্রগ্রাম থেকে ত্রিপুরা রাজ্যে মালামাল নেয়ার জন্য এই লাইটি তৈরি করা হয়।বর্তমানে অবশ্যই এই লাইনে সব ধরনের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!