অন্ধকার সিঁড়িতে প্রেত¬ [২য় অংশ]

বাজার করে ফেরার সময়ই দৈনিক পত্রিকা কিনে আনি। এক সঙ্গে বেশ ক’টা পত্রিকাই কিনি। দৈনিক পত্রিকা পড়েই আমার অবসর সময়টুকু কেটে যায়। আমি পত্রিকায় চোখ বোলাতে থাকি। দুঃসংবাদই বেশি। জানালা দিয়ে হু হু করে রোদ ঢুকে পড়েছে জাজিমের ওপর, পত্রিকায়, আমার মুখের ওপর । নীচের গাছপালায় পাখিদের সরব কিচিরমিচির শুনতে পাচ্ছি। পুরনো এই দোতলা বাড়িটি … বিস্তারিত পড়ুন

অন্ধকার সিঁড়িতে প্রেত¬ [৩য় অংশ]

মোজাফফর ভাই বললেন, অর্থমন্ত্রী একটা স্রেফ গ … কথা শেষ হল না- টুম্পা এল । হাতে একটা গ্লাস। গ্লাসে সাদা ঘন তরল। বোরহানি মনে হল। জিনিসটা আমার ভারি পছন্দের। গ্লাসটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে টুম্পা বলল, খেয়ে দেখ তো আঙ্কেল, কেমন হয়েছে। গ্লাসটা নিয়ে এক চুমুক দিয়েছি। লাচ্ছি মনে হল। তবে পুদিনা পাতার গন্ধ বেশি। … বিস্তারিত পড়ুন

অন্ধকার সিঁড়িতে প্রেত¬ [শেষ অংশ]

দরজায় তালা লাগাতে যাব ঠিক তখুনি অন্ধকারে নারীকন্ঠ ফিসফিস করে বলছে, তুমি আমায় ভুলতে পার না কেন জাফর? আশ্চর্য! ফরিদা ভাবির কন্ঠস্বর। কে যেন খনখনে কন্ঠে বলল, আমি যে তোমায় ভালোবাসি পরী। আমি শিউরে উঠলাম। সিঁড়ি দিয়ে কয়েক ধাপ নেমে আসি। নীচে বাল্ব জ্বলেছিল। আবছা আলোয় দেখলাম একটি নারীমূর্তি একটি লম্বা শীর্ণ ছায়া ছায়া শরীরের … বিস্তারিত পড়ুন

অতিপ্রাকৃত [১ম অংশ]

সকালবেলায় জেসমিন-এর ফোন। চাপা স্বরে বলল, মামা, আমার সর্বনাশ হয়েগেছে । আমার কাজের মেয়েটা না পেত্নী! সাত সকালে এমন ফোন পেয়ে থ হয়ে গেলাম। তবে জেসমিন- এর বিবেচনাবোধ সম্বন্ধে আমার ভালো ধারণা আছে।সুতরাং শান্ত স্বরে জিজ্ঞেস করলাম, কীভাবে বুঝলে যে তোমার কাজের মেয়েটা পেত্নী! জেসমিন বলল, কাজের মেয়েটা নতুন এসেছে। আপনি এখনও দেখেননি। নাম হাজেরা … বিস্তারিত পড়ুন

অতিপ্রাকৃত ¬[২য় অংশ]

লিফটের কাছে তাঁকে রিসীভ করে বললাম, এসো সাদেক মিঞা। কেমন আছ? আল্লায় তার বান্দারে রাখছে। আপনার শরীর ভালো নি? আমি ভালো। ঘরে এসে দরজা বন্ধ করতে করতে বললাম। বস। আরাম করে। সাদেক মিঞা সোফায় বসল। এদিক-ওদিক দেখছে। ড্রইংরুমটা তেমন সাজাগো গোছানো না। বইপত্র ছড়ানো। সাদেক মিঞার হাতে একটা পাটের ব্যাগ। অতি গ্রাম্য চেহারা । পরনে … বিস্তারিত পড়ুন

