দাদুর দোয়া

পাখা হাতে রিতু দাদুকে বাতাস করতে থাকে। বেশ গরম পড়ছে। ভ্যাপসা গরমে সবাই অতিষ্ঠ। বিশেষ করে বৃদ্ধ এবং শিশুদের জন্য দুর্ভোগ বেড়ে যায়। পরনির্ভরশীল হলেই এমন অবস্থা হয়ে থাকে। তবু শিশুদের জন্য তো থাকে অভিভাবক। আর বৃদ্ধদের জন্য থাকে কেবলই অবহেলা। এইমাত্র রিতু স্কুল থেকে বাড়ি এলো। নিত্যদিনের মতো উঠোনে পা দিতেই দাদুকে ডাকতে থাকে। … বিস্তারিত পড়ুন

দশে মিলে করি কাজ

ডাক্তার বাড়ির কাচারিতে বৈঠকের আয়োজন চলছে, ঘণ্টাখানেক পরেই অর্থাৎ আসরের নামাজের পর বৈঠক শুরু হওয়ার কথা। ডাক্তার বাড়ির ছেলেপুলেরা বাড়ির ভেতর থেকে চেয়ার, মোড়া, পিঁড়ি নিয়ে এসে কাচারির সামনে উন্মুক্ত জায়গায় রাখছে। দেখে বোঝাই যাচ্ছে জনা পঞ্চাশেক লোকের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাঝে একটা মোড়ার ওপর পান-সুপারির বেশ আয়োজন দেখা যাচ্ছে। গ্রামের বৈঠকগুলোতে পান-সুপারিই আপ্যায়নের … বিস্তারিত পড়ুন

চাঁদ মামার গল্প

‘আয় আয় চাঁদ মামা, টিপ দিয়ে যা চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা’ মায়ের মুখে চাঁদ মামাকে নিয়ে এই ছড়াটি শুনতে শুনতে তো ঘুমিয়ে পরা হয় রোজই তাই না? কিন্তু ঝলমলে কোনো চাঁদনী রাতে, ঘুম জড়ানো চোখে চাঁদ মামার এই ছড়াটি শুনতে শুনতে তোমাদের নিশ্চয়ই মনে হয়েছে, চাঁদ মামাটা বুঝি বড্ড নিরস! নয়তো কই মায়ের … বিস্তারিত পড়ুন

ঝালং

আমি ঝালং। খুব সুন্দর একটা পাহাড়ি জায়গার নামে আমার মা রেখেছিল আমার নাম। ঝালংয়ে আমি অবশ্য কখনও যাই নি। মা হয়তো নিয়ে যেতো কোনও দিন-কিন্তু আমি যখন ক্লাস ওয়ান, আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছিল মা। আমার মা বলতো ভালো মানুষ মরে গেলে স্বর্গে যায়, দুষ্টু লোক নরকে। মা খুব ভালো ছিল, তাই মা স্বর্গে গেছে আমি … বিস্তারিত পড়ুন

তিতলি আর মিনি

তিতলির খুব মনখারাপ। আজ নিয়ে তিনদিন হল, মিনির সঙ্গে দেখা হয় নি। মাম অফিস যাবার আগে রোজ ডাইনিং টেবিলের ওপর দুধ-ভাত রেখে যায়, যেমনকার তেমন পড়ে থাকে .. মিনি আসে না। হয়ত মিনির আর দুধভাত খেতে ইচ্ছে করে না। তাই রোজ এসে না খেয়ে ফিরে যায়। স্কুলে গিয়েও মন বসে না তিতলির। স্কুলবাসে যাবার সময় … বিস্তারিত পড়ুন

লালকন্ঠের স্বপ্নপূরণ

লালকন্ঠ সারসের মন মেজাজ বেজায় খারাপ। সেই শীতের শুরুতে যখন উত্তুরে হাওয়া বইতে শুরু করেছে একটু একটু করে, আর তার দুধ সাদা পালকের ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝেই কনকনিয়ে দিচ্ছে শরীর, তখন সাত-তাড়াতাড়ি করে উড়ে চলে এল দক্ষিনে। দক্ষিনের দিকে শীত কম, রোদ্দুর বেশি। লালকন্ঠ প্রত্যেকবারই শীতে উড়ে আসে দক্ষিন দিকে। এটাই তো নিয়ম। কোন কোন … বিস্তারিত পড়ুন

দ্রাঘিমাংশ

আমাদের বিন্দুবাসিনী বয়েজ স্কুলের ভূগোল স্যারের নাম পরমহংস পোদ্দার। তাঁর দুই যমজ ছেলে অক্ষাংশ আর দ্রাঘিমাংশ আমাদের সহপাঠী। ক্লাসের ফার্স্ট বয় অক্ষাংশ একটু ধীর স্থির স্বভাবের। পড়াশোনায় তার খুব মন। খটমটে ইংরেজি গ্রামার হোক কিংবা কঠিনস্য কঠিন জিওমেট্রি, ভূগোলেড় কূটকাচালি হোক কিংবা ইতিহাসের সন-তারিখের আদ্যশ্রাদ্ধ, সবই অক্ষাংশের কাছে জলভাত। সাম্নের বার মাধ্যমিক দিতে চলেছি আমরা। … বিস্তারিত পড়ুন

চিলাপাতার জঙ্গলে

মাদারিহাট পর্যটন লজের সামনে কালচে সবুজ জঙ্গলের ঠিক ওপরটা দিয়ে সিঁদুরের গোল টিপের মতো সূর্য পাটে যেতে বসেছে। পশ্চিম আকাশে রং ময়ূরনীল ছিল একটু আগেও, এখন অচেনা একটা জাফরানি বর্ণ এসে মিশেছে আকাশে। বিচ্ছুরিত রজন হলুদকে সরিয়ে দিয়ে উঁকি দিচ্ছে মিষ্টি একটা ম্যাজেন্টা। আমি আর ইমন চা খেতে খেতে সূর্যাস্ত দেখছিলাম। ইমন বলল, বুঝলি রাহুল, … বিস্তারিত পড়ুন

আমার প্রিয় বাবা

রাহুল খুব মেধাবী ছাত্র। গত বছর সে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তার আশা ছিল, সে ডাক্তার হবে এবং ডাক্তার হয়ে গরিব-দুঃখীদের সেবা করবে। কিন্তু তার আগে তো রাহুলকে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে হবে। রাহুল জানে সে এসএসসি পরীক্ষায় এচ-এ-৫ পাবে। আর পাবেই না কেন? সে তো ক্লাসের ফার্স্ট বয়। রাহুল তার বাবাকে বলল, “বাবা, … বিস্তারিত পড়ুন

একটি স্বপ্ন

প্রত্যেকটি মানুষ একটা না একটা স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে। এতে থাকে তার জীবনকে সুন্দর করে সাজানোর একটি পথ। মানুষ বাঁচার পেছনে একটা স্বপ্ন থাকে। এই পথে হাঁটতে হাঁটতে আল্লাহর রহমতে সে সফল হবেই। চলুন দেখে আসি নীরবের জীবনটাকে। নীরব ছোট শিশুটি। এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তার জন্ম। তাদের পরিবারে তিন ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল মেজো। তার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!