অবলাকান্তর দপ্তর… অষ্টম পর্ব

অবলাকান্ত স্বপ্ন দেখছিল একটা মেছো ভূত তাকে তাড়া করে এসে টিপ করে করে মাছ ছুঁড়ে মারছে আর মাঝে মাঝেই জোর গাঁট্টা লাগাচ্ছে। অবলাকান্ত পালাতে পালাতে পেছন ফিরে দেখল ভুতের মাথাটা অবিকল কেষ্টার মত। সেই হাড়গিলে লম্বা চেহারা, কড়াইশুঁটির ডানার মত ছোট্ট ছোট্ট চোখ, খাড়া খাড়া চুল। কালদিঘির ধার দিয়ে দৌড়চ্ছে সে। হঠাৎ করে কোত্থেকে বটু … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… ষষ্ঠ পর্ব

এই বিশে কেষ্টার ডান হাত। ভালো ফুটবল খেলত; এখন তাস পেটা ছাড়া কিছুই করে না। কালীমন্দিরের থেকে খানিকটা দূরে শ্মশানের সীমানা যেখানে শুরু হয়েছে সেখানেই ওদের আড্ডার ঠেকে এসে পৌঁছেছে বিশে। কেষ্টা ছাড়াও জনা চারেক উঠতি ছোকরা সেখানে উপস্থিত। শেকড়ের দৌলতে কানটা দিব্বি কাজ করছে। কিন্তু ওরাও ভীষণ ফিসফিসিয়ে কথা বলছে। এতো গোপনীয়তা কিসের ভাবে … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… পঞ্চম পর্ব

মাঠ ঘাট সব পেরিয়ে যাচ্ছে দুপাশে। দৌড়নোর আনন্দে খেয়ালই করে নি যে পুরনো কালীমন্দিরের কাছে চলে এসেছে। সামনেই কাপালিক কালিধরের ডেরা। অদ্ভুত কিছু উচ্চারণ কানে আসতে এগিয়ে গেলো। মন্দিরের পাশের ভাঙা দেওয়ালের গায়ে একটা বহু প্রাচীন অশ্বত্থ গাছ রয়েছে। তার একটা ঝুড়ি প্রায় জাপটে ধরে আড়াল থেকে দেখতে লাগলো। একটা সস্তা ফুটিফাটা ছাপানো ব্যাঘ্রচর্মের আসনে … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… চতুর্থ পর্ব

এতক্ষন একজায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় শীত শীত লাগছে। আলোয়ানটা ভালো করে জড়িয়ে সামনের টিউবকলে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিলো। জলের ছোঁয়া লেগে আবার ঝরঝরে ভাবটা ফিরে এসেছে। কিন্তু ঠাণ্ডা লেগে পরপর বেশ কয়েকটা হাঁচিও দিলো সঙ্গে। মাথায় ছাগল চুরির ব্যাপারটা বিজবিজ করছে।কিন্তু তদন্ত করতে ইচ্ছে হলেও কান্নাকাটির মধ্যে কবিরাজ মশাইয়ের বাড়ি যেতে আর ইচ্ছে করল না … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… তৃতীয় পর্ব

পরদিন সকালে উঠে রেডিওতে খান দুই পুরাতনী আর রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনে আড়মোড়া ভেঙ্গে উঠে পড়ল অবলাকান্ত। তার বাড়ির বিশাল বাগানটা যেখানে ছিল যেখানে সেখানে এখন আগাছা এবং বিশাল বিশাল গাছ ভর্তি। দু খানা সাদা পাথরের পরীর মূর্তি ছিল; তারা এখন মাটিতে ধরাশায়ী।গরমের সময় সাপের উপদ্রবে চলাই মুশকিল। দাশু এদিক ওদিক কিছু শাকপাতা লাগিয়েছে বটে কিন্তু বিশেষ … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… দ্বিতীয় পর্ব

