হাতি ও মশার যুদ্ধ

এক বনে ছিল এক হাতি। তার নাম গঙ্গারাম। বনের সব পশুপাখি মিলে নামটি দিয়েছে। গঙ্গারাম একটু বোকা প্রকৃতির। সে যেমন অলস তেমনি আরাম প্রিয়। একবার ভরপেট খাওয়া পেলে ঘুমাতেই বেশি ভালোবাসত। তার সবসময়ের সঙ্গী একটি কাঠঠোক্‌রা পাখি। কাঠ ঠোকানোর চেয়ে সে গঙ্গারামের ঘাড়ে চড়ে বেড়াতেই বেশি পছন্দ করে। গঙ্গারাম কাঠঠোক্‌রাটির নাম দিয়েছে, কৃটকৃটি। খুবই ছটফটে … বিস্তারিত পড়ুন

বাদরের বাঁদরামো (সাওতালী উপকথা)

একটা সময়ের কথা বলছি যখন এক বাগানে অনেক রকমের ফল নিজের থেকেই হত আর জঙ্গলের সমস্ত জন্তু জানোয়ারেরা মনের সুখে সেগুলো খেতে পারত। কিন্তু সেটা তারা পারত একটা শর্তে। তাঁদের গিয়ে ঐ গাছের কাছে নমস্কার করে, মাথা ঝুকিয়ে বলতে হত, “ হে অমুক গাছ, আপনি কি আমাকে দয়া করে আপনার ফলের একটু স্বাদ নিতে দেবেন”। … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাঙের রাণী (মেক্সিকোর উপকথা)

এক রাজার দুই ছেলে ছিল। আর তাঁদের মধ্যে একজনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছিল। কার সাথে, না এক সুন্দরী রাজকুমারীর সাথে। একদিন ছোট রাজকুমার তার প্রাসাদের বাগানে একটা পুকুরে তার পোষা গাধাকে জল খাওয়াতে নিয়ে গেছিল। ঠিক তখনই তার সাথে দেখা হল এক ব্যাঙ্গের রাণীর। রাণীর তো রাজকুমারকে দেখে খুব পছন্দ। রাণি তাঁকে বলে যে সে … বিস্তারিত পড়ুন

বুড়ী আর তার খড়ের ষাঁড় (উক্রেইনের উপকথা)

কোন এক সময়ে এক গাঁয়ে এক বুড়ো আর বুড়ি থাকত। বুড়ি ঘরে বসে চরখাতে সুতো কাটে আর বুড়ো বাইরে ঘুরে ঘুরে ছাদে আলকাতরা লাগান কাজ করে। দুজনের আর কেউ নেই, আর যা কিছু তাঁদের রোজগার হয় তার সমস্তটাই খাবারখরচে চলে যায়।জমা বলে কিছু আর থাকে না। একদিন বুড়ি এই নিয়ে বুড়োর সাথে কিছু কথা হবার … বিস্তারিত পড়ুন

চিংড়ি দিদি — শামসুন নাহার

এক নদীতে এক চিংড়ি মাছ বাস করত। চিংড়ি মাছটার অভ্যাস ছিল রোজ সকালে গোসল করার। নদীর ধারে বালির উপর একটা বড় পাথর ছিল। গোসল করে সেই পাথরটার উপর বসে রোজ চুল শুকাত চিংড়ি মাছ। লম্বা চুল তার। রোজ নদী থেকে উঠেই সেই পাথরের উপর বসে তার চুলগুলি রোদে মেলে দিত। চুল শুকালে বাড়ী ফিরত। কোন … বিস্তারিত পড়ুন

দূরবর্তী এক নদীর উপকথা

এই সকালে কুয়ালালামপুর শহরটা নরম রোদের আলোয় ডুবে রয়েছে। সেই সঙ্গে মৃদুমন্দ বাতাসও বইছে। রোদ ছড়িয়ে আছে সেগামবুট, দামানসারা, লেইক গার্ডেন্স, তাসিক টিটিওয়াঙ্গসা, আমপাঙ এবং স্টেডিয়াম নেগারার ওপর । মৃদুমন্দ বাতাস বইছে জালান সুলতান সালাহুদ্দিন সড়ক, জালান সুলতান ইসমাইল সড়ক, এবং এর উত্তরে পুত্রা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, দক্ষিণে মারদেকা স্কোয়ার এবং চায়নাটাউন-এর ওপর। সেই রোদ … বিস্তারিত পড়ুন

রান্না করলেন রাজপুত্র — যশোধরা রায়চৌধুরী

রাজা, রানি, রাজপুত্র, রাজকন্যা কে নিয়ে এক সুখের সংসার। কোন গোলমাল নেই,আবার গোলমাল আছেও বলা চলে।কারণ রাজা আর রানির মনে শান্তি নেই।একটাই কারণে। এই রাজ্যের রাজপুত্র যুদ্ধে যেতে চায়না,ফুটবল ক্রিকেট খেলেনা,এমনকি শিকারে যেতেও ভালোবাসেনা, একটাই জিনিষ ভালোবাসে, সেটা হল রান্না করা। তার জীবনের সবচেয়ে বড় বাসনা সে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ রাঁধুনি হবে। রাজপুত্র সারাদিন রান্না ঘরে … বিস্তারিত পড়ুন

নেকড়ে, শেয়াল আর ভেড়ার গল্প (দক্ষিণ আফ্রিকার উপকথা)

এক নেকড়ে একদিন তার শিকার থেকে ফেরার সময় সামনে দেখে এক খামার বাড়ি আর সেখানে কিছু ভেড়ারয়ে গেছে। এই নেকড়ে কিন্তু আগে কোনদিন ভেড়া দেখে নি। কাজেই ভেড়ার মোটাসোটা চেহারা দেখে একটু নরম হয়েই তাঁকে গিয়ে জিজ্ঞেস করে, “আজ্ঞে সুপ্রভাত মশাই,আপনি কে হে ভাই। আপনার নামটা কি বলুন না”? ভেড়ার গলার আওয়াজ এমনিতেই একটু বেশি … বিস্তারিত পড়ুন

বুড়ো ও বুড়ির গল্প

এক ছিল বুড়ো আর এক বুড়ি। একদিন বুড়ো বুড়িকে বলল, ‘বুড়ি, ক’টা পিঠে করে দে। আমি ততক্ষনে ঘোড়া স্লেজে জুতে ফেলি। মাছ ধরতে যাবো।‘ অনেক মাছ ধরল বুড়ো। একেবারে মাছে ভরা স্লেজ। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ দেখে এক শেয়াল; পুটলির মত গুটিয়ে রাস্তায় শুয়ে।স্লেজ থেকে নেমে বুড়ো গেল শেয়ালের কাছে, শেয়াল কিন্তু একটুও নড়ে না, … বিস্তারিত পড়ুন

তিন উপদেশ (ইটালীর উপকথা)

একবার একজন লোক তার শহর ছেড়ে বিদেশে গেল চাকরী করে কিছু টাকা রোজগার করতে। কাজ পেল সে এক পন্ডিতমশাইয়ের কাছে। মন দিয়ে সে কাজ করতে সুরু করে দিল। তার কাজে পন্ডিতমশাই ভীষণ খুশী ছিল। বেশ কিছুদিন কাজ করার পরে সেই লোকটার ইচ্ছে হল যে সে একবার বাড়ী থেকে ঘুরে আসে। পন্ডিতমশাইকে বলে, “গুরুদেব, আমি অনেকদিন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!