ভূতের সন্ধানে একদিন

স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রেখেই মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন কমলেশ। আর নেমে পড়া মাত্রই সই শিকারীরা তাঁকে ঘিরে ধরল। সবই স্কুল পড়ুয়ারা। সই নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটা ওটা কথাও হচ্ছে। এমন সময় একটি ছোট্ট মেয়ে, খুব বেশী হলে বছর আট নয়েকের হবে, সামনে এগিয়ে এসে বলল, ‘তুমি ভূতের গল্প লেখো না … বিস্তারিত পড়ুন

বিষ্টুচোণ

পরশু রাতে দৌড়তে গিয়ে পা টা একটু মচকে মত গেছে বিষ্টুচোণের কিন্তু তা বলে তো আর ‘কাজ’ থেমে থাকবে না। কাজ থেমে গেলে পেট চলবে কী করে? কাল একটু শুয়ে বসে বিশ্রাম নিয়ে আজ আবার ‘নাইট ডিউটি’ তে বেরিয়েছে বিষ্টুচোণ। বিয়ে হয়ে বাড়িতে আসার পর বেষ্পতি তাকে একবার জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কী ডিউটি করগো? আমার … বিস্তারিত পড়ুন

মিফতার ধাক্কা (পরকীয়াকে “না” বলুন)

ঢাকা বিমান বন্দরে পা দিতেই মনটা আনন্দে ভরে উঠল মিফতার। প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে আসলো সে। প্রাইভেট ভার্সিটিতে বাবা মার বকুনি খেয়ে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়া চলে যায় মিফতা। প্রিয়াঙ্কাকে কথা দিয়েছিল সে তার এমবিএ শেষ করে ভালো একটা চাকরিতে যোগদান করে দেশে ফিরবে। সব এখন কমপ্লিট, আপাতত প্রিয়াঙ্কাকে বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার … বিস্তারিত পড়ুন

চাবুক

ঝুমার বাংলাদেশ ভালো লাগে না । ওর এই বারো বছর বয়সে ওই দেশটাকে জ্ঞানতঃ দেখেই নি কখনও । তবুও ঘোরতর অপছন্দ বাংলাদেশকে । আসলে বাংলাদেশের নাম শুনলেই ও দেখতে পায়, একটা ফর্সা ধবধবে নাদুসনুদুস পিঠ আর সেই পিঠে আড়াআড়ি দুটো লাল দাগ । চাবুকের দাগ । যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ওই পিঠ আর একটা কোমল হাত সেঁক … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প || তারার দেশ

চাদরটা দাদু হিয়াকে দিয়েছিল ওর জন্মদিনে। গাঢ় নীল। চাদরজুড়ে ছিল রুপালি কাপড় কেটে বসানো অনেক তারা। মাঝে একটা চাঁদ। চাঁদের মুখে হাসি দেখে মনে হয় রাতের আকাশে চকচক করে জ্বলছে। চাদরটা ছিল নরম তুলতুলে। ওটা হিয়ার প্রিয় চাদর। বেশ শীত পড়েছে। মা হিয়াকে একটা নতুন কম্বল কিনে দিল। কম্বলটাও ভীষণ সুন্দর! গোলাপি রঙের উপরে হলুদ … বিস্তারিত পড়ুন

পরীক্ষা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মের শেষ এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে (আমার ছোট বোনের মেয়ে) নিয়ে আমিও গেলাম পরীক্ষার হলে পৌঁছে দিতে। গিয়ে দেখি হুলস্থুল কাণ্ড! প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে কম করে হলেও তিনজন করে গার্ডিয়ান। আর যারা গাড়িওলা তাদের কথা কি আর বলব; এই প্রচণ্ড ভিড়ে আমাদের একদম গেটের কাছেই তাদের নামতে হবে। আর তারা … বিস্তারিত পড়ুন

নির্বাক পরী

জীবনে কোনদিন প্রেম করিনি।তাই মনের কোণে একটা দুঃখ নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম। সারাদিন কোন কাজ থাকত না বলে ফেসবুকে পড়ে থাকতাম। ক্যামরার সামনে নিজেকে ভাল ভাবে মানিয়ে নিতে পারতাম না বলে ইমরান হাশমির ছবি প্রোফাইল পিকচার দিতাম।মাঝে মাঝে পরিচিত-অপরিচিত মেয়েদের সাথে চ্যাট করতাম। কিন্তু সেটা হাই-হ্যালো থেকে কেমন আছেন, পর্যন্ত গিয়ে থেমে যেত। স্ট্যাটাসও তেমন দিতে … বিস্তারিত পড়ুন

বিষাক্ত ছোবল

হঠাৎ বিস্ময়ঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রাতঃভ্রমণ শেষ করে বাসায় ফিরছি। টি এস সি’র পাশের ফুটপাতে দেখি এক কমলাবিক্রেতা এই সাতসকালেই বসে গেছে কমলার ঝুড়ি নিয়ে। টসটসে কমলাগুলো দেখে এগিয়ে গেলাম। কাজল এর ছেলেটা কমলার ভীষণ ভক্ত। আম-কাঁঠালের দিনেও সে কমলার খোঁজ করে। নীচু হয়ে কমলার দরদাম করছি। আমার পাশে একজন মহিলা তের-চৌদ্দ বছরের এক মেয়েকে সাথে … বিস্তারিত পড়ুন

অপু ও ফলচুরি রহস্য

মহানগরের কোলাহলের মাঝে, ব্যস্ত জনপথের কিছুটা দূরে একফালি সবুজ ল্যান্ডস্কেপ । সদ্য গড়ে ওঠা আবাসন । ঝাঁ চকচকে সব বাড়িঘর আর মধ্যে মধ্যে একচিলতে সবুজ লন। সীমানায় রয়েছে আদি-অনন্তকালের বড় বড় সব মহীরুহ । আম, জাম, কাঁঠাল, বেল, মাদার আরো কত কি ! এরা যেন আবাসনের আব্রু । ভেতরে বিশাল বিশাল লম্বা আকাশ ছোঁয়া টাওয়ার। … বিস্তারিত পড়ুন

চিন্টু ওস্তাদ

চিন্টুটার সব সময়ে সব কিছুতে ওস্তাদি। অসহ্য লাগে একেক সময়ে। কিছু একটা বলতে যাও অমনি বলবে, “ওঃ এই ব্যাপার। এতো জানা কথা। এতো এই জন্যে হয়েছে। তোরা এটাও জানিস না!” এমনভাবে বলবে যেন সে একেবারে সবজান্তা। টিটো, ঋষি, পাবলো এ জন্যে মহা খাপ্পা। কিন্তু চিন্টুটাকে কিছুতেই বাগে আনতে পারে না। কি করে যেন চিন্টুটার ওস্তাদিই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!