মাহির ও পানির দৈত্য

অনেক অনেকদিন আগে, সেই প্রাচীনকালের এক দম্পতির ঘটনা। তারা স্বামী স্ত্রী ভালোভাবেই দিন কাটাচ্ছিল। কিন্তু তাদের দুটো জিনিসের অভাব ছিল। একটা হলো ধন-সম্পদ অপরটি হলো সন্তান। বিয়ের বহু বছর পরও তাদের সন্তান হচ্ছিল না। অনেক ডাক্তার কবিরাজ, অনেক ওষুধ পথ্য খাবার পর আল্লাহ শেষ পর্যন্ত তাদেরকে একটি পুত্র সন্তান দিলেন। তারা সন্তানের নাম রাখলো ‘মাহির’। মাহির … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরিওয়ালা বাহরাম-শেষ অংশ

পাঠক! আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে গেল আসরে আমরা ফেরিওয়ালার ছেলে বাহরামকে দেওয়া সাপের রাজার আংটির গল্প শুনিয়েছিলাম। যাদুকরি ঐ আংটি দিয়ে বাহরাম কী করেছিল সেই গল্প শোনাবার সময় ছিল না। এ পর্বে গল্পের বাকী অংশ উপস্থাপন করা হলো: বলেছিলাম, সাপের রাজা হযরত সোলায়মানের আংটিটা বাহরামকে উপহার দিয়েছিলো। বাহরাম আংটিটা নিয়ে রাজাকে ধন্যবাদ জানালো। আর শাহজাদা … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরিওয়ালা বাহরাম

  অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক ফেরিওয়ালা ছিল। তার স্ত্রীর সবেমাত্র এক সন্তান হলো, পুত্রসন্তান। ফেরিওয়ালা তার পুত্র সন্তানের নাম রাখলেন বাহরাম। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপারটি হলো ছেলেটি শৈশবেই তার ফেরিওয়ালা বাবাকে হারালো। সে কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হলো বাহরামের মাকে। এতো কষ্টের পরও বাহরামের মা চেয়েছিল সন্তানকে উপযুক্ত মানুষ বানাতে। কী করে ছেলেটাকে … বিস্তারিত পড়ুন

বুড়ি ও ব্যবসায়ীর গল্প

এক বৃদ্ধা মহিলার গল্প। তাঁর ছিল দুটি ছেলে সন্তান। এক ছেলে ছিল গ্রামের মাতবর বা নেতা গোছের। আরেক সন্তানও ছিল বেশ লেখাপড়া জানা। শিক্ষিত এই ছেলের নাম ছিল বাহলুল। এক রাতে এক ব্যবসায়ী এসে বৃদ্ধার ঘরের দরোজার কড়া নাড়ল। বৃদ্ধা দরোজা খুলে দিল। ব্যবসায়ী বৃদ্ধাকে বলল ‘আমাকে তোমার ঘরে থাকতে দেবে? রাত হয়ে গেছে, থাকার … বিস্তারিত পড়ুন

সিংহ ও খরগোশ

প্রাচীন গল্পে জন্তু-জানোয়ার, পশুপাখিগুলো কথা বলে। এসব কথা আসলে পশুপাখি বলে না, তাদের মুখ দিয়ে লেখকরাই বলে। সেজন্যে পশুপাখি যেসব ঘটনা ঘটায় সেগুলোর মাধ্যমে লেখকরা মূলত পাঠক কিংবা শ্রোতাকেই ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে রাজা বাদশা বা সমকালীন শাসকের কানেও ইঙ্গিতে সমাজের দুর্বল দিকগুলো তুলে ধরতে কিংবা পরিবেশ পরিস্থিতির ধারণা পৌঁছাতে এ ব্যবস্থা নেয়া হতো … বিস্তারিত পড়ুন

শকুন ও শেয়াল

এক শকুন আর এক শেয়ালের মাঝে বন্ধুত্ব হয়েছিল। একদিন শেয়াল বন্ধু শকুনকে বলল: ‘দোস্ত! তুমি তো সবসময় আকাশেই উড়ে বেড়াও। শুভ্র মেঘ ছাড়া তো আর তেমন কিছুই দেখার সুযোগ তোমার হয় না। এক কাজ করো! তুমি একদিন আমার পিঠে চড়ে বস, তোমাকে আমি পুরো বন জঙ্গল দেখাবো। এখন তো বসন্তকাল। বনের গাছ গাছালি সবুজে শ্যামলে … বিস্তারিত পড়ুন

ধার্মিক স্বর্ণকারের গল্প

এক শহরে বাস করতো এক স্বর্ণকার। লোকটা ছিল বেশ ধার্মিক ও সৎ। প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই সে তার কাজে চলে যেত। তার দোকান ছিল শাসকের প্রাসাদের সামনে। দোকান খোলার আগে প্রতিদিন ওই স্বর্ণকার আকাশের দিকে দু’হাত তুলে মোনাজাত করে বলতো: ‘হে মহাজ্ঞানী, রিযিকদাতা! হে ক্ষমাকারী! তুমি তো অসীম ক্ষমতার অধিকারী! সকল কিছুর ওপরে তুমি সর্বশক্তিমান। … বিস্তারিত পড়ুন

উট ও ইঁদুর

  একদিন একটা ইঁদুর বিস্তীর্ণ মরু এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। ইঁদুরটি ছিল বেশ তরতাজা, নাদুস নুদুস এবং তরুণ বয়সের। তারুণ্য সবসময়ই নিজের ভেতর শক্তি সামর্থ আর অপরাজেয় একটা মানসিকতার জন্ম দেয়। যেন ওই মানসিকতা দিয়ে সমগ্র পৃথিবী জয় করে ফেলতে পারবে। এই মানসিকতা যৌবনে জন্ম দেয় অহংকারের। ছোটো বড়ো কোনো কিছুই যেন তারুণ্যের কাছে সমস্যা নয়। … বিস্তারিত পড়ুন

বাদশা জামশিদ ও তার ছেলের গল্প (চতুর্থ অংশ)

জামশিদের সৎ মায়ের ষড়যন্ত্রে সামুদ্রিক ঘোড়াকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র থেকে কৌশলে পালিয়ে গিয়ে অন্য এক শহরে উঠেছিল জামশিদ আর তার ঘোড়া। সেখানকার বাদশার মেয়েদের সাথে তার পরিচয় হয় মালির মাধ্যমে। বাদশার ছোটো মেয়ে বুঝতে পেরেছিল জামশিদ আসলে মালির শাগরেদ নয় তার পরিচয় ভিন্ন। সে তার প্রেমে পড়ে যায়। বাদশার ছোটো মেয়ে তার কামরায় বিশ্রাম নিচ্ছিলো। … বিস্তারিত পড়ুন

মার্ভের খান দেখে না…চেনর

প্রাচীন ইরানে মার্ভ নামে একটি শহর ছিল। এখন অবশ্য এই শহরটি তুর্কেমেনিস্তানের অন্তর্ভুক্ত। তো ইরানের অন্তর্ভুক্ত ছিল যখন সে সময় মার্ভে দুই বন্ধু বাস করতো। তাদের মাঝে সম্পর্ক ছিল খুবই নিবিড়। তাদের শৈশবও কেটেছে একসাথে। ছোটো বেলা থেকেই একসাথে খেলাধুলা করেছে, ঘুরে বেড়িয়েছে, এক কথায় একসাথেই বেড়ে উঠেছে। শৈশবের বন্ধুত্বের একটা বৈশিষ্ট্য হলো দুজনের মাঝে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!