উদ্ভট মেনিফেস্টো

একবার আমার এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা হল। তা সেবার আমি আমার আজন্ম লালিত বিশ্বব্যাপী বিপ্লবের স্বপ্নে বিভোর হয়ে একটা আন্ডারগ্রাউন্ড গেরিলা স্কোয়াড খুলে ফেললাম। সদস্য মোটে দু’জন, আমি আর আমাদের পাড়ার অতীশ পাগলা। সে আবার তারা মায়ের ঘোর ভক্ত, সারা কপাল জোড়া ইয়া রক্ত তিলক আঁকা, গলায় আট দশটা জবা ফুলের মালা, যেখানে সেখানে মা তারা … বিস্তারিত পড়ুন

পাঁচটা গল্প আর একটা স্বপ্ন

দৃশ্য ১ ঘরের দরজাটা লাল রং-এর। দরজা ঠেলে যদি ভিতরে ঢোকেন, দেখতে পাবেন ঘরটা আকারে বেশ ছোটই বলা চলে। বাম দেওয়াল ঘেঁসে একটা খাট। দুই কোনা থেকে ঝুলছে বহুদিনের না কাচা তেলচিটে একটা মশারি। খাটের পাশে একটা টেবিল আর একটা চেয়ার। টেবিলে একগাদা বইখাতা রাখা। চেয়ারেও। সেটা বোধহয় বসার কাজে বিশেষ ব্যবহার করা হয়না। টেবিলের … বিস্তারিত পড়ুন

অক্সিজেন

আমার বেড়ানোর নেশা টা উত্তরাধিকার সুত্রে বাবার থেকে পাওয়া.বাবা ভীষণ ভ্রমনপিপাসু ছিলেন.সময় সুযোগ পেলেই আমরা বেরিয়ে পরতাম বিভিন্ন জায়গার উদ্দেশ্যে.ছোটবেলায় বাবার দৌলতে আমি আর মা ট্রাভেল বুক এর বাইরে অনেক জায়গা দেখতে পেয়েছিলাম.বাবা বলতেন” টুরিস্ট স্পট হিসেবে যে জায়গার বেশী নাম ডাক, সেখানে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই অন্য কিছু দেখা যায়না, সেখানকার মাটির গন্ধ কেমন বা মানুষগুলো কেমন … বিস্তারিত পড়ুন

দোতালা বাস এবং ( ব্যক্তিগত ডায়েরী)

মামাবাড়ি ছিল বাঘাযতীনে। তখন হাওড়া যাবার জন্য এই পথে মূলত 5 GARIA চলত। আর যাদবপুর থেকে পাওয়া যেত 8B। দুটো রুটেই ছিল দোতালা বাস। মাঝে মাঝে, বেশ কয়েকটা এক চোখ কানা বাস পাওয়া যেত। ওগুলো, দোতালা বাসেরই একতলা সংস্করণ! যখনকার কথা বলছি, তখন সবে ঢাকুরিয়ার ফ্লাইওভারের কাজ শুরু হয়েছে। পথে পড়ত, লেভেল ক্রসিং! এখনও মনে … বিস্তারিত পড়ুন

ছেঁড়া কাগজের ঝুড়ির গল্প

গত বুধবার লেকের ধারে বেড়াচ্ছিলাম। দিব্যি ফুরফুরে হাওয়া। মনটা খুশি খুশি লাগছিল। বিকেলের দিকটায় অনেকেই এই লেকের ধারে বেড়াতে আসে, ইভনিং ওয়াকে আসা বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে হাত ধরে বেড়াতে আসা প্রেমিক প্রেমিকাও। লেকের টলটলে জলে ভেসে বেড়াচ্ছে একদল হাঁস। এইসব দেখতে দেখতে রাস্তার দিকে খেয়াল ছিল না, হঠাতই একটা উঁচু হয়ে থাকা শিকড়ে হোঁচট … বিস্তারিত পড়ুন

স্কুল

সেল ফোনটার রিংটোন বেজে উঠল । কেয়ার এই ফোনটা নতুন । আগের ফোনটা চুরি হয়ে যাওয়াতে এই ফোনটা কিনেছে । বেশীর ভাগ ফোন  নাম্বার আর নেই ।  কেয়া অত খুঁটিনাটি জানত না। ডিভাইস মেমোরিতে নামের সঙ্গে নাম্বার গুলো সেভ করে রাখা ছিল বলে এই বিপত্তি । নাম্বারটা একই , সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে অনেক কাঠখড় … বিস্তারিত পড়ুন

ট্যুশানি

বাবার ডেস্কটপে ফেসবুক লগ ইন করে সবে নোটিফিকেশন গুলো দেখছে তুহিনা, এই সময় ডোরবেল বেজে উঠল । সন্ধের সময়টা মা, চ্যানেল থেকে চ্যানেলান্তরে বাংলা সিরিয়াল আর রিয়েলিটি শো গুলো তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে । ডিভানে তখন ফেভিকুইকের বন্যা। সাথ দ্যায় কাজল মাসী । সংলাপ শুনে, এরপর কি হতে পারে সেটা মা আর কাজলমাসী , দুজনে … বিস্তারিত পড়ুন

বাজার

রাত্তিরে ঘুমের ওষুধ খেলেও,ভোরবেলা আজকাল চটপট ঘুম থেকে উঠে পড়ে, অতনু । কোনরকমে হাত মুখ ধুয়েই পাড়ার মোড়ের দিকে হাঁটা লাগায় । আগে বাজার যেতে, যত রাজ্যের আলসেমি আসত অতনুর । নতুন বানানো ফ্লাইওভারের নীচে ফাঁকা পরিস্কার টাইলস বাঁধানো জায়গাগুলোতে বাজার বসাতে সেই বাজার যাওয়ার আলেসেমীটা উধাও । ফুটপাথের পাশে যখন বাজার বসত, তখন একটা … বিস্তারিত পড়ুন

ছবি

ছবি। এটা ওর আসল নাম নয়। অঞ্জন ওকে আদর করে ডাকে এই নামে। না, আর ডাকেনা। ডাকত এক সময়। সেই দিনগুলো আর নেই। ছ-মাস আগেও… কি সুন্দরই না ছিল দিনগুলো – ছবি ভাবে, মাত্র দুমাসের মধ্যেই অঞ্জনকে কিভাবে ও আপন করে নিয়েছিল। -“ছবি! ছবি!” চমকে উঠল ও। কে ডাকছে বাইরে? অঞ্জন ছাড়া আর কে-ই বা … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… অন্তিম পর্ব

বিকেলের দিকে অবলাকান্তকে দেখা গেলো একটু নতুন একটা ফতুয়া পরে শিস দিতে দিতে হাঁটছে। তার পেছনে দাশু। দাশুর হাতের দড়িতে বাঁধা চাঁদনী। সে একমনে দাশুর হাতের ডাল থেকে ঝুলন্ত কাঁঠাল পাতা চিবুচ্ছে আর থেকে থেকেই পরিত্রাহি চিৎকার ছাড়ছে।একদিনের অনুশীলনে গলা আরো খোলতাই হয়েছে। কালদিঘির পারে বটকেষ্ট কে দেখা গেলো ফোকলা দাঁতে বিড়বিড় করছেন আর ছড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!