পটলার বন ভ্রমন — ২য় অংশ

  এসব ছাড়াও এবার ভূধর অজয়বাবুর সম্পদ দখল করার জন্যই তাকে সস্ত্রীক টানা গাড়িতে করে এই গভীর বনের মধ্যে বাংলোয় এনেছে। অজয়বাবু, মানসীদেবী শহরের ভিড় থেকে দূর নির্জনে এই বনবাংলোয় এসে খুশিই হন। তবে সবকিছু তো একসঙ্গে মেলে না। বাংলোয় ওঁরা বাইরে থেকে চাল, ডাল, তেল, ঘি, মালপত্র মাছ, সবই এনেছেন। এখানের বাংলায় কাজের লোকের … বিস্তারিত পড়ুন

পটলার বন ভ্রমন– শেষ অংশ

  ভূধর জানে কিসের ব্যবসার কথা বলছে ভজনলাল। ভূধর বলে, কই আর চলছে। হাতির দাঁত, বাঘের চামড়ার বহুৎ ডিমান্ড! মাল মিলছে না! ভজনলাল এককালে ছিল বনের চোরাশিকারি। যেমন সাহস আর তেমনি তার অব্যর্থ লক্ষ্য। অতীতে বহু শিকার করেছে রাজা-জমিদারদের জন্য। পরে শিকার নিষিদ্ধ হতে সে চোরা কাঠের কাজ আর চোরাশিকার করছে তার লোকজন দিয়ে। মন্দিরের … বিস্তারিত পড়ুন

পরির দেশ

  সে বহুকাল আগের কথা। এই পৃথিবী থেকে বহু দূরে ছিল একটা দেশ। যেখানে পরীরা এসে মানুষের সাথে গল্প করত। পাখিরা, মাছেরা সব কথা বলত। যেখানে ছিল বৃষ্টি গাছ। যে গাছের নীচে দাঁড়ালেই বৃষ্টি ঝরত আর সাথে মিষ্টি সুবাস। সেখানে ছিল একটা সুখ নদী। যে নদীর পাশে বসে কেউ দুখের কথা কইলে, নদী তার দুঃখ … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ৯ম উপাখ্যান

পরদিন ভোজরাজ আবার সিংহাসনে বসতে গেলে নবম পুতুল বললো, মহারাজ, আমার নাম কামকলিকা, আমার কথা শুনে তারপর সিংহাসনে বসবেন। বিক্রমাদিত্যের প্রধান মন্ত্রীর নাম ছিল ভট্টি, উপমন্ত্রী গোবিন্দ, সেনাপতি চন্দ্রশেখর এবং পুরোহিত ত্রিবিক্রম। ত্রিবিক্রমের পুত্রের নাম ছিল কমলাকর। তিনি পিতার দৌলতে সুখাদ্য ভোজন ও বহুমূল্য বস্ত্রে শরীরকে তোয়াজ করে মনের আনন্দে দিন কাটাতেন । পিতা একদিন … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ১০ম উপাখ্যান

পরদিন ভোজরাজ সিংহাসনে বসতে গেলে দশম পুতুল বললো, মহাবাজ, আমার নাম চণ্ডিকা, আমার কথা আগে শুনুন, তারপর সিংহাসনে বসবেন । বিক্রমাদিত্য যখন উজ্জয়িনীতে রাজত্ব করতেন তখন এক যোগী এসে উপস্থিত হলেন সেথানে। শোনা গেল এমন কোন বিদ্যা নেই যা তিনি জানেন না। বেদ, চিকিৎসা, জ্যোতিষ, গণিত, সঙ্গীত– সকল বিষয়ে পারদর্শী তিনি এককথায় তিনি সর্বজ্ঞ । … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ১ম উপাখ্যান

  তখন ভোজরাজ মন্ত্রীকে বস্ত্র ও রত্ন দিয়ে সম্মান দেখিয়ে সেই সিংহাসন নগরের মধ্যে আনালেন । এক হাজার থাম বিশিষ্ট একটি মন্দির তৈরি করে তার মধ্যে সেই সিংহাসনটি বসান হল। শুভদিনে রাজা মন্ত্রীদের সাথে সেখানে উপস্থিত হলেন । ব্রাহ্মণগণ রাজাকে আশীর্বাদ করলেন। পাঠকগণ স্তব পাঠ করে রাজার প্রশংসা করলেন । রাজা গরিব দুঃখী প্রজা ইত্যাদি … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ২য় উপাখ্যান

  পরদিন আবার যখন ভোজরাজ সিংহাসনে বসার জন্য দ্বিতীয় পুতুলের মাথায় পা দিয়েছেন, অমনি সেই পুতুল জীবন্ত হয়ে বললো, মহারাজ, আমার নাম প্রভাবতী, আপনার যদি বিক্রমাদিত্যের মত ধৈর্য গুণ থাকে তাহলে আপনি এই সিংহাসনে বসুন। ভোজরাজ বললেন, সেই বিক্রমাদিত্যের কি রকম ধৈর্যগুণ ছিল তা আমায় বল । পুতুল বললো, মহারাজ, একবার রাজা বিক্রমাদিত্য রাজ্যপালন করতে … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ৩য় উপাখ্যান

পরদিন রাজা আবার যখন সিংহাসনে ওঠার জন্য তৃতীয় পুতুলের মাথায় পা দিলেন, তখন সেই পুতুল বললো, মহারাজ, আমার নাম সুপ্রভা, আপনি কি রাজা বিক্রমাদিত্যের মত আপনপর ভেদ ত্যাগ করেছেন? করে থাকলে এই সিংহাসনে বসুন। ভোজরাজ বললেন, সেই রাজার আপনপর ভেদের কথা বল । পুতুল বললো, একদিন বিক্রমাদিত্য চিন্তা করলেন, এই সংসার অসার, কবে কার কি … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ৪র্থ উপাখ্যান

পরদিন ভোজরাজ চতুর্থ পুতুলের মাথায় পা দিতেই সেই পুতুল জীবন্ত হয়ে বললো, মহারাজ, আমার নাম ইন্দ্রসেনা, প্রথমে আমার গল্পটা শুনুন। বিক্রমাদিত্যের রাজ্যে এক ব্ৰাহ্মণ বাস করতেন। তিনি সকল বিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন, সকল গুণ ও জ্ঞান তাঁর ছিল। কিন্তু তাঁর কোন ছেলে ছিল না । মনের দুঃখে তাঁদের দিন কাটে। একদিন রাত্রে ব্ৰাহ্মণ স্বপ্ন দেখলেন, মাথায় … বিস্তারিত পড়ুন

বত্রিশ পুতুলের উপাখ্যান: ৫ম উপাখ্যান

  পরদিন ভোজরাজ সিংহাসনে বসতে গেলে আর একটি পুতুল বললো, মহারাজ, আমার নাম সুদতী, বিক্রমাদিত্য যখন রাজত্ব করতেন তখন এক রত্নবণিক তাঁর সামনে উপস্থিত হয়ে তার হাতে একটি মহামূল্যবান রত্ন উপহার দিলেন। রাজা সেই রত্নটি দেখে তা পরীক্ষা করার জন্য জহুরীদের ডেকে বললেন, এই রত্নটির মূল্য কত তা আমাকে জানাও । তারা সেই রত্ন পরীক্ষা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!