দেশ বিদেশের ভুত

একটা গল্প ছিল যে একটা লোক বর্ষার সন্ধ্যায় একটা মাছ কিনে বাড়ি ফিরছিল। পথে একটা ভুত তাঁর পিছু নেয়। সামনে বলতে থাকে,“ দেঁ না খাঁই,দেঁ না খাঁই,দেঁ না খাঁই দেঁ না……। লোকটা বাড়ি পৌছালে তাঁর গিন্নিকে মাছটা দিয়ে দিয়েছে। গিন্নি যখন রাঁধছে, মাছ তখন রন্নাঘরের ছাদের চিমনি দিয়ে গলগল করে বেরোনো ধোঁয়ায় মাছের গন্ধ পেয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

কালো পাঞ্জাবী

ঘটনা মুক্তিযুদ্ধেরও অনেক আগের। আমার আম্মা হিন্দু কায়স্থ ছিলেন। বিয়ের পর মুসলমান হন। আম্মা যখন প্রথম বার কন্সিভ করেন, এর পর থেকে একজন লোক কে দেখতেন জানালা দিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসছে। সেই লোকটা কালো পাঞ্জাবী, কালো পাইজামা ও কালো টুপি পরা ছিল। তার মুখে কালো দাড়ি ছিল। এমনকি, তার হাতে একটি তসবি ছিল সেটাও … বিস্তারিত পড়ুন

খুলির আর্তনাত

মাঝে মাঝে বস্তুটাকে আমি চিল্লাতে শুনি।আরে না না,আমি ভিতু নই।কল্পনাশক্তির দৌড়ও বেশি আমার।সবচেয়ে বড় কথা আমি কখনো ভূতে বিশ্বাসটিশ্বাসও করিনি।অবশ্য আ বস্তুটা ভুত হলে অন্য কথা।তবে জিনিস টা যাই হোক না কেন এটা লিউক প্যাটকে যতোটা ঘেন্না করতে আমাকেও ততটাই করে। আমায় দেখলে চ্যাচায়।   বুঝলেন,ডিনার টেবিলে বসে কাউকে কোন ভয়ানক খুনের কায়দাটায়দার গল্প শোনাবেন … বিস্তারিত পড়ুন

কুঁজো আর ভূত-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

কানাই বলে একটি লোক ছিল, তার পিঠে তার পিঠে ছিল ভয়ঙ্কর একটা কৃঁজ। বেচারা বড্ড ভালমানুষ ছিল, লোকের অসুখ-বিসুখে ওষুধপত্র দিয়ে তাদের কত উপকার করত। কিন্তু কুঁজো বলে তাকে কেউ ভালবাসত না। কানাইয়ের ঝুড়ির দোকান লোক ছিল। আর কোনো ঝুড়িওয়ালা তার মত ঝুড়ি বুনতে পারত না। তারা তাকে ভারি হিংসা করত, আর তার নামে যা-তা … বিস্তারিত পড়ুন

ভূত দেশে দেশে

সিঙ্গাপুরের পশ্চিমের একটি প্রসিদ্ধ ভূতুড়ে স্থান আছে। জায়গাটা বুকিত তিমাহ রোডের পাশে অবস্থিত পুরাতন ফোর্ড মোটর ফ্যাক্টরি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানী সেনাবাহিনী এই ফ্যাক্টরিটা তাদের সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে। মূলত: যুদ্ধাহত শত্রুসেনা বা প্রতিপক্ষের চর বা বন্দীদের এখানে ধরে এনে নির্যাতন এবং বন্দী করে রাখা হত। যুদ্ধ শেষ হলেও স্থানীয় লোকজন বলাবলি … বিস্তারিত পড়ুন

ভূতের গল্প-উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী

আমি ভূতের গল্প বড় ভালবাসি। তোমরা পাঁচ জনে মিলিয়া গল্প কর, সেখানে পাঁচ ঘন্টা বসিয়া থাকিতে পারি। ইহাতে যে কি মজা! একটা শুনিলে আর-একটা শুনিতে ইচ্ছা করে, দুটা শুনিলে একটা কথা কহিতে ইচ্ছা করে। গল্প শেষ হইয়া গেলে একাকী ঘরের বাহিরে যাইতে ইচ্ছে হয় না। তোমাদের মধ্যে আমার মতন কেহ আছ কি না জানি না, … বিস্তারিত পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ভৌতিক গল্প-‘ছায়াসঙ্গী’ -১

প্রতি বছর শীতের ছুটির সময় ভাবি কিছুদিন গ্রামে কাটিয়ে আসব। দলবল নিয়ে যাব- হৈচৈ করা যাবে। আমার বাচ্চারা কখনও গ্রাম দেখেনি- তারা খুশি হবে। পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপি করতে পারবে। শাপলা ফুল শুধু যে মতিঝিলের সামনেই ফোটে না, অন্যান্য জায়গাতেও ফোটে তাও স্বচক্ষে দেখবে। আমার বেশির ভাগ পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারি না। এটা কেমন করে … বিস্তারিত পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ভৌতিক গল্প ‘ছায়াসঙ্গী’ -২

‘ছায়াসঙ্গী’ ২য় অংশঃ তিন বছর আগে কার্তিক মাসের মাঝামাঝি মন্তাজ মিয়া দুপুরে প্রবল জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরে। সেই জ্বরের প্রকোপ এতই বেশি যে শেষ পর্যন্ত মন্তাজ মিয়ার হতদরিদ্র বাবা একজন ডাক্তারও নিয়ে এলেন। ডাক্তার আনার কিছুক্ষণের মধ্যেই মন্তাজ মিয়া মারা গেল। গ্রামে জন্ম এবং মৃত্যু দুটোই বেশ স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হয়। মন্তাজ মিয়ার মা কিছুক্ষণ … বিস্তারিত পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ভৌতিক গল্প ‘ছায়াসঙ্গী’ -শেষ

আমার স্ত্রী তাকে খুব যত্ন করে খাওয়াল। খাওয়ার শেষে তাকে শাড়িটি দেওয়া হলো। মেয়েটি অভিভূত হয়ে গেল। এ রকম একটা উপহার বোধহয় তার কল্পনাতেও ছিল না। তার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে লাগল। আমি তাকে আমার ঘরে ডেকে নিলাম। কোমল গলায় বললাম, কেমন আছ রহিমা? রহিমা ফিসফিস করে বলল, ভালো আছি ভাইজান। ‘শাড়ি পছন্দ … বিস্তারিত পড়ুন

আশ্চর্য ভূতের গল্প

তখন আমার বয়স দশ বছর। আমি বরাবর একটু ঘরকুনো টাইপের। আমার ছোটো চাচা ছিলো আমার সর্বক্ষণের সঙ্গী। সে ছিলো খুব সাহসী আর বেপরোয়া। আর তার উপর গ্রামে থাকে। কিছুই ভয় পেতোনা সে। তো এবার আসল ঘটনায় আসা যাক। ভাদ্র মাস, তাল পাকার মাস। তো একদিন রাত ৪ টায় সে গেল তাল টোকাতে। কিন্তু সেদিন কপালে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!