জাদুর যাঁতা

পুরনো দিনের কথা। এক লোক একটা ছাগল পালত। একদিন লোকটা তার ছোটো ছেলেকে বলল: ‘ছাগলটাকে নিয়ে যা চারণভূমিতে। ভালো করে চরাবি, বেশি বেশি ঘাস খাওয়াবি’। ছেলেটা ঠিকই ছাগলটাকে নিয়ে গেল মরুপ্রান্তরের দিকে। সেই সন্ধ্যা পর্যন্ত চরালো ছাগলটাকে। রাত হয়ে এলে ছেলেটা ছাগলটাকে নিয়ে ফিরে এলো বাড়িতে। রাতের বেলা বাবা ছাগলটাকে জিজ্ঞেস করল: ‘কীরে ছাগল! আজ … বিস্তারিত পড়ুন

শেয়াল ও যাঁতাচালক

অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক লোকের একটা যাঁতাকল ছিল। সবাই তাদের গম নিয়ে এসে যাঁতাকল চালককে দিত আর যাঁতাকলের মালিক গমগুলো যাঁতায় পিষে আটা তৈরি করে দিত। তার পারিশ্রমিক ঐ আটা থেকেই নিত সে। যাঁতাকলচালক ঘরের এক কোণে তার পারিশ্রমিকের আটাগুলো জমাতো। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো সকাল বেলা যখনি সে যাঁতাকলের কাছে আসতো দেখতো … বিস্তারিত পড়ুন

ন্যাড়া ও রাজকন্যা

এক রাজার এক কন্যা ছিল খুবই সুন্দরী। এই সুন্দরী রাজকন্যার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যে-ই আসতো তাকেই মহাবিপদে পড়তে হতো। একদিন এক ন্যাড়া-মানে মাথায় চুলবিহীন লোক-ভাবলো রাজকন্যাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে কেমন হয়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। ন্যাড়া তার পুটলিতে পাঁচটি রুটি পুরে রওনা দিলো রাজকন্যাকে বিয়ে করতে। পথে পড়লো একটা বন। বনের ভেতর বসে ছিল … বিস্তারিত পড়ুন

মাহির ও পানির দৈত্য

অনেক অনেকদিন আগে, সেই প্রাচীনকালের এক দম্পতির ঘটনা। তারা স্বামী স্ত্রী ভালোভাবেই দিন কাটাচ্ছিল। কিন্তু তাদের দুটো জিনিসের অভাব ছিল। একটা হলো ধন-সম্পদ অপরটি হলো সন্তান। বিয়ের বহু বছর পরও তাদের সন্তান হচ্ছিল না। অনেক ডাক্তার কবিরাজ, অনেক ওষুধ পথ্য খাবার পর আল্লাহ শেষ পর্যন্ত তাদেরকে একটি পুত্র সন্তান দিলেন। তারা সন্তানের নাম রাখলো ‘মাহির’। মাহির … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরিওয়ালা বাহরাম-শেষ অংশ

পাঠক! আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে গেল আসরে আমরা ফেরিওয়ালার ছেলে বাহরামকে দেওয়া সাপের রাজার আংটির গল্প শুনিয়েছিলাম। যাদুকরি ঐ আংটি দিয়ে বাহরাম কী করেছিল সেই গল্প শোনাবার সময় ছিল না। এ পর্বে গল্পের বাকী অংশ উপস্থাপন করা হলো: বলেছিলাম, সাপের রাজা হযরত সোলায়মানের আংটিটা বাহরামকে উপহার দিয়েছিলো। বাহরাম আংটিটা নিয়ে রাজাকে ধন্যবাদ জানালো। আর শাহজাদা … বিস্তারিত পড়ুন

ফেরিওয়ালা বাহরাম

  অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক ফেরিওয়ালা ছিল। তার স্ত্রীর সবেমাত্র এক সন্তান হলো, পুত্রসন্তান। ফেরিওয়ালা তার পুত্র সন্তানের নাম রাখলেন বাহরাম। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপারটি হলো ছেলেটি শৈশবেই তার ফেরিওয়ালা বাবাকে হারালো। সে কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হলো বাহরামের মাকে। এতো কষ্টের পরও বাহরামের মা চেয়েছিল সন্তানকে উপযুক্ত মানুষ বানাতে। কী করে ছেলেটাকে … বিস্তারিত পড়ুন

বুড়ি ও ব্যবসায়ীর গল্প

এক বৃদ্ধা মহিলার গল্প। তাঁর ছিল দুটি ছেলে সন্তান। এক ছেলে ছিল গ্রামের মাতবর বা নেতা গোছের। আরেক সন্তানও ছিল বেশ লেখাপড়া জানা। শিক্ষিত এই ছেলের নাম ছিল বাহলুল। এক রাতে এক ব্যবসায়ী এসে বৃদ্ধার ঘরের দরোজার কড়া নাড়ল। বৃদ্ধা দরোজা খুলে দিল। ব্যবসায়ী বৃদ্ধাকে বলল ‘আমাকে তোমার ঘরে থাকতে দেবে? রাত হয়ে গেছে, থাকার … বিস্তারিত পড়ুন

খকন চিনের কন্যা

  ফার্সি ভাষার লোক বা ফোক-গল্পগুলোর মধ্যে কিছু আছে বেশ বড়ো। যারা গল্প বলতো হাট-বাজারের খোলা জায়গায় বিভিন্ন কৌশলে আসর জমিয়ে গল্প বলতো। প্রতিদিনই তারা একটু একটু করে বলে দর্শক শ্রোতাদের মনে কৌতূহল জাগিয়ে রাখতো যাতে পরদিনও সবাই বাকি গল্প শুনতে আসে এবং তাই হতো। সবাই গল্প শোনার জন্যে উদগ্রিব হয়ে থাকতো এবং জমায়েতে এসে … বিস্তারিত পড়ুন

সিন্দাবাদের ঈগল

মৌখিক সাহিত্য বলে যেসব সাহিত্য ইতিহাসে ধরা হয়, সেগুলোর মধ্যে কবিতা যেমন আছে তেমনি কিসসা কাহিনী বর্ণনাও আছে। বিভিন্ন এলাকার মানুষের ভাষা যেহেতু বিভিন্ন ঢঙের সেজন্যে কিসসাগুলোও মুখে মুখে সেই ভাষাভঙ্গিতে ছড়িয়ে পড়েছে। কবিতার ধারাটি ইরানী জনগণের মাঝে বহু আগে থেকেই প্রচলিত ছিল। এগুলোকে ‘ফাহলাভিয়াত’ বলা হতো। কবিগান যারা করতেন তারা এই ফাহলাভিয়াত হাটে মাঠে … বিস্তারিত পড়ুন

‘সহস্র এক রজনী’র গল্প

কিসসা কাহিনী আর রূপকথার গুরুত্ব সাহিত্যে অপরিসীম। তবে এই সাহিত্যকে মৌখিক সাহিত্য বলে ধরা হয়। মৌখিক মানে হলো আজকাল গল্প যেমন লেখা হয় এবং ছাপা হয়ে বই তৈরি হয়, সেরকম রূপ আগেকার দিনে ছিল না। কারণটা হলো সে সময় না কাগজ ছিল না ছাপাখানা। মুখে মুখে তাই ছড়িয়ে পড়তো গল্প। আধুনিক লিখিত গল্প, ধ্রূপদী গল্প ইত্যাদির … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!