রহস্য গল্প

রহস্য গল্প

কায়েস চৌধুরীর মাথার ভেতরে চিন্তা চলছে ঝড়ের গতিতে। সম্মেলনকেন্দ্রের ভেতরের মৃদু শব্দে চলা এয়ার কন্ডিশনারটাও পারছে না তার কপালের ঘামের ফোঁটাগুলোকে থামিয়ে দিতে। কফির কাপে চুমুক দিচ্ছেন কায়েস চৌধুরী। তেতো কফি- অন্য সময় হলে ছুঁড়ে ফেলে দিতেন তিনি এটাকে- এই মুহুর্তে ভ্রুক্ষেপও করছেন না সেদিকে। ভয় পেয়েছেন, কায়েস চৌধুরী ভয় পেয়েছেন… প্রথমে হলুদ স্কার্ফে ফ্যাঁসফ্যাঁসে … বিস্তারিত পড়ুন

রাজ বাড়ী

হয়তো এটা আমার একটা বিভ্রান্তি।। তবু ও আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করতে ভীষণ ইচ্ছে করছে।। তখন আমি অনেক ছোট।। চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি।। মুক্তাগাছা রাজবাড়ির পাশেই একটা বাসায় আমরা থাকতাম।। আমাদের বাসায় যিনি কাজ করতেন তার একটা ছোট মেয়ে ছিল।। সেই মেয়েটাই ছিল আমার প্রতিদিনের খেলার সঙ্গি।। মূল ঘটনায় আসি। একদিন স্কুল থেকে বাসায় আসার পর … বিস্তারিত পড়ুন

মিথ্যার মুখোমুখি প্রতিদিন– ঢাকা মেডিকেলের পরী

ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা পরী দেখছে। পিলে চমকানো সুন্দরী পরী। পরীরা কাউকে ডাকছে (ছুটির নিমন্ত্রণে), কাউকে ‘বাল্ব’ ছুঁড়ে মারছে কিংবা কাউকে চেপে ধরছে। বকসিবাজার এলাকার পরী যে শুধু ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা দেখছে ছাত্রী হলের পুরুষ দারোয়ানও। তবে ছাত্রীরা এখনো কেউ দেখেনে। ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে বিতর্ক আছে। আলোচিত দু’টি ঘটনাই বলছি। শেষ বর্ষের ছাত্রটির পরীক্ষা চলছিলো। দুপুরে … বিস্তারিত পড়ুন

ভূলের কাছে ঋণ

প্রাচীনকালে একটি গ্রামের শেষ প্রান্তে পর্বত নামে একটি গরীব লোক ছিল। তার বউ আর সে একটি কুঁড়েঘরে থাকত। তার কুঁড়ের পাশে ছিল আর একটি ঘর। একদিন ঐ ঘরে ঢুকল এক বুড়ো। বুড়োর আত্মীয় স্বজন কেউ ছিল না। বুড়ো অসুস্থ ছিল। এসব লক্ষ্য করে তাকে সাহায্য করার ইচ্ছা জগল পর্বতের মনে। কিন্তু ইচ্ছা জাগলেও পর্বতের ক্ষমতা … বিস্তারিত পড়ুন

কর্তার ভূত

১ বুড়ো কর্তার মরণকালে দেশসুদ্ধ সবাই বলে উঠল, ‘তুমি গেলে আমাদের কী দশা হবে।’ শুনে তারও মনে দুঃখ হল। ভাবলে, ‘আমি গেলে এদের ঠাণ্ডা রাখবে কে।’ তা ব’লে মরণ তো এড়াবার জো নেই। তবু দেবতা দয়া করে বললেন, ‘ভাবনা কী। লোকটা ভূত হয়েই এদের ঘাড়ে চেপে থাক্‌-না। মানুষের মৃত্যু আছে, ভূতের তো মৃত্যু নেই।’ ২ … বিস্তারিত পড়ুন

কঙ্কাল

আমরা তিন বাল্যসঙ্গী যে ঘরে শয়ন করিতাম তাহার পাশের ঘরের দেয়ালে একটি আস্ত নরকঙ্কাল ঝুলানো থাকিত। রাত্রে বাতাসে তাহার হাড়গুলা খট্‌খট্‌ শব্দ করিয়া নড়িত। দিনের বেলায় আমাদিগকে সেই হাড় নাড়িতে হইত। আমরা তখন পণ্ডিত-মহাশয়ের নিকট মেঘনাদবধ এবং ক্যাম্বেল স্কুলের এক ছাত্রের কাছে অস্থিবিদ্যা পড়িতাম। আমাদের অভিভাবকের ইচ্ছা ছিল আমাদিগকে সহসা সর্ববিদ্যায় পারদর্শী করিয়া তুলিবেন। তাঁহার … বিস্তারিত পড়ুন

ভবিষ্যতের ভূত

এক মাস ধরে সমীকরণটা জ্বালিয়ে মারছিল বিজ্ঞানের শিক্ষক নেপাল চন্দ্র নাথকে। ঘুমের মধ্যে মানুষের রূপ ধরে হানা দিত সূত্র। কাঁচুমাচু করে বলত, ‘স্যার, আমার একটা গতি করেন। এত প্যাঁচ ভালো লাগে না।’ স্যার ধমকে বলতেন, ‘তোমার গতি করে দেশ-দুনিয়ার কী লাভ শুনি!’ সমীকরণটা তখন পকেট থেকে একটা ‘এক্স’ বের করে বলত, ‘এই এক্স-এর মান বের … বিস্তারিত পড়ুন

নীলচরের ভূত —- হূমায়ুন কবীর ঢালি

এক বিলের নাম নীলচর। এলাকার মানুষজনের ভাষায় নীলচর বিল। জমির মানচিত্রের ভাষায় এর নাম নীলের চর মৌজা। কিশোর মুন্না এটাকে বলে নীলবিল। মাঝেমাঝে ছন্দ মিলিয়ে বলে, নীলের চর বিল মাছের কিলবিল। এলাকারলোকজন এই বিলে মাছ ধরতে যায়না। কারন, নীলচরের বিলে রয়েছে ভূতের উৎপাত। কেউ যদি মাছ ধরতে যায় তাহলে নাকি ভূতেরা দূর থেকে ঢিল ছোঁড়ে। … বিস্তারিত পড়ুন

ভূত না ভূতুড়ে— অমিত গাঙ্গুলী

গপ্পো টা অনেক দিন আগেকার, সেই আমার ছোট্টবেলার। তখন আমাদের শহর এতো ঝাঁ চকচকে ছিল না। চারিদিকে প্রচুর গাছপালা, বেশ ফাঁকা ফাঁকা। আমার বয়স তখন ১৩/১৪ হবে। এদিক সেদিক যাবার স্বাধীনতাও ছিল বিস্তর। আমরা কজন বন্ধু মিলে সাইকেল চড়ে শহরের আনাচে কানাচে সব জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম। তার মধ্যে গঙ্গার ধার টা ছিল বেশ মনোরম। কি … বিস্তারিত পড়ুন

নিস্তব্ধ রাত

সন্ধ্যার পর এই নদীর ঘাটে কেউ আর আসে না। লোকে বলে এখানে এমন সময় ভূত আসে। কিন্তু, সেই বাঁধানো ঘাটে সন্ধ্যের পর রঞ্জন আসে।অফিসের দরজায় ধর্না দিতে দিতে যে এখন ক্লান্ত, বিষন্নতার তীব্র আঘাতে প্রায় অনুভূতি শূন্য। এমন লোকের কাছে আবার কিসের ভূতের ভয়! প্রতিদিন সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলে তাকে একবার আসতেই হত এখানে। হঠাৎ একদিন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!