বাইল্লাচুলীর গল্প –চতুর্থ পর্ব

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। আর সাথেই সাথেই জিনিসটা কিলবিল কইরা আইসা বুড়ির হাতে ধাক্কা দেয়, পিদিম পইড়া নিভভা যায় বুড়ির হাত থিকা। সন্ধ্যা তখনো পুরাপুরি হয় নাই। সবাই দেখে তখন জামাই বাবাজিরে। বিরাট অজগর একটা! কিলবিল কইরা পাকাইতে পাকাইতে উঠতে থাকে উঠানে পোতা বাঁশটা বাইয়া। বুড়ি জামাই দেইখাই চোখ উল্টাইয়া ভিরমি খায়। … বিস্তারিত পড়ুন

বাইল্লাচুলীর গল্প-পঞ্চম পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। কিন্তু বুড়ি একবার ঘরে ঢুকলে আর সাড়া দেয় না। সদর দরজায় খিল দিয়া বইসা থাকে। পাঁচিল আরো উঁচা করে বুড়ি। সেইদিনের পর থিকা তেমন কোন কথা কয় না দুলি। মায় খাওন দিলে খায়, না দিলে অমনেই থাকে। মাইয়ার অবস্থা চোখে দেখন যায় না। কিন্তু আস্তে আস্তে সবকিছু মাইনা … বিস্তারিত পড়ুন

বাইল্লাচুলীর গল্প-শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। আজ থিকা বারো বৎসর আগের ঘটনা। এই রাজ্যের রাজার পোলা আছিলাম আমি। একদিন শিকারে গেলাম বন্ধু বান্ধব নিয়া। শিকার টিকার কইরা ফিরা আসতেছি, হঠাৎ দেখি এক বিরাট এক অজগর এক গাছের ডালে কুন্ডলী পাকাইয়া রইসে। দেইখা আমার মনে কি হইলো, ভাবলাম সাপটারে মারুম। সবাই মানা করলো, বন্ধুরা কইলো … বিস্তারিত পড়ুন

সিন্ধু ঈগল–সুকুমার রায়

সমুদ্রের ধারে যেখানে ঢেউয়ের ভিতর থেকে পাহাড়গুলো দেয়ালের মতো খাড়া হয়ে বেরোয় আর সারা বছর তার সঙ্গে লড়াই করে সমুদ্রের জল ফেলিয়ে ওঠে, তারই উপরে অনেক উঁচুতে পাহাড়ের চূড়ায় সিন্ধু ঈগলের বাসা। সেখানে আর কোন পাখি যেতে সাহস পায় না— তারা সবাই নীচে পাহাড়ের গায়ে ফাটলে ফোকরে বসবাস করে। পাহাড়ের উপরে কেবল সিন্ধু ঈগল— তারা … বিস্তারিত পড়ুন

জানোয়ারের ঘুম–১ম পর্ব-সুকুমার রায়

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। এক একজন মানুষের ঘুমাইবার ধরন দেখি এক একরকম। কেউ চুপচাপ নিরীহভাবে জড়োসড়ো হইয়া ঘুমার, কেউ ঘুমের মধ্যে হাত পা ছুঁড়িয়া এপাশ-ওপাশ করিয়া অস্থির হয়, কেউ বা তুমুল নাসিকাগর্জনে রীতিমত যুদ্ধের কোলাহল সৃষ্টি করিয়া তোলে। মাঝে মাঝে এক একজন লোক দেখি, তাহাদের আর কোন ক্ষমতা থাক বা নাই থাক … বিস্তারিত পড়ুন

উকুনে বুড়ির কথা-১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেন তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে এক ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভয়ে সেই … বিস্তারিত পড়ুন

উকুনে বুড়ির কথা–২য় পর্ব

গল্পের শেষ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন হাতি বললে, ‘তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর পাতাগুলি সব এক্ষুনি ঝড়ে পড়বে।’ গাছ বলল, ‘পড়ে পড়ুক, তুই বল্‌।’ তখন হাতি বললে- উকুনে-বুড়ি পুড়ে, মোলো, বক সাতদিন উপোস রইল, নদীর জল ফেনিয়ে গেল, হাতির লেজ খসে পড়ল। অমনি ঝর-ঝর করে গাছের সব পাতাগুলি ঝড়ে পড়ে গেল। সেই গাছে … বিস্তারিত পড়ুন

উকুনে বুড়ির কথা–শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন   দাসী বললে, ‘তা যদি বলি রানীমা, তবে কিন্তু ঐ থালাখানা আর আপনার হাত থেকে নামাতে পারবেন না, ওখানা আপনার হাতে আটকে যাবে।’ রানী বললেন, ‘বটে! আচ্ছা বল্‌, দেখি কেমন আটকায়।’ তখন দাসী বললে- উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, বক সাত উপোস রইল, নদীর জল ফেনিয়ে গেল, হাতির লেজ খসে … বিস্তারিত পড়ুন

পাইন-পাতার রূপকথা– ১ম পর্ব-সাত্যকি হালদার

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মানুষটা কবে থেকে এলো তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল অনেক। এক-একজন একেক রকম কথা বলত। কেউ বলত, পাশেই আলগরায় ওর জন্ম। পরে এদিকে চলে আসে। বুড়ো জুলে শেরপা বলত, আদতে ও এদিকের লোকই নয়। বাপ-মার সঙ্গে কখনো পাহাড়ে এসেছিল। কোনো একটা বোর্ডিং ইশ্কুলে নাকি ভর্তি করে দিয়ে গিয়েছিল বাবা-মা। … বিস্তারিত পড়ুন

পাইন-পাতার রূপকথা–২য় পর্ব-সাত্যকি হালদার

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মেরিকা বুড়ি থাকত রাস্তা যেদিকে ঢালু হয়ে নেমে গেছে সেই দিকটায়। গ্রামের একমাত্র যে-ছোট্ট মনাস্ট্রি, তার কাছাকাছি। গাছপালার ভেতর কাঠের মনাস্ট্রি। ভেতরটা আধো-অন্ধকার। বড় শহরের যে বড় মনাস্ট্রি তার চাইতে অনেক অনেক ছোট।  মনাস্ট্রি-লাগোয়া যে ছোট ঘর, সেখানে বুড়ির তত্ত্বাবধানে সেই রাতে রেখে দেওয়া হয় তাকে। গ্রামে ট্র্যাকাররা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!