ট্যুশানি

বাবার ডেস্কটপে ফেসবুক লগ ইন করে সবে নোটিফিকেশন গুলো দেখছে তুহিনা, এই সময় ডোরবেল বেজে উঠল । সন্ধের সময়টা মা, চ্যানেল থেকে চ্যানেলান্তরে বাংলা সিরিয়াল আর রিয়েলিটি শো গুলো তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে । ডিভানে তখন ফেভিকুইকের বন্যা। সাথ দ্যায় কাজল মাসী । সংলাপ শুনে, এরপর কি হতে পারে সেটা মা আর কাজলমাসী , দুজনে … বিস্তারিত পড়ুন

বাজার

রাত্তিরে ঘুমের ওষুধ খেলেও,ভোরবেলা আজকাল চটপট ঘুম থেকে উঠে পড়ে, অতনু । কোনরকমে হাত মুখ ধুয়েই পাড়ার মোড়ের দিকে হাঁটা লাগায় । আগে বাজার যেতে, যত রাজ্যের আলসেমি আসত অতনুর । নতুন বানানো ফ্লাইওভারের নীচে ফাঁকা পরিস্কার টাইলস বাঁধানো জায়গাগুলোতে বাজার বসাতে সেই বাজার যাওয়ার আলেসেমীটা উধাও । ফুটপাথের পাশে যখন বাজার বসত, তখন একটা … বিস্তারিত পড়ুন

ছবি

ছবি। এটা ওর আসল নাম নয়। অঞ্জন ওকে আদর করে ডাকে এই নামে। না, আর ডাকেনা। ডাকত এক সময়। সেই দিনগুলো আর নেই। ছ-মাস আগেও… কি সুন্দরই না ছিল দিনগুলো – ছবি ভাবে, মাত্র দুমাসের মধ্যেই অঞ্জনকে কিভাবে ও আপন করে নিয়েছিল। -“ছবি! ছবি!” চমকে উঠল ও। কে ডাকছে বাইরে? অঞ্জন ছাড়া আর কে-ই বা … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… অন্তিম পর্ব

বিকেলের দিকে অবলাকান্তকে দেখা গেলো একটু নতুন একটা ফতুয়া পরে শিস দিতে দিতে হাঁটছে। তার পেছনে দাশু। দাশুর হাতের দড়িতে বাঁধা চাঁদনী। সে একমনে দাশুর হাতের ডাল থেকে ঝুলন্ত কাঁঠাল পাতা চিবুচ্ছে আর থেকে থেকেই পরিত্রাহি চিৎকার ছাড়ছে।একদিনের অনুশীলনে গলা আরো খোলতাই হয়েছে। কালদিঘির পারে বটকেষ্ট কে দেখা গেলো ফোকলা দাঁতে বিড়বিড় করছেন আর ছড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… অষ্টম পর্ব

অবলাকান্ত স্বপ্ন দেখছিল একটা মেছো ভূত তাকে তাড়া করে এসে টিপ করে করে মাছ ছুঁড়ে মারছে আর মাঝে মাঝেই জোর গাঁট্টা লাগাচ্ছে। অবলাকান্ত পালাতে পালাতে পেছন ফিরে দেখল ভুতের মাথাটা অবিকল কেষ্টার মত। সেই হাড়গিলে লম্বা চেহারা, কড়াইশুঁটির ডানার মত ছোট্ট ছোট্ট চোখ, খাড়া খাড়া চুল। কালদিঘির ধার দিয়ে দৌড়চ্ছে সে। হঠাৎ করে কোত্থেকে বটু … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… ষষ্ঠ পর্ব

এই বিশে কেষ্টার ডান হাত। ভালো ফুটবল খেলত; এখন তাস পেটা ছাড়া কিছুই করে না। কালীমন্দিরের থেকে খানিকটা দূরে শ্মশানের সীমানা যেখানে শুরু হয়েছে সেখানেই ওদের আড্ডার ঠেকে এসে পৌঁছেছে বিশে। কেষ্টা ছাড়াও জনা চারেক উঠতি ছোকরা সেখানে উপস্থিত। শেকড়ের দৌলতে কানটা দিব্বি কাজ করছে। কিন্তু ওরাও ভীষণ ফিসফিসিয়ে কথা বলছে। এতো গোপনীয়তা কিসের ভাবে … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… পঞ্চম পর্ব

মাঠ ঘাট সব পেরিয়ে যাচ্ছে দুপাশে। দৌড়নোর আনন্দে খেয়ালই করে নি যে পুরনো কালীমন্দিরের কাছে চলে এসেছে। সামনেই কাপালিক কালিধরের ডেরা। অদ্ভুত কিছু উচ্চারণ কানে আসতে এগিয়ে গেলো। মন্দিরের পাশের ভাঙা দেওয়ালের গায়ে একটা বহু প্রাচীন অশ্বত্থ গাছ রয়েছে। তার একটা ঝুড়ি প্রায় জাপটে ধরে আড়াল থেকে দেখতে লাগলো। একটা সস্তা ফুটিফাটা ছাপানো ব্যাঘ্রচর্মের আসনে … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… চতুর্থ পর্ব

এতক্ষন একজায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় শীত শীত লাগছে। আলোয়ানটা ভালো করে জড়িয়ে সামনের টিউবকলে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিলো। জলের ছোঁয়া লেগে আবার ঝরঝরে ভাবটা ফিরে এসেছে। কিন্তু ঠাণ্ডা লেগে পরপর বেশ কয়েকটা হাঁচিও দিলো সঙ্গে। মাথায় ছাগল চুরির ব্যাপারটা বিজবিজ করছে।কিন্তু তদন্ত করতে ইচ্ছে হলেও কান্নাকাটির মধ্যে কবিরাজ মশাইয়ের বাড়ি যেতে আর ইচ্ছে করল না … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… তৃতীয় পর্ব

পরদিন সকালে উঠে রেডিওতে খান দুই পুরাতনী আর রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনে আড়মোড়া ভেঙ্গে উঠে পড়ল অবলাকান্ত। তার বাড়ির বিশাল বাগানটা যেখানে ছিল যেখানে সেখানে এখন আগাছা এবং বিশাল বিশাল গাছ ভর্তি। দু খানা সাদা পাথরের পরীর মূর্তি ছিল; তারা এখন মাটিতে ধরাশায়ী।গরমের সময় সাপের উপদ্রবে চলাই মুশকিল। দাশু এদিক ওদিক কিছু শাকপাতা লাগিয়েছে বটে কিন্তু বিশেষ … বিস্তারিত পড়ুন

অবলাকান্তর দপ্তর… দ্বিতীয় পর্ব

কাঁসার গ্লাসে করে পেল্লায় এক গ্লাস ছাতুর ঘোল খেয়ে এক টুকরো পাটালী গুড় চুষতে চুষতে অবলাকান্ত কালো দীঘির দিকে এগোল। কালো দীঘি বলবার কারণ জলের রঙটা। গ্রামের পুকুরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আর বড় মাছ এখানেই পাওয়া যায়। তবে একটাও নেওয়ার জো নেই কারো। কারণ এটার মালিক মুখুজ্জেরা। এককালের অভিজাত বাড়ি। এখনকার ঝরতি পড়তি অবস্থায় কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!