অতিপ্রাকৃত ¬[৩য় অংশ]

আদিত্য কি বলতে যাবে- হাজেরা চা নিয়ে এল। এত শীঘ্র চা বানাল কীভাবে। আমি অবাক হলাম। দেখলাম আদিত্য অবাক হয়ে হাজেরার মুখের দিকে চেয়ে আছে। চা দিয়ে হাজেরা চলে যেতেই আদিত্য বলল, মামা আমি এই মেয়েটাকে এর আগে দেখেছি। সে কী রে। কোথায় দেখেছিস? তোমাকে বলেছিলাম না- গতবছর আমি সুতারখালী গিয়েছিলাম? হ্যাঁ। মনে আছে। মেয়েটাকে … বিস্তারিত পড়ুন

অতিপ্রাকৃত ¬ [শেষ অংশ]

আদিত্য উঠে দাঁড়াল। ওকে ভাঙতি কিছু টাকা দিয়ে দরজা অবধি পৌছে দিলাম। তারপর দরজা বন্ধ করে গেস্টরূমে উঁকি দিলাম। সাদেক মিঞা ভোস ভোস করে ঘুমাচ্ছে। তবে গেস্টরুমে আতরের তীব্র গন্ধ পেয়ে অবাক হলাম। আমার ঘরে যেতেই বাজে একটা আশটে গন্ধ। মনে পড়ল আদিত্য নিশিকাটি গ্রামে হাজেরাকে দেখেছে বলল। আসলে আদিত্যর কোনও কারণে হেলুসিনেশন হয়েছে। ভারি … বিস্তারিত পড়ুন

সতরই জুলাই [১ম অংশ]

কয়েক বছর আগে আমার একবার অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আমার এক মৃত বন্ধু আমার কাছে ফিরে এসেছিল। ওই অস্বাভাবিক ঘটনাটি মনে পড়লে আজও আমি বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যাই … বছর কয়েক আগের কথা । বর্ষাকাল। রাতদিন দফায় দফায় বৃষ্টি। এক রাতে ভিজে অফিস থেকে বাড়ি ফিরেছি। আমি তখন ঢাকায় একাই থাকি। মা-বাবা থাকেন যশোর । আমার … বিস্তারিত পড়ুন

সতরই জুলাই শেষ অংশ]

রাতে ভালো ঘুম এল না। ঘুমটা বারবার ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছিল। একবার ঘুমের মধ্যেই যেন … কী একটা গাছ দেখতে পেলাম, গাছটা বেশবড় । গাছ থেকে অনেক পাখি উড়ে গেল…সবুজ রঙের পাখি মনে হল…টিয়াপাখি মনে হল … দৃশ্যটা কেমন পরিচিত মনে হল …মনে হল বহুদিন আগে দেখেছি … সতরই জুলাই ভোরবেলা ওয়াহেদ- এর ফোন পেলাম। ওয়াহেদ … বিস্তারিত পড়ুন

গর্জনিয়ার উড়ন্ত লামা ও অলৌকিক নীলশঙ্খ-১ম পর্ব

রামু থেকে গর্জনিয়া যাওয়ার পথে বাসে একজন মাঝবয়েসি ভিক্ষু আমাকে বলল, খুব শিগগির নাকি আমি এক ডাকিনীর খপ্পড়ে পড়ব । কথাটা শুনে আমি সাঙ্ঘাতিক রকমের ঘাবড়ে গেলাম। আমার ঘাবড়ে যাওয়ারই কথা। কারণ ডাকিনীর খপ্পড়ে পড়া তো ভারী সাঙ্ঘাতিক ঘটনা। তা ছাড়া আমি এর আগে কখনও ডাকিনীর খপ্পড়ে পড়িনি। সত্যিকারের ডাকিনীরা দেখতে কেমন হয়, তাও জানি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!