কাক ও পেঁচার দ্বন্দ্ব

পাহাড়ের মাঝে মোটাসোটা একটি গাছের ডালে কাকেরা বাসা বেঁধেছিল। দূর থেকে ওই গাছটির দিকে তাকালে গাছের পাতাগুলোকে কালো মনে হতো। কারণটা হলো এতো বেশি কাক ওই গাছে গিয়ে বসতো যে দূর থেকে শুধু কাকই দেখা যেত, গাছের পাতা আর নজরে পড়ত না। গাছের সামান্য নীচে কালো অন্ধকারময় একটা কোটর ছিল। সেখানে বাস করত এক ঝাঁক … বিস্তারিত পড়ুন

‘কচ্ছপ ও বানর’

বানর রাজার নাম হলো ‘কারদানা’। এই বানররাজ ছিল খুবই ন্যায়নীতিবান তবে বয়সের ভারে ন্যুব্জ, যাকে বলে একেবারে থুরথুরে বুড়ো। জীবন গাছের সবুজ পাতাগুলো তার ঝরে পড়তে পড়তে শরতের রূপ ধারণ করেছে। শরত মানেই পাতা ঝরার কাল। যৌবন পেরিয়ে বার্ধক্যের কাল। কারদানা রাজার অবস্থা এখন তেমনি থুরথুরে শারদী। না আছে তার যৌবন আর না আছে সেই … বিস্তারিত পড়ুন

মাছখোর মুরগির গল্প

একটা পুকুরের পাড়ে বসে ছিল একটা সারস পাখি। সারস অনেকটা বকের মতোই তবে ঠোঁটটা আরেকটু চওড়া এবং লম্বা। উভয় পাখিই মাছ শিকার করে জীবন ধারণ করে। সারস পাখিটি তীরে বসেই ক্লান্ত অবসন্ন দৃষ্টি দিয়েছিল পুকুরের পানির ভেতর ঘুরে বেড়ানো মাছগুলোর দিকে। ছোট বড় কত রকমের কতশত মাছ মনের আনন্দে, নিশ্চিন্তে সাঁতার কেটে বেড়াচ্ছে। আহা কত … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলের গল্প (ষষ্ঠ পর্ব)

সপ্তম দরোজার বিপদ কেটে না ওঠার কারণে জুযার এক বছর আব্দুস সামাদের কাছে ছিল পরবর্তী বছরের ঐদিনটির জন্য। এক বছর পর সেই দিনটিতে আবারো একই নিয়মে জুযার ঢুকলো গুপ্তধন ভাণ্ডারের ভেতর। ছয়টি দরোজা ঠিকঠাক পেরিয়ে যাবার পর সপ্তম দরোজায় এবার আর যাদুকর মা তাকে প্রতারিত করতে পারলো না। এবার ঠিকই সফল হলো এবং প্রয়োজনীয় চারটি … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলের গল্প (পঞ্চম পর্ব)

জুযারকে আব্দুস সামাদ সবকিছু শিখিয়ে দিয়ে বললো: সপ্তম দরোজার বিপদ কেটে ওঠার পর সামনে পড়বে গুপ্ত ধন-ভাণ্ডারের দরোজা। ওই দরোজা তোমার সামনে খুলে যাবে। দেখবে একটা পর্দা একেবারে ছাদ থেকে মাটি পর্যন্ত ঝুলছে। পর্দাটা সরিয়ে ফেলবে। পর্দা গুটিয়ে নিলেই দেখতে পাবে গুপ্তধন-ভাণ্ডার শামারদাল সিন্দুক একটা চৌকির ওপর বসানো। শামারদালের ওপর গ্লোবের মতো জ্বলজ্বলে একটা বল … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলের গল্প (চতুর্থ পর্ব)

জুযারের হাতেই কেবল খুলবে শামারদাল ভাণ্ডারের মুখ। তাকে ছাড়া কারো পক্ষেই ওই ভাণ্ডার খোলা সম্ভব নয়। সে কারণেই আব্দুস সামাদ জুযারকে তার পরিবারের খরচ বাবদ এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে তাকে নিয়ে রওনা হলো শামারদাল শহরের দিকে। যেতে যেতে ক্লান্ত হয়ে পড়লো জুযার। আব্দুস সামাদকে বললো: কী ভুল করলাম! সাথে যদি কিছু খাবার নিয়ে আসতাম! আব্দুস … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলের গল্প (তৃতীয় পর্ব)

সেলিম সালেম এবং জুযার-এই তিন ভাইয়ের গল্প শুনছিলাম আমরা। ব্যবসায়ী বাবা ছোটো ছেলে জুযারকে বেশি আদর করতো বলে বড় দু’ভাই তাকে হিংসার চোখে দেখে এবং বাবার মৃত্যুর পর তার বিরুদ্ধে মামলা করে সর্বস্ব হারায়। অবশেষে মায়ের সম্পদও জোর করে কেড়ে নেয়। তারপরও তারা নিঃস্ব হয়ে ভিক্ষা করতে করতে একদিন ছোটোভাই জুযারের বাসায় যায়। সেখানে মাকে … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলের গল্প (দ্বিতীয় পর্ব)

আমরা শুনেছিলাম জুযারের প্রতি বাবার ভালোবাসা ও স্নেহ একটু বেশি থাকার কারণে অপর দু’ভাইয়ের ঈর্ষার কথা। সেলিম এবং সালেম এমনকি মায়ের সম্পদটুকুও জোর করে কেড়ে নিয়ে খরচ করে অবশেষে ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিয়েছে। ভিক্ষা করতে করতে একদিন জুযারের বাসায় এসে জুযার এবং মায়ের সন্ধান পায়। জুযারের ঔদার্যে সেলিম এবং সালেম তার বাসাতেই খায় আর ঘুমায়। জুযার … বিস্তারিত পড়ুন

গরীবের বৌ-ছেলেমেয়ে ও কাল্লে গার্গ-২য় পর্ব

মহিলা বাসায় ফিরে দেখলো ঘরের দরোজা বন্ধ। বাড়ির ছাদে উঠে দেখলো তার স্বামী আর ছেলেরা খাবারের অভাবে এতোই কাহিল বা জবুথবু হয়ে পড়েছে যে নড়াচড়া করার শক্তিও তারা হারিয়ে ফেলেছে। যে গরুটা জবাই করেছিল তার গোশত শেষ হয়ে গেছে। এখন ঘরে খাদ্যবস্তু বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। না খেতে পেয়ে পেটের প্রচণ্ড জ্বালায় দুর্বল হয়ে পড়া … বিস্তারিত পড়ুন

ব্যবসায়ী ও তার তিন ছেলে

এক ব্যবসায়ীর তিন ছেলে ছিল। ছেলেদের নাম ছিল যথাক্রমে সেলিম, সালেম এবং জুযার। যেমন হয় আর কি, বাবা তার ছোটো ছেলেকে অন্য দুই ছেলের তুলনায় একটু বেশি স্নেহ করতো। আর এই বিষয়টাই কাল হয়ে দাঁড়ালো। বড় দুই ভাই ছোটো ভাইকে হিংসার চোখে দেখতে লাগলো। তার বিরুদ্ধে দু ভাই বিদ্বেষী হয়ে উঠলো ভেতরে ভেতরে। এদিকে বয়স … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!