কাঁসার গ্লাসে করে পেল্লায় এক গ্লাস ছাতুর ঘোল খেয়ে এক টুকরো পাটালী গুড় চুষতে চুষতে অবলাকান্ত কালো দীঘির দিকে এগোল। কালো দীঘি বলবার কারণ জলের রঙটা। গ্রামের পুকুরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আর বড় মাছ এখানেই পাওয়া যায়। তবে একটাও নেওয়ার জো নেই কারো। কারণ এটার মালিক মুখুজ্জেরা। এককালের অভিজাত বাড়ি। এখনকার ঝরতি পড়তি অবস্থায় কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

আসুন কষ্ট – কল্পনা করি ( প্রথম পর্ব )

বন্ধুগণ ,  পাঠ্যবই , খবরের কাগজ , এস এম এস – ঘেঁষে মেশ , লিপ কিস – কিস মিস ,  ভেজ – নন ভেজ সায়রী , লুকিয়ে লেখা সেন্টিমেন্টাল ডায়েরী – এসব   অনেক হয়েছে ।। মেথড মানা বই – পুঁথির  পাহাড়  , কাশ্যপ মুনির অফ -বিট স্ক্রিপ্ট  বা  পরমপিতার  গত বাঁধা চোতা  মেনে চলা  আম জীবন – ভাম জীবনের   আগাছা ,  পাথর   হটিয়ে আসুন কিছু আজগুবি কল্পনা করে ফেলি … বিস্তারিত পড়ুন

বরফের গুলতি,কানি বুড়ি অথবা কতিপয় কল্পনার সারমর্ম

আজ সন্ধ্যেবেলা থেকেই শরীরটা একদম বেঁকে বসে আছে,ঠিক সেরকম, যেমন মাঝে মাঝে তোমাকে আদর করার সময় বাঁকিয়ে নিতাম তোমার নিপুন শরীরটিকে,আদরের ভঙ্গিমা পরিবর্তনের প্রয়োজনহেতু।আজ সেই সন্ধ্যেবেলা থেকে আমার শরীরও একইভাবে বেঁকে সেঁটে আছে বিছানায়,হয়তো ইচ্ছে করলেই খানিকটা সোজা হয়ে নিতে পারবো,কিন্তু তারপরও সোজা হতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে ক্ষুধাহীন,প্রকৃতির কোন ডাক সাড়াহীন যদি এইভাবে … বিস্তারিত পড়ুন

মৃচ্ছকটিকম

রবিবার এমনিতে বিল্লো ভাইয়ের সেলুন দুপুর অব্দি হাউসফুল থাকে। কিন্তু সেই রবিবার NOTA -এর বিরুদ্ধে ছোট বড় মিলে ন’টা পার্টি ‘বন্ধ’ ডাকায়ে রাস্তা ঘাট সকাল থেকেই শুনশান। এদিকে মধ্যবিত্ত বাঙালি বাড়িতে ফ্রিজ আসার পর থেকে, রবিবারে সাতসকালে থলে হাতে চন্দ্রমুখী কিনতে আর বাজারমুখী হয় না। সপ্তাহান্তে একটি দিন দেরী করে উঠবে বলে প্রয়োজনীয় বাজারটা শনিবারেই … বিস্তারিত পড়ুন

নিদ্রাভঙ্গম

সকাল সকাল আমাদের ফ্ল্যাটবাড়ির পাম্পটা এমন কর্কশ স্বরে ডেকে উঠলো , মনে হলো খাটের তলায়ে কেউ যেন ভাইব্রেশন মোডে নাক ডাকছে। ঘড়িতে থুড়ি মোবাইলে দেখি সময় তখন মোটে সাতটা। ও তাহলে নাকটা আমিই ডাকছিলুম, সেটা পাম্পের ইলেকট্রোমেকানিকাল আওয়াজের দাপটে এই মাত্র বন্ধ হয়ে গেল বোধহয় ! সে যাই হোক , এলার্ম যখন বাজেনি এখনো , … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!