প্রেতনারী¬ [২য় অংশ]

তানিম চমকে ওঠে। ও অস্ফুট স্বরে বলে, কে উঠে আসে বললি …তানিম টের পায়, ওর হাতের তালু ভিজে গেছে। একটা মেয়ে। ফরসা ফুটফুইটা গায়ের রং। ধ্যাত! তুই এসব কি উলটাপালটা কথা বলছিস। সেই মেয়েরে আমি দেখছি … কখন? মুহূর্তেই তানিমের শরীর জমেযায়। ও দিঘির দিকে তাকায়। কালো পানির অথই বিস্তার। মাঝখানে দ্বীপের মতন। গাছপালা আছে। … বিস্তারিত পড়ুন

প্রেতনারী¬ [শেষ অংশ]

তানিম চমকে ওঠে। মা। ঘরে যা গরম। ঘুম আসছিল না। হু। গরম ভালোই পড়েছে। মা তিক্তস্বরে বলল, দ্যাখ তো, তোর চাচা-ফুপুরা সব কী শুরু করেছে ? জমি তোর বাবার। এখন বলছে অরিজিনাল কাগজ পত্র নেই। অথচ আমি শুনেছি গত বছরই এ অঞ্চলের ফাইনাল মাঠপর্চা সবাই নাকি পেয়ে গেছে। তানিম দীর্ঘশ্বাস। ওর এসব ভালো লাগে না। … বিস্তারিত পড়ুন

অশুভ গলির তিন প্রেত¬ [১ম অংশ]

নন্দীপাড়ার সরু রাস্তা ধরে হাঁটছিলাম। শুক্কুরবার সকাল। মেঘহীন উজ্জ্বল দিন। ঢাকা শহরের এ দিকটা বেশ ঘিঞ্জি। অনেকদিন এদিকটায় আমার আসা হয় নি। নন্দীপাড়ায় এসেছিলাম জমি দেখতে। আমার জমি পছন্দ হয়নি। তাছাড়া নিষ্কন্ঠক বলে মনে হল না। আমি ব্যাঙ্কে চাকরি করি। জাল কাগজপত্র সহজে ধরতে পারি। দালালের সঙ্গে কিছুক্ষণ চোটপাট করে এখন রাগের মাথায় বাড়ি ফিরে … বিস্তারিত পড়ুন

অশুভ গলির তিন প্রেত¬ [২য় অংশ]

ওয়াহেদ যদি এ দিকেই কোথাও দেড়-দুই কাঠার ওপর নিষ্কন্ঠক জমির খোজ দিতে পারে তো ভালো হয়। হাউজ বিল্ডিংয়ের লোন নিয়ে একটা বাড়ির কাজে হাত দেব। ফ্ল্যাটের এখন যা চড়া দাম। এদিকে নিজের একটা বাড়ির জন্য আমার বউ সঞ্চিতা বড় উতলা হয়ে উঠেছে। সেই খালি রিকশাটা ওয়াহেদদের বাড়ির সামনে থেমে আছে। রিকশায় একটা মাঝবয়েসি লোক উঠল। … বিস্তারিত পড়ুন

অশুভ গলির তিন প্রেত¬ [শেষ অংশ]

আমি বললাম, আমি …আমি … আমার নাম সৈয়দ এনামুল হক। আমি … মানে আমি ওয়াহেদের বন্ধু। আমরা একসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম। বলতে বলতে উঠে দাঁড়ালাম। সেই কালো বেড়ালটাকে কোথাও দেখলামনা। ওটা গেল কোথায় ? আশ্চর্য! অ। বৃদ্ধ কিছুক্ষণ আমার মুখে দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, হ। এইবার বুঝলাম। আমার নাম হইল মোশাররফ হোসেন। ওয়াহেদে হইল … বিস্তারিত পড়ুন

তার পাশেই ছিলো একটা নির্জন কবরস্থান

আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে। আমি ওয়ার্কসপে তখন কাজ করতাম। পার্টির মাল ডেলিভারী দেয়ার জন্য আমাদের একদিন অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। কাজ করতে করতে সেদিন আমাদের রাত বারোটা বেজে যায়। তখন আমরা সবাই মিলে(মোট চারজন ছিলাম) পুকুরে গেলাম হাত মুখ ধোয়ার জন্য। আমরা যেই পুকুরে হাত মুখ ধুতে এসেছি, তার পাশেই ছিলো … বিস্তারিত পড়ুন

“জাদি লাম” বা “জ্ঞানী বৃদ্ধ”

বান্দরবানের বাইশারী নামক এলাকায় নাকি মাসে একদিন এক বৃদ্ধের দেখা পাওয়া যায়।। মারমারা সেই বৃদ্ধের নাম দিয়েছে “জাদি লাম” বা “জ্ঞানী বৃদ্ধ” , এই বৃদ্ধ নাকি মারমাদের “তাইফুন তালেক” নামের এক দেবতাকে পূজা করার ব্যাপারে উৎসাহ দেন।। “তাইফুন তালেক” মৃত্যুর দেবতা।। বলা হয়ে থাকে, মৃত্যুর দেবতা কাউকে পছন্দ করলে সে নাকি শতবর্ষজীবী হয়।। অপরদিকে এই … বিস্তারিত পড়ুন

লোকটা তবে কে?

পত্রিকার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে হঠাৎ একটা খবরে চোখ আটকে যায় আবিরের। এক নিমেষেই পড়ে ফেলে সে খবরটি। একটি রঙিন ছবিসহ ছাপা হয়েছে। তেমন ডিটেইল নেই। তাতে কি? আবিরের আগ্রহ জাগানোর জন্য ওটুকুই যথেষ্ট। প্রত্যন্ত এক গাঁয়ে একটা রাজবাড়ির খোঁজ মিলেছে। ছবিতে পেড়ো বাড়িটার একাংশ দেখা যাচ্ছে। বাকিটা মাটির নিচে ঢাকা পড়ে আছে। তাতে একটা আধিভৌতিক … বিস্তারিত পড়ুন

অচেনা ভূত

মাছ ধরতে গিয়ে মেছো ভূতটা দেখে নদীর ওপারে কে যেনো গোসল করছে। এই ভর সন্ধ্যে বেলায় কে গোসল করে? খুব জানতে ইচ্ছে করে তার। ঘোমটা টেনে টপাটপ ডুব দিয়েই চলেছে নারী মূর্তিটি। মেছো ভূত হাওয়ার বেগে নদীর ওপারে চলে যায়। এমন খাস সন্ধ্যেতে ভয় দেখানোর যে কি মজা! ঝপ করে নদীতে পড়ে সে। চারিদিকে পানি … বিস্তারিত পড়ুন

ভূত আমার বন্ধু

বইমেলা থেকে অনেক বই এনেছি। একটি ভূতের বইও এনেছি। বইয়ের ভেতরে আছে ভূতের অনেক ছবি। স্কুলের পড়া শেষ করে ভূতের বইটি নিয়ে বসলাম। গভীর রাত। বইটির পাতা ওল্টাতেই হিঃ হিঃ হাঃ হাঃ করে হাসির আওয়াজ পেলাম। মনে হলো আমার পড়ার টেবিল থেকে আওয়াজ আসছে। টেবিলের ওপর-নিচে দেখলাম। নাহ্ কিছু নেই। মনে হয় ভুল শুনেছি। আবার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!