লোলির পাহারা – সুকুমার রায়

শহর থেকে অনেক দূরে “লোলি”দের বাড়ি। সে বাড়িতে খালি লোলি থাকে আর তার বাবা থাকেন, আর থাকে একটা বুড়ো শূয়োর। বাড়ির চারিদিকে ছোট ছোট ক্ষেত, তার চারিদিকে বেড়া দিয়ে ঘেরা। ক্ষেতে যে সামান্য ফসল হয়, তাই বেচবার জন্য লোলির বাবা শহরে যান, আর লোলিকে বলে দিয়ে যান, “তুই বাড়িতে থেকে ভাল করে পাহারা দিস্‌।” লোলি … বিস্তারিত পড়ুন

শিয়াল পন্ডিত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কুমির দেখলে, সে শিয়ালের সঙ্গে কিছুতেই পেরে উঠছে না। তখন ভাবলে, ‘ ও ঢের লেখাপড়া জানে, তাতেই খালি আমাকে ফাঁকি দেয়। আমি মূর্খ লোক, তাই তাকে আঁটতে পারি না।’ অনেকক্ষণ ভেবে কুমির ঠিক করল যে, নিজের সাতটা ছেলেকে শিয়ালের কাছে দিয়ে খুব করে লেখাপড়া শেখাতে হবে। তার পরের দিনই সে ছানা সাতটাকে সঙ্গে করে শিয়ালের … বিস্তারিত পড়ুন

নাপিত পণ্ডিত – সুকুমার রায়

বাগদাদ শহরে এক ধনীর ছেলে প্রতিজ্ঞা করিয়া বসিল— সে কাজীর মেয়েকে বিবাহ করিবে। কিন্তু প্রতিজ্ঞা করা যত সহজ, কাজটা তত সহজ নয়— সুতরাং কিছুদিন চেষ্টা করিয়াই সে বেচারা একেবারে হতাশ হইয়া পড়িল। দিনে আহার নাই, রাত্রে নিদ্রা নাই— তার কেবলই ঐ এক চিন্তা— কী করিয়া কাজীর মেয়েকে বিবাহ করা যায়। বিবাহের সব চাইতে বড় বাধা … বিস্তারিত পড়ুন

নোবেলের দান – সুকুমার রায়

পাঁচ বৎসর আগে যখন ইউরোপ হইতে সংবাদ আসিল যে, বাংলার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘নোবেল প্রাইজ’ পাইয়াছেন, তখন দেশময় একটা উৎসাহের ঢেউ ছুটিয়াছিল। ‘নোবেল প্রাইজ’ জিনিসটা কি তাহা অনেকেই জানিত না, তাহারা সে বিষয়ে আগ্রহ করিয়া খোঁজ করিতে লাগিল। আলফ্রেড বের্নহার্ড নোবেল সুইডেন দেশের একজন রাসায়নিক ছিলেন। তিনি মৃত্যুকালে প্রায় সওয়া তিন কোটি টাকার সম্পত্তি দান … বিস্তারিত পড়ুন

টুনু চাচার টুনটুনি রহস্য

টুনু চাচার সাথে রোজ দেখা হয়। বাজারে যে নতুন চা স্টলটা হয়েছে সেখানে প্রতিদিন চা খেতে যাই। সেখানেই দেখা হয়। সাদা পাকা চুল চাচার। চোখে একটা মান্ধাতার আমলের মোটা ফ্রেমের চশমা। ভারি আমুদে লোক। আর আজগুবি সব গল্পের একেবারে যাকে বলে ডিপো। ধোয়া উঠা গরম চায়ে চুমুক দিয়ে প্রতিদিন দলবেঁধে শুনি চাচার সে গল্প। অবশ্য … বিস্তারিত পড়ুন

পাজি পিটার – সুকুমার রায়

শহরের কোণে মাঠের ধারে এক পুরানো বাড়িতে পিটার থাকত। তার আর কেউ ছিল না, খালি এক বোন ছিল। পিটারকে সবাই বলত ‘পাজি পিটার’ —কারণ পিটার কোন কাজকর্ম করে না—কেবল একে ওকে ঠকিয়ে খায়। পিটার একদিন ভাবল ঢের লোক ঠকিয়েছি—একবার রাজাকে ঠকানো যাক। এই ভেবে সে রাজবাড়িতে গেল। রাজা বললেন, ‘তুমি কে হে? মতলবখানা কি?” পিটার … বিস্তারিত পড়ুন

পিঁপড়ে আর হাতি আর বামুনের চাকর – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক পিঁপড়ে ছিল আর তার পিঁপড়ী ছিল, আর তাদের দুজনের মধ্যে ভারি ভাব ছিল। একদিন পিঁপড়ী বললে, ‘দেখ পিঁপড়ে, আমি যদি তোমার আগে মরি, তবে কিন্তু তুমি আমাকে গঙ্গায় নিয়ে ফেলবে। কেমন পিঁপড়ে, ফেলবে তো?’ পিঁপড়ে বললে, ‘হ্যাঁ পিঁপড়ী, অবশ্যি ফেলব। আর আমি যদি তোমার আগে মরি, তবে কিন্ত তুমি আমাকে গঙ্গায় নিয়ে ফেলবে। কেমন … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ ও মেষশাবক – ঈশপের গল্প

এক বাঘ, পর্বতের ঝরনায় জলপাল করতে গিয়ে দেখতে পেল, কিছু দূরে, নীচের দিকে, এক মেষশাবক জলপান করছে।বাঘমনে মনে ভাবল, আজকে এই মেষশাবকে হত্যা করে এর কচি মাংস খাব কিন্তু বিনা দোষে এক প্রাণীকে হত্যা করা উচিত নয়। অতএব একটা দোষ দেখিয়ে তাকে হত্যা করতে হবে। এই চিন্তা করে,বাঘ তারাতারি সেই মেষ শাবকের কাছে গিয়ে বলল, … বিস্তারিত পড়ুন

বোকা বাঘ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক রাজার বাড়ির কাছে এক শিয়াল থাকত। রাজার ছাগলের ঘরের পিছনে তার গর্ত ছিল। রাজার ছাগলগুলি খুব সুন্দর আর মোটা-সোটা ছিল। তাদের দেখলেই শিয়ালের ভারি খেতে ইচ্ছে হত। কিন্ত রাজার রাখালগুলির ভয়ে তাদের কাছে আসতে পারত না। তখন শিয়াল তার গর্তের ভিতর থেকে খুঁড়তে আরম্ভ করল। খুঁড়ে-খুঁড়ে সে তো ছাগলের ঘরে এসে উপস্থিত হল, কিন্ত … বিস্তারিত পড়ুন

বোকা বণিক জাতক

বারাণসীতে তখন রাজত্ব করছেন ব্রহ্মদত্ত। ব্রহ্মদত্তের আমলে বোধিমত্ত্ব জন্ম নেন এক বণিক পরিবারে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য শিখলেন। বাণিজ্যে বোধিসত্ত্বের বুদ্ধি বেশ ধারাল হয়ে উঠতে রাগল। এক এক করে পাঁচশটি গরুর গাড়ি করেছেন। আজ এদেশ, কাল ওদেশে যাচ্ছেন ব্যবসা করতে। বোধিসত্ত্বের সময়ে বারাণসীতে আর একজন বণিক থাকতেন। তবে তাঁর মগজ তত সাফ নয়। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!