ক্রিয়েটিভ

“আজকের এই ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছে . . .” সঞ্চালকের ঘোষণা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই স্টেজে উঠে এল ছেলেটা। শৌভনিক ব্যানার্জি। শান্তশিষ্ট চেহারার বাচ্চা ছেলে। পুরস্কার নেওয়ার পর দেখলাম সঞ্চালক ওকে কানে কানে কিছু একটা বলল। ছেলেটা আস্তে করে মাথা নেড়ে দেখলাম উইংসের ভেতর ঢুকে গেল। আসলে আমরাই বলেছিলাম যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান … বিস্তারিত পড়ুন

নেহাৎই কাকতালীয়

ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি রথের দিন ঠিক বৃষ্টি হবেই ! কালিদাস নয় বলেছিল “আষাড়স্য প্রথম দিবসে/ মেঘ যদি জল নামায় /ছাতা ছাড়া ভিজলে পরে / দোষ দিও না আমায় !!” নাহ , কালিদাস কিন্ত বরাহমিহির ছিলেন না যে টিকি গুটিয়ে আকাশ মেপে বর্ষার দিনক্ষন বলে দেবেন । আবার এটা পারস্যও নয় যে ওমর খৈয়ামের মতো … বিস্তারিত পড়ুন

নামল ছায়া ধরণীতে

“সকাল বেলা সূর্য যখন পূর্ব দিকে প্রথম উঁকি মারে তখন কি একবারের জন্য-ও ভাবে আগের দিন অস্ত যাওয়ার আগে যাদের দেখেছিল তাদের অনেকেই আজ আর তাকে দেখল না” আগের দিন রাতেই শোয়ার সময় শ্রী বলেছিল – “দাদান আমরা কাল চলে যাব। তুমি আজকেই তসমা শাহ্-র গল্পটা শেষ করে দেবে।” গল্প শেষ করেছিলেন শেখর। ততক্ষনে নাতনি … বিস্তারিত পড়ুন

প্রবাসীর দিনলিপি-০৩

আগে যা হয়েছে: বাড়ির সমর্থনে চাকরিতে যোগ না দিয়ে পরিমল অঙ্কে উচ্চশিক্ষার কারণে বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রুদ্র তাকে সাহায্য করে তথ্যাদির ব্যাপারে। সেইমত সে জিআরই পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার সময় মাতাল হয়ে সে নিজের পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলে। চারদিন পরে তার বাড়িতে গোয়েন্দা দপ্তর থেকে একটি  চিঠি আসে। চিঠির বয়ান অনুযায়ী সে ভবানীভবন পৌঁছয় … বিস্তারিত পড়ুন

প্রবাসীর দিনলিপি-০২

আগে যা হয়েছে: বহরমপুরের পরিমল সমাদ্দার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পাওয়ার পর চাকরিতে যোগ দেওয়ার অপেক্ষা করছিল। ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণে তার চাকরির যোগ দানের সময় টা পিছিয়ে যায়। রুদ্র, তার এক বন্ধু অঙ্কে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অনুভাদেবী পরিমলকে একই কাজ করতে বললেন। পরিমল তাঁর কথা মেনে নেয়। কনিকাদেবী তাকে সমর্থন করলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

প্রবাসীর দিনলিপি-০১

বিধিসম্মত সতর্কীকরণ: এই রচনার সমস্ত চরিত্র বাস্তব। জীবিত বা মৃত কোনো ব্যক্তিবিশেষের সাথে কোনরকম সামঞ্জস্য সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত। নিরাপত্তার কারণে কিছু নামধাম বদলে দেওয়া হলো। -” ও মা, কতক্ষণে পৌঁছব?” -” এই তো এসে গেছি বাবা। আর একটু পরেই একটা বিশাল বড় এয়ারপোর্ট এ আমরা নামব।” -“তুমি তো খালি একই কথা বলে যাচ্ছ। প্লেন টা তো … বিস্তারিত পড়ুন

অগণতান্ত্রিক

এ ক’দিন নবুদা ঘাপটি মেরে কোন চুলোয় যে ছিল , তা কেউ জানেনা । নির্বাচনের আগে FANTA বাওয়ালের পরে, কোর্টের বেইল পেতে তাকে বেশ কিছুদিন ভুগতে হয়েছিল বটে, তবে তাতে একেবারে দম বের হয়ে যায়নি কারোরই । দম বেরোলেও দমবার পাত্র তো নয় এরা !! তবে জেলের খাবার খেয়ে হুলোর পিলে বেড়ে গেছিলো, হয় কথায় … বিস্তারিত পড়ুন

খবরের গল্প

সন্ধ্যেবেলার দিকটায় ট্রেনে বেশ ভালই ভিড় থাকে। দিনটা শনিবার হলেও তার ব্যতিক্রম নয়। মেট্রো সাবওয়ে থেকে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে বেরিয়েই ‘দাদা এটা কোন ট্রেন?’ জিজ্ঞেস করে উত্তরের প্রায় শুরুটা কোনওরকমে শুনে বাকিটা একেবারে সঠিক আন্দাজ করে নিজেকে যে কোনও একটা গেটের সামনে ধস্তাধস্তির মধ্যে ফেলে দিয়ে অভ্যস্ত ভঙ্গিতে কয়েকজন ট্রেনে উঠে পড়লেন। এত ভিড় এবং … বিস্তারিত পড়ুন

ছোট্ট গল্প ৩

ওরা দুজন আলস্য আর সমবেদনা একে অপরকে জড়িয়ে শুয়েছিল। নরম রোদ এসে পড়ছিল শিশুগাছটার পাতার ফাঁক দিয়ে। সেই রোদে গা এলিয়ে পড়েছিল ওরা। এদিকে ফরিদ মিয়াকে হাটে যেতে হবে। ডজনখানেক দাড়িওয়ালা ছাগলকে সঙ্গে নিয়ে নিজের ছাগল দাড়িটা চুমরে নিয়ে ফরিদ ওদের সামনে এসে বললে “একটু রাস্তাটা ছাড়েন দেখি…” ওরা নড়তে চায়না। গোরুর গাড়ি হাঁকিয়ে এসে … বিস্তারিত পড়ুন

ছোট্ট গল্প ২

আড্ডা দীপক সেদিন বলছিল “এই শহুরে বাঙালিগুলো আঁতলামি করে করেই গেল। আর্ট ফিলিম না হলে দেখবে না, এমন নাক উঁচু। আরে ভাই, কমার্শিয়াল সিনেমা না দেখতে গেলে ইন্ডাস্ট্রিটা চলবে কি করে?” অনেকেরই পছন্দ হল না কথাটা। গরম বাক্য বিনিময়ে জমে উঠেছিল চাটুজ্জেদের বৈঠকখানা। রুদ্র আমাদের মধ্যে একটু ডাকাবুকো সৎ স্বভাবের ছেলে বলে পরিচিত। সেই সